সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার টিপস।

!!!ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হতে হলে নিচের যোগ্যতাগুলো খুব জরুরী: – ধৈয্য শক্তি এ নিজের প্রতি অত্মবিশ্বাস জরুরী। – টাকাকে নয় কাজকে ভালবাসতে হবে। – ফ্রিল্যান্সিংকে শুধু পার্টটাইম হিসেবে না ফুলটাইম ক্যারিয়ার ভাবা শুরু করতে হবে।

প্রতি ক্লিকে আয় করুন

অবসরে বসে না থেকে প্রতিদিন ৫ থেকে ১৫ ডলার আয় করুন। পোস্টগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়লে। ইনশাল্লাহ আয় করতে পারবেন। প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন।

scarlet clicks000

!!!THE BEST PAYMENT POROCESSOR!!! Join Payeer Now for Free.Add Money in over 35 diffrent Ways and pay on PTC Sites!Commessions 100% per ads click $0.01 to $0.02. you can payout on $2 payment Pzyza, Paypal. Perfect Money. Payeer. Traffice Exchange, Surfratio. so Join us Ptc Market Place. Enjoy life.

Neobux

!!!THE BEST PAYMENT POROCESSOR!!! Join Payeer Now for Free. Add Money in over 35 diffrent Ways and pay on PTC Sites! Add and Safe Bitcoins in seperate BTC Wallet! !!!Recommended!!! Commessions 100% per ads click $0.01 to $0.02. you can payout on $2 payment Payza, Paypal. Perfect Money. Payeer. Traffice Exchange, Surfratio. so Join us Ptc Market Place. Enjoy life.

Paidverts

!!!THE BEST PAYMENT POROCESSOR!!! Join Payeer Now for Free.Add Money in over 35 diffrent Ways and pay on PTC Sites! Add and Safe Bitcoins in seperate BTC Wallet! !!!Recommended!!! Commessions 100% per ads click $0.01 to $0.02. you can payout on $2 payment Pzyza, Paypal. Perfect Money. Payeer. Traffice Exchange, Surfratio. so Join us Ptc Market Place. Enjoy life.

Innocurrent

!!THE BEST PTC!!! Join Now | Proofs: 1 .Guaranteed Daily earning VERY TRUSTED PROGRAM !!! Earn Up to $0.02 for every website visited.U.S. registered company / Very fast Payouts Commessions 100% per ads click $0.01 to $0.02. you can payout on $2 payment Pzyza, Paypal. Perfect Money. Payeer. Traffice Exchange, Surfratio. so Join us Ptc Market Place. Enjoy life.

Legacyclix

!!!THE BEST PAYMENT POROCESSOR!!! Join Payeer Now for Free.Add Money in over 35 diffrent Ways and pay on PTC Sites!Commessions 100% per ads click $0.01 to $0.02. you can payout on $2 payment Pzyza, Paypal. Perfect Money. Payeer. Traffice Exchange, Surfratio. so Join us Ptc Market Place. Enjoy life.

Clixten

!!!THE BEST PTC!!! Join Now | Proofs: 1 High Trusted! Earn Up To $0.01 Per Click !!!Recommended!!! Earn up to $0.01 per referral click / Trusted Since 2014 2.00$ Minimum Cashout via Payza and PM within 24 hours! Commessions 100% per ads click $0.01 to $0.02. you can payout on $2 payment Pzyza, Paypal. Perfect Money. Payeer. Traffice Exchange, Surfratio. so Join us Ptc Market Place. Enjoy life.

Go to The average CPM for 26th August 2016. Unique = average amount paid for 1000 visitors in the 24-hour period. Raw = average amount paid on the 1st advert view for 1000 link views in the 24-hour period...... Details Next Page

দেখে নিন : কলেজ পড়ুয়া ছাত্র/ ছাত্রীদের আর্নি শুরু | সহজ ৭টি মাধ্যম থেকে

কলেজে লেখাপড়ার পাশাপাশি আপনিও আপনার মূলবান সময়টুকু ব্যয় করছেন ফেইসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন রকম সামাজিক যোগাযোগের সাইটে। আমি পূর্বে দিনগুলোকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেগুলোতে সময় ব্যয় করতাম। তবে এখন সময় ব্যয় করি অনলাইন আর্নি ও লেখাপড়ারতে। এখন আমি ভাবি কেন আমি এ সময় টুকু ঐ সমস্ত সামাজিক যোগাযোগের সাইটে ব্যয় না করে ব্লগিং বা অনলাইন মার্কেট প্লেজে ব্যয় কাটালাম না।

10

ব্লগিং এর অফুরন্ত আয় করুন

ব্লগিং কি:
প্রত্যেকটি কাজের জন্য ধারাবাহিক নিয়ম আছে। আর অনলাইনে আয়ের জন্য নিময় মেনে কাজ করা অত্যন্ত জরুরী। কথা না বাড়িয়ে বিষয়ে আসি । ব্লগিং কি? প্রত্যহিক জীবনের কিছু ঘটনা বা কোন নির্দিষ্ট ঘটনা নিয়ে ধারাবাহিক ভাবে লিখা বা কোন একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর ধারাবাহিক ভাবে লিখার মাধ্যমে ইন্টারনেটে সবার সাথে শেয়ার করাকে ব্লগিং বলে। যে সব ওয়েব সাইটে ব্লগিং করা হয় তাদের ব্লগ বলে। এ ব্লগিং বিভিন্ন বিষয়ের উপর হতে পারে। যেমন আপনার জীবন নিয়ে, সাহিত্য নিয়ে রাজনীতি নিয়ে, অর্থনীতি নিয়ে, বিনোদন নিয়ে, কোন ঘটনা, গল্প-কবিতা,  ইন্টারনেটের বা কম্পিটারের কোন বিষয় নিয়ে লেখা ইত্যাদি।

ব্লগিং কত প্রকার:
প্রধানত ব্লগিংকে আমরা ২ ভাগে ভাগ করতে পারি।
১) ব্যাক্তিগত ব্লগ বা অলাভজনক ব্লগ
২) নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর ব্লগ / লাভজনক ব্লগ
যেহেতু আমরা ফ্রিলান্সিং নিয়ে আলোচনা করতেছি এখানে আমরা এখানে ২ নং ব্লগ নিয়ে আলোচনা করব।
ব্লগিং অনলাইনে আয় করার জন্য খুব একটি বড় মাধ্যম। ব্লগিং এর মাধ্যমে অনেকেউ অর্থ আয় করছে। বাংলাদেশের অনেকেঐ চাকুরির পাশাপাশি ব্লগিং করে অনেক টাকা আয় করছে।
ব্লগিং এ এডসেন্স এর মাধ্যমে, রিভিও পোষ্টের মাধ্যমে, এ্যাড বিক্রির মাধ্যমে আয় করা যায় । 

ব্লগিং-এর মাধ্যমে আয় করতে হলে আমাদের যা যা করতে হবে :
১) ব্লগিং এর মাধ্যমে আয় করতে হলে আপনাকে অবশ্যই একটি নিদিষ্ট বিষয়ের উপর ব্লগিং করতে হবে। কারন একটি নিদিষ্ট বিষয় এর উপর ব্লগিং করলে আপনি আপনার মনযোগ শুধুমাত্র একটি বিষয়ের উপর দিতে পারবেন। অন্যথাই মনোযোগ দিতে পারবেন না। অন্যথায় আপনার সময় নষ্ট হবে। নিদিষ্ট বিষয় নিয়ে কাজ করলে আপনার ব্লগিং করতে সুবিধা হবে।
আপনাকে নিদিষ্ট বিষয়টি পছন্দ করতে হবে। যা আপনি নিয়মিত লিখতে পারবেন বা পোষ্ট দিতে পারেন। কারন ব্লগিং এর মূল মন্ত্র হল ভিজিটররা এসে যাতে আপনার ব্লগ থেকে কিছু শিখতে পারে এবং জানতে পারে। আপনি যদি নিজেই কিছু না জানেন তাহলে আপনি আপনার ভিজিটরকে কি জানাবেন। তাই বুঝে শুনে ব্লগিং এর বিষয় নির্ধারন করবেন। নির্বাচনের ক্ষেত্রে অপেক্ষাকৃত কম প্রতিযোগিতাপূর্ন বিষয় নির্বাচন করা উচিত। যেমন আপনি সফ্টওয়ার এর উপর ব্লগ বানাতে চান কিন্তু অনলাইন মার্কেটে সফ্টওয়ার নিয়ে প্রতিযোগিতা বেশী। এতো বিশাল প্রতিযোগিতার মধ্য আপনি সাফল্য নাও পেতে পারেন।তাই এ বিষয়টি ভেবে অপেক্ষাকৃত কম প্রতিযোগিতাপূর্ন বিষয় নিয়ে ব্লগিং করতে হবে তাতে আপনার সাফলতা হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
২) বিষয় নির্বচনের পর আপনাকে একটি Domain name & Hosting Space কিনতে হবে।
৩) এখন আ্পনাকে ব্লগ তৈরির জন্য একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। ব্লগ তৈরির জন্য বিনা খরচে জি-মেইল দিয়ে একটি ব্লক সাইট তৈরি করতে পারেন। পরবর্তীতে আপনি ডোমেন রদবদল করতে পারবেন। প্রথম দিতে ডোনেম বা হোস্টিং এর জন্য টাকা না খরচ করায় ভাল হবে।
৪) এবার যে বিষয়টি পছন্দ করেছেন সে বিষয়ের উপর ধারাবা্হিক ভাবে পোষ্ট তৈরৈ করতে থাকেন।
৫) এভাবে আপনার পোষ্ট ১০-১২ টা হলে Adsense এর কোড বসান। Adsense সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন এখানে
৬) ব্লগিং এর মাধ্যমে আয় করতে চাইলে আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটে নিয়মিত SEO(Search EngineOptimization) করতে হবে। এজন্য আপনাকে SEO সম্পর্কে জানতে হবে। মনে রাখবেন ব্লগে যত বেশী ভিজিটর আপনার লাভ বা আয় তত বেশী। তাই বিভিন্ন উপায়ে আপনার ব্লগের ভিজিটর বাড়াতে হবে। এ জন্য SEO(Search Engine Optimization) একটা বড় ব্যাপার। Search Engine থেকে সাফল্য পাবার একমাত্র মাধ্যম হলো ব্লগের SEO করা।

ব্লগ থেকে আয়ের মাধ্যমগুলো :
ব্লগ থেকে Adsense ছাড়াও আরো অনেক উপায় আছে। আর এ আয় করার জন্য আপনার ব্লগ সাইটটি খুব জনপ্রিয় করতে হবে। জনপ্রিয় বলতে আমি বুঝিয়েছি প্রতিদিন আপনার সাইটে প্রচুর ভিজিটর থাকবে এবং তারা নিয়মিত কমেন্ট লিখবে। নিচে ব্লগ হতে আয়ের উপায় গুলো বর্ননা করা হল
রিভিও পোষ্টের মাধ্যমে:
আপনার ব্লগ পপুলার হলে বিভিন্ন কোম্পানি তাদের পন্য বা ওয়েবসাইটের জন্য আপনার ব্লগে রিভিও দিতে চাইবে। এই রিভিও লিখার জন্য এবং আপনার ব্লগে তা প্রকাশ করার বিনিময়ে ঐ কোম্পানি আপনাকে নিদিষ্ট পরিমান অর্থ দিবে।
ব্যানার অ্যাডের মাধ্যমে:
ব্যানার অ্যাডের ব্যাপারটা অনেকটা রিভিও পোষ্টের মতঐ। তবে এখানে আপনাকে কোন আর্টিকেল লিখতে হবে না। কোন প্রতিষ্ঠান তাদের পন্য বা সেবার প্রচার এর জন্য বিভিন্ন ব্লগে তাদের পন্য বা সেবার ব্যানার অ্যাড দেয়।আপনার ব্লগ যদি জনপ্রিয় হয় তাহলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আপনার ব্লগে ব্যানার অ্যাডের মাধ্যমে এড দিবে। যা থেকে আপনি নিদিষ্ট পরিমান অর্থ পাবেন।
ব্যাক লিংক বিক্রি করে:

আপনার ব্লগ সাইটের  Google Page Rank যদি ৩ বা তার বেশী হয় এবং Alexa Ranking এ যদি ভালো অবস্থানে থাকে তাহলে আপনি ব্যাকলিংক বিক্রি করে প্রচুর আয় করতে পারেন। seo  এর ক্ষেক্রে ব্যাক লিংক খুব গুরত্বপূর্ন ব্যাপার। সাধারনত একটি ওয়েবসাইটে অন্য একটি ওয়েবসাইটের লিংক দিলে সেই লিংকটি দ্বিতীয় ওয়েবসাইটের ব্যাকলিংক হবে।ব্যাক লিংকের মাধ্যমে প্রচুর অর্থ আয় করা যায়। সাধারনত আপনার পেজ রেন্ক ৬ অথবা ৭ হলে আপনি একটি ব্যাকলিংক ১০০ থেকে ১৫০ ডলার পর্যন্ত বিক্রি করতে পারবেন। ব্লগের পেজ রেন্ক বের করতে ক্লিক করুন এখানে ।তবে ব্লগিং করার প্রথমে কেউ আপনার কাছ থেকে ব্যাক লিংক ক্রয় করবে না । এজন্য আপনার ব্লগকে পপুলার করতে হবে। I mean ভিজিটর বাড়াতে হবে।
ভাল ব্লগার হবার জন্য করনীয়:
আপনি যদি আশা করেন আপনি যে কোন বিষয়ের উপর ব্লগ করলেন আর সে ব্লগে হুরমুর করে ভিজিটর আসা শুরু করবে এবং বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে। তাহলে সে আশা একবারে বৃথা যাবে। কারন একজন ভিজিটর কেন আপনার সাইটে আসবে কেনঐ বা বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে? যদি একজন ভিজিটর মনে করে আপনার সাইট হতে সে অনেক কিছু শিখতে পারছে এবং ভবিষ্যতে আরো অনেক কিছু শিখতে পারবে তাহলে ঐ সে নিয়মিত আপনার সাইটে আসবে। তাহলে আপনার করনীয় কি?
ভিজিটর উপযোগী করে ব্লগটি তৈরি করা। আর সেজন্য আপনাকে ভালো ব্লগার হতে হবে। একজন ভালো ব্লগার হতে যা যা করনীয় তা নিচে দিওয়া হল।
১) ব্লগিং এর বিষয় নির্বাচনের সময় লক্ষ রাখবেন যে বিষয়টি আপনি পছন্দ করলেন সেটি সর্ম্পকে আপনি প্রচুর লিখতে পারেন এবং সে বিষয়ে ইন্টারনেটে প্রচুর চাহিদা আছে।
২) নিয়মিত ব্লগিং এর বিষয়ে ইন্টারনেটে ঘাটাঘাটি করেন।
৩) কখনো অন্য কারো লিখা নকল করবেন না।যদি নকল করতেই হয় তাহলে যার লেখা নকল করছেন তার অনুমতে নিন।
৪) আপনার নির্বাচিত বিষয়টি নিয়ে অন্যান্য যারা ব্লগ বানিয়েছে তাদের সাথে সর্ম্পক বজায় রাখুন এবং গুরত্বপূর্ন বিষয়গুলি শেয়ার করুন।
৫) পাঠকের মন্তব্যের গঠনমূলক উত্তর দিবেন। কোনভাবেঐ গাল মন্দ বা খারাপ কথা বলবেন না। এতে ভিজিটর হারানোর সম্ভাবনা থাকে।
৬)পোষ্ট লিখার সময় মনোযোগ দিয়ে লিখেন এবং লক্ষ রাখবেন যা লিখতে চাচ্ছেন তা যেন লিখার মাঝে ভালো ভাবে প্রকাশ পায়।
৭) পাঠক আপনার কাছে কি কি নতুন বিষয়ের উপর লিখা চায় তা জানতে চেষ্টা করেন এবং সে বিষয়ে লিখেন।
ব্লগ তৈরি করার পর করনীয়:
আপনার ব্লগ তৈরির সময় এবং এর পরে আপনার বেশ কিছু করনীয় আছে তা নিচে দেওয়া হল।
৮) ব্লগ তৈরির সময় লক্ষ রাখবেন এটি যেন SEO বান্ধব হয়।
৯) সাইটের ব্যাকগ্রাউন্ডে কোন অহেতুক কোন ছবি বা সাউন্ড ব্যাবহার করবেন না। এতে সাইট লোড হতে অনেক সময় লাগে এবং পাঠক বিরক্ত হয়।
১০) সাইটের ব্যাকগ্রাউন্ড কালার এবং টেক্সট কালার এমন ভাবে সমন্ব্য় করুন যাতে ভিজিটরদের লেখা পড়তে কোন সমস্যা না হয়।
১১) ব্লগ তৈরির পর তা বিভিন্ন সার্চ ইন্জনে সাবমিট করুন।
১২) প্রতিনিয়ত ব্লক সাইটের ভিজিটর বাড়ানোর চেষ্টা করুন।
১৩) আপনার ব্লক সাইটের জন্য বিভিন্ন সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইট যেমন ফেইসবুক, টুইটার, ডিগ, এ অ্যাকাউন্ট এবং লাইক পেজ তৈরি করুন।ফিডবার্নার রাখুন এবং ইমেইল নিউজলেটার এর ব্যাবস্থা করুন। এগুলোর মাধ্যমে প্রচুর ভিজিটর পাওয়া যায়।
১৪) সাইটে একটি যোগাযোগ FORM  রাখুন যাতে পাঠকরা এবং বিজ্ঞাপনদাতারা আপনার সাথে সহজেঐ যোগাযোগ করতে পারে।
১৫) সাইটের ডিজাইন সুন্দর রাখার চেষ্টা করুন। তবে খুব বেশী ডিজাইন করার চেষ্টা করবেন না।
 ৯) একদিনে ৩ টার বেশী পোষ্ট লিখবেন না। তবে আপনার ভিজিটরের উপর ভিত্তি করে সপ্তাহে দুই বা তিনটি  পোষ্ট লিখার চেষ্টা করুন। দুইটি পোষ্টের মধ্যবর্তী সময় যেন খুব বেশি না হয়।
১০) স্যোসাল মিডিয়াতে আপনার সাইটের লিংক ছড়িয়ে দিন। তাকে অনেক ভিজিটর পাবেন।

এভাবেই চালিয়ে যান । পরবর্তীতে কোন সমস্যা হলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন । ধন্যবাদ।
Share:

কলেজ পড়ুয়া ছাত্র/ ছাত্রীদের আর্নি শুরু | সহজ ৭টি মাধ্যম থেকে


কলেজে লেখাপড়ার পাশাপাশি আপনিও আপনার মূলবান সময়টুকু ব্যয় করছেন ফেইসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন রকম সামাজিক যোগাযোগের সাইটে। আমি পূর্বে দিনগুলোকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেগুলোতে সময় ব্যয় করতাম। তবে এখন সময় ব্যয় করি অনলাইন আর্নি ও লেখাপড়ারতে। এখন আমি ভাবি কেন আমি এ সময় টুকু ঐ সমস্ত সামাজিক যোগাযোগের সাইটে ব্যয় না করে ব্লগিং বা অনলাইন মার্কেট প্লেজে ব্যয় কাটালাম না।

আমার অনেক বন্ধু বান্ধব আছে যারা ঠিক একই ভাবে বিভিন্ন সামজিক যোগাযোগের সাইটে চ্যাট করে প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা সময় পার করে দিচ্ছে। যদি হিসাব করেন যে, আপনি প্রতিদিন গড়ে কতটুকু সময় ইন্টারনেট ব্যবহার করে পার করছেন, তাহলে বেশীরভাগ লোকই বলবে ৫-৬ ঘন্টা। তাহলে আপনি কি ভাবছেন এ সংখ্যা বছরে কতই গিয়ে দাড়াচ্ছে। বছরে অন্তত ১০০০-১২০০ ঘন্টা পার করছেন ইন্টারনেটে বিভিন্ন সমাজিক যোগাযোগ এর সাইটে চ্যাট করে। কিন্তু একবারও কি আপনি নিজের কাছে প্রশ্ন করেছেন যে, আপনার এ মূল্যবান সময়গুলি ব্যয় করে আপনি কি পেয়েছেন? আপনার উত্তর হবে শূন্য।

আপনি মূ্ল্যবান সময়ের সামান্য সময় ব্যয় করে যদি কিছু টাকা পয়সা ইনকাম করে নিজের প্রয়োজন মিটাতে পারেন, তাহলে অন্যের কাছ থেকে ধার করার প্রয়োজন পড়ে না। ইন্টারনেট জগৎটা শুধু মাত্র স্যোসাল সাইটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আপনার সামান্য ইচ্ছা শক্তির বলে আপনি ইন্টারনেট হতে কিছু টাকা উপাজর্ন করতে পারেন। এই জন্য আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিভাবে ছাত্র-ছাত্রী, গৃহিনী এবং কিশোর ইন্টারনেট হতে কিভাবেটাকা উপার্জন করে নিজের ব্যক্তিগত প্রয়োজন মিটাতে পারেন।

০১। YouTube হতে টাকা উপার্জনঃ অনলাইন থেকে টাকা উপার্জনের একটি সহজ মাধ্যম হচ্ছে YouTube. এখান থেকে যে কোন বয়সের লোক খুবই সহজে টাকা উপার্জন করতে পারেন। ইন্টারনেট বিশ্বের জনপ্রিয় ১০ ওয়েবসাইটের মধ্যে YouTube হচ্ছে একটি। আপনি ইচ্ছে করলেই এখান থেকে কম সময় ব্যয় করে অল্প অভীজ্ঞতা নিয়ে মাসে ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারেন। এই জন্য আপনাকে যেটি করতে হবে- প্রথমে বিভিন্ন ভাল মানের ভিডিও YouTube এ আপলোড করতে হবে। এ জন্য আপনি আপনার মোবাইল ফোনকে ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যদি ভ্রমন প্রিয় লোক হন তাহলে বিভিন্ন সুন্দর সুন্দর প্রকৃতিক দৃশ্যগুলি আপনার ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দী করেও এ কাজটি করতে পারেন। অথবা আপনি যে বিষয় ভালভাবে জানেন সে বিষয়ে বিভিন্ন টেউটোরিয়াল তৈরী করেও কাজটি করতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন কারও কোন নকল ভিডিও কপি করে এটি করা যাবে না। এতে আপনার আইডি ব্লক হয়ে যেতে পারে।

০২। ব্লগিং করে বা ব্লগে আর্টিকেল লিখেঃ ব্লগিং এর সাথে আমার মোটামুটি ভালই পরিচিত।  আপনি গুগল ব্লগারে কিংবা ওয়ার্ডপ্রেসে বিনা মূল্যে একটি ব্লগ তৈরী করে নিতে পারেন। এখন ব্লগ তৈরী করে থেমে থাকলে হবে না। আপনার যে বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান আছে, আপনি সে বিষয় নিয়ে লিখে যান। এ ক্ষেত্রে হয়তো আপনি প্রথম ২-৩ মাস একটু কষ্ট করতে হবে। আপনি প্রতিদিন নিত্য নতুন আর্টিকেল লিখতে থাকেন। আপনার বিষয়টি যদি ইউনিক এবং জ্ঞানগর্ভপূর্ণ হয় তাহলে ভিজিটর অবশ্যই আপনার ব্লগে আসবে। এ ক্ষেত্রে সফলতা পেতে আপনাকে বেশী দিন অপেক্ষা করতে হবে না। আপনি নিজে নিজেই টাকা উপার্জনের পথ সুঘম করে নিতে পারবেন।


০৩। ফিল্যান্সিং : ফিল্যান্সিং হলো এমন একটি সাইট যেখানে আপনি আপনার লেখা বা আর্টিকেল শেয়ার করে টাকা উপার্জন করে নিতে পারবেন। আপনি যদি একজন ভাল লেখক হন কিংবা যে কোন বিষয়ে ভাল জ্ঞান রাখেন, তাহলে যদি সে বিষয়ে ভাল মানের আর্টিকেল লিখতে পারেন, তাহলেই এটা আপনার পক্ষে সম্ভব। আপনার লেখার মান যদি ভাল হয় তাহলে ফিল্যান্সিং এ আপনার লেখার মূল্য অর্থাৎ টাকা উপার্জনের পরিমান দিন দিন বাড়তে থাকবে। এখান থেকে মাসে লাখ টাকা উপার্জন করে এমন লোকও আছে। এখানে যার যার মেধা অনুসারে তার প্রতিফলন ঘটাতে পারে। এটি মার্কেট প্লেজের মতো। আপনার কাজ মার্কেটে মাধ্যমে বায়ারদের করে দিবেন।

০৪। Google Adsense থেকে টাকা উপার্জনঃ Adsense হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপনের (Advetisement ) Program এটি গুগল কর্তৃপক্ষ সয়ং নিজে পরিচালনা করছে। আপনি যদি আপনার ব্লগটিকে ভাল মানের Platform এ নিয়ে যেতে পারেন এবং আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর থাকে তাহলে Google Adsense থেকে আপনি হাজার হাজার টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ পদ্ধতিতে আপনার ব্লগে Adsense এর বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে ক্লিক প্রতি ডলার আয় করতে পারবেন। অনেকে বলে Google Adsense করাটা অনেক কঠিন কাজ। কিন্তু আমি বলছি মোটেও কঠিন কাজ নয়। আপনি যদি মানসম্মত ২৫-৩০ টি ইউনিক কনটেন্ট লিখতে পারেন তাহলে নিঃসন্দেহে Google Adsense দলিল হয়ে যাবে। এখান থেকে আপনি দীর্ঘ দিন যাবত টাকা উপার্জন করে যেতে পারবেন।Google Adsense ছাড়াও অনেক সাইট আছে revenuehits যার মধ্যে অন্যতম । এখানে সহজেই কাজ পাওয়া যায়। তবে Google Adsense  হলো সবচেয়ে ভাল।

০৫। প্রশ্ন উত্তর দেওয়ার মাধ্যমে (Ask And You Answer): আপনি যদি কিছু বিষয়ে দক্ষ হয়ে থাকেন, যেমন - Math, English, Physics, Sociology,  Biology, Humaities ইত্যাদি। তাহলে আপনি প্রশ্ন উত্তর প্রদানের মাধ্যমে ইন্টারনেটে অন্যের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে দিতে পারেন। আপনি যদি তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিতে পারেন, তাহলে ইন্টারনেটে অনেক সাইট আছে যেগুলি আপনার সাথে যোগাযোগ করবে তাদের সাইটে জয়েন করার জন্য। ফলে তাদের সাইটে জয়েন করার মাধ্যমে ঐ কোম্পানী হতে আপনি ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আপনি বেশ চালাক এবং বুদ্ধিমান হতে হবে। হতে হবে মেধাবী ও পরিশ্রমী।

০৬। EBAY and AMAZON Products বিক্রির মাধ্যমেঃ আপনি জানেন যে, ইন্টারনেট এর মাধ্যমে পন্য কেনা কাটার জন্য জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হচ্ছে Ebay and Amazon. এখানে লোকজন তাদের বিভিন্ন ধরনের পন্য বিক্রি করার জন্য বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন। আপনার পন্যটি যদি ক্রেতার কাছে ভাল মনে হয় তাহলে পন্যটি কেনার জন্য ক্রেতারা আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। আপনি যদি আপনার পন্য বিক্রি করে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হতে পারেন, তাহলে এখান থেকে কমদামে বিভিন্ন জিনিস ক্রয় করে ভাল দামে বিক্রয় করে লাভবান হতে পারেন। তবে এই সুবিধা পাওয়ার জন্য আপনাকে আগে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হিসেবে প্রমান করতে হবে EBAY and AMAZON Products



০৭। Link Shorter : Adf.ly , linkbucksmedi,  linkshrink এসাইট গুলোর মাধ্যমে আপনার পেইজে লিংকগুলোর আকার ছোট করে স্যোস্যল সাইটে বা আপনার যেকোনো পেইজে অ্যাড করতে পারেন। লিংকগুলোর মাধ্যমে এ্যাড হবে। আর এ্যাডগুলোর মধ্যেমে আপনি সহজেই আয় করতে পারবেন।

 লেখার মাধ্যমে বিস্তারিত বলা সম্ভব হয়নি। তার পরও আপনারা কিছুটা হলেও ধারণা পাবে। পরবর্তী সময়ে আলাদাভাবে বিস্তারিত আলোচনা করবো, ইনশাআল্লাহ্। এই ব্লক সাইটে অন্যান্য বিষয়গুলো সম্পর্কে  বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এরপরও আর্নি বিষয়ে কোন সমস্যা হলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
 Imransamibd
 আমার সাথে যোগাযোগ করতে ফুলটি ক্লিক করুন।
Share:

ইমেইল মার্কেটিং সফলতা...

ইমেইল মার্কেটিং সফলতা...
বর্তমান বিশ্বে ব্যবসা মাত্রই বিজ্ঞাপন নির্ভর। আপনার কোম্পানী বা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের জন্য ভালো একটি Product তৈরি করেছেন অথচ আপনি সেই Product এর প্রচার করলেন না! আপনার কোম্পানীর Product এর সফলতা পাওয়ার সম্ভাবনা কম। আমরা আমাদের চারপাশের Product গুলোর দিকে তাকালেই দেখব অনেক ভালো ভালো Product শুধুমাত্র সঠিক প্রচারের অভাবে উপযুক্ত সাফল্য পাচ্ছে না আবার কম গুনগত মান সম্পন্ন অনেক Product-ই আমাদের চারপাশে আছে যেগুলো সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার করেছে এবং সাফল্যের উচুঁ স্থান থেকে কেউই টেনে নামাতে পারছে না। সুতরাং বলা চলে, বিজ্ঞাপণ অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা ব্যবসার শুরুতেই পরিকল্পনা করে এগিয়ে নিতে হয়।
ক্ষুদ্র ব্যবসায় সাফল্যের জন্য Email মার্কেটিং এর প্রয়োজনীয়তাঃ

বিজ্ঞাপন করার অনেক পদ্ধতি ও মাধ্যমই রয়েছে। আজ যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব তা হলো ‘Email Marketing’। Email Marketing মার্কেটিং এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন করার অনেক সুবিধা রয়েছে। যেমন, Professional মানের Software ব্যবহার করে অল্প টাকায় বিজ্ঞাপন প্রচার করা যায়। ফলে বিজ্ঞাপনের পেছনে অধিক টাকা ব্যয় করার প্রয়োজন নাই। বর্তমান বিশ্ব যেহেতু Web মিডিয়াতে ঝুকে পড়েছে তাই Email Marketing এর সিদ্ধান্ত আপনার জন্য সুদূর প্রসারী সাফল্য এনে দেবে। Email Marketing এর ম্যাধ্যমে Product এর বিস্তারিত তথ্য বিজ্ঞাপন আকারে গ্রাহকের কাছে পৌছে দেয়া সম্ভব হয় যা বিজ্ঞাপনের অন্য কোন প্রক্রিয়াতে সম্ভব নয়। Email Marketing এর মাধ্যমে গ্রাহকের কাছে Product এর তথ্য দীর্ঘস্থায়ীভাবে পৌছে দেয়া সম্ভব। সুতরাং Email Marketing ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সঠিক উপায় হতে পারে।
বাংলাদেশে Email Marketing এর অবস্থানঃ

বাংলাদেশে Email Marketing এর অবস্থা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়ে গেছে। আমরা আমাদের Email গুলো ওপেন করলেই প্রচুর সংখ্যক বিদেশী Email পাই। কিন্তু বাংলাদেশীদের কাছে এই কাজটি এখনো নতুন তাই এই ক্ষেত্রে বড় কিছু করার সুযোগ রয়েছে। Email Marketing এর কাজ শিখে স্থানীয় মার্কেট থেকে যেমন কাজ করে আয় করা সম্ভব তেমনি Freelancing Marketplace গুলোতে কাজ করেও ভাল আয় করার সুযোগ রয়েছে। তাই যারা Email Marketing শিখে আয় করার কথা ভাবছেন তাদের জন্য এটাই উপযুক্ত সময়।
Email Marketing এর কাজ পাওয়ার জন্য Email Marketing শেখা কতটুকু প্রয়োজনঃ

Email করার জন্য আমরা Google, Yahoo ইত্যাদি সেবা গ্রহন করেছি। Professional কাজের জন্য তাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। নির্দিষ্ট সংখ্যক Email পাঠানোর পর আর ইমেল পাঠানো সম্ভব হয় না। তাই Professional কাজের জন্য টেকনিকগুলো জেনে নেয়াই উচিত। যেমন, যেকোন ধরনের Product এর বিজ্ঞাপন Email Marketing এর মাধ্যমে কেবলমাত্র লোকাল গ্রাহকদের কাছে তথ্য পৌছে দেয়া সম্ভব। লোকাল গ্রাহক খুজে নেয়ার টেকনিক তাই জেনে নিতে হবে। আসলে কিছু Software রয়েছে যা Search করার মাধ্যমে আপনার প্রয়োজনীয় গ্রাহকেই খুজে নেয়া সম্ভব। যেমন আপনি যদি বাংলাদেশী হোন তবে কেবল মাত্র বাংলাদেশী Email User খুজে বের করে তাদের কাছে Email পাঠানো সম্ভব। আবার আপনি যদি Graphics Designer হোন তবে Graphics Design এ যাদের আগ্রহ আছে কেবল তাদের খুজে বের করে Email Marketing করা সম্ভব। আবার প্রতিদিন ১০ হাজার থেকে ১০ লাখ Email পাঠানো সম্ভব। এজন্য Professional Software গুলো সংগ্রহ করতে হবে এবং ব্যবহার করার পদ্ধতি জানতে হবে।
কোথায় এবং কিভাবে শিখবেন Email মার্কেটিংঃ

Email Marketing শেখার জন্য Google, Youtube সহ বিভিন্ন Blog Site গুলো Search করলে আপনি অনেক সাহায্য পাবেন, তাছাড়া এই Blog এর Email Marketing সম্পর্কিত post গুলো থেকেও প্রচুর ধারনা পাবেন।
Share:

ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কত আয় করতে পারেন ?

ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কত আয় করতে পারেন ?
এটা এমন এক প্রশ্ন যার তৈরী কোন উত্তর নেই। আপনি যখন চাকরী করেন তখন সহজেই আপনার আয় কত বলতে পারেন । ফ্রিল্যান্সারের ক্ষেত্রে বিষয়টা অতটা সহজ না। একজন ফ্রিল্যান্সারের আয় যে বিষয়গুলির ওপর নির্ভর করে সেগুলি এখানে তুলে ধরা হচ্ছে।

আপনি ফ্রিল্যান্সকে পেশা হিসেবে নিতে চাইলে প্রথমে মার্কেটিং এর দক্ষতা বাড়ান। বলা হয় বাংলাদেশীদের মার্কেটিং এ দক্ষতা কম। নিজেদেরকে ঠিকভাবে তুলে ধরতে পারেন না বলে যোগ্যতা থাকা সত্তেও অনেকে কাজ পান না। এখানে ভালো আয় করতে চাইলে প্রথমে নিজের দক্ষতা প্রকাশ করতে হবে । বিষয়টি অনেকটাই দোকানদারীর মত। আপনার দোকানে কত জিনিস আছে সেকথা না জানালে ক্রেতা পাবেন না। ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনার যোগ্যতা কি সেটা প্রকাশ না করে কাজ আশা করতে পারেন না
মার্কেটিং এর দক্ষতা থাকাই যথেষ্ট নয়, একে নেশায় পরিনত করতে হবে। যদিও বাস্তবে অনেকেই কাজটি পছন্দ করেন না । আপনি বিশ্বের সবচেয়ে ভাল গ্রাফিক ডিজাইনার হতে পারেন কিন্তু সেটা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজে আসবে না যদি সঠিক ক্লায়েন্টের কাছে না পৌছান। নিজের দক্ষতা প্রকাশ করাই যথেষ্ট না, বরং প্রতি মুহুর্তে খোজ করা প্রয়োজন কোথায় আরেকটু ভাল ক্লায়েন্ট পাওয়া । প্রশ্ন থাকতে পারে এরসাথে ফ্রিল্যান্সারের আয়ের সরাসরি সম্পর্ক এত গুরুত্বপুর্ন কেন। বাস্তবতা হচ্ছে, যারা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে সবচেয়ে ভাল করেন তারা তাদের কাজে সবচেয়ে দক্ষ এটা ধরে নেয়া যায় না । বরং যারা যোগাযোগে দক্ষ তারা তারচেয়ে দক্ষ ব্যক্তির চেয়ে ভাল কাজের সুযোগ পান এবং ফল হিসেবে বেশি আয় করেন। স্বাভাবিকভাবেই আপনি দক্ষতাকে উপেক্ষা করতে পারেন না। বেশি কাজ পাওয়া এবং বেশিমুল্যের কাজ পাওয়ার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। সাধারন মানের গ্রাফিক ডিজাইনার ঘন্টাপ্রতি ৪০ ডলারে কাজ করতে পারেন, যার দক্ষতা বেশি তিনি নিতে পারেন ৮০ ডলার। ৪০ ডলারের যোগ্যতা নিয়ে ৮০ ডলার আশা করা অনুচিত । যারা মার্কেটিং এ ততটা দক্ষ নন তারা অনেকে যোগ্যতা দিয়ে সেটা পুরন করার চেষ্টা করেন। প্রতি মুহুর্তে নিজের দক্ষতাকে বাড়াতে থাকেন এবং আশা করেন কোন এক সময় সঠিক ক্লায়েন্টের কাছে নিজেকে তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। এককথায় ফ্রিল্যান্সার কত আয় করতে পারেন সেটা প্রকাশ করা যেতে পারে এভাবে, আপনার কাজে দক্ষতা এবং যোগাযোগের দক্ষতা যত বেশি আয় ততটাই বেশি। এই দুইএর সমম্বয় করে মাসে কয়েখ হাজার ডলার আয় করা সম্ভব।
Share:

কম্পিউটারে অর্থ উপার্জনের সেরা পদ্ধতিগুলো

কম্পিউটারে অর্থ উপার্জনের সেরা পদ্ধতিগুলো । অনেকেই দ্বিধায় পড়েন, কোনটি করবেন এবং কোনটি করবেন না এই নিয়ে। তাছাড়া বাংলাদেশের জন্য স্থানীয় কিছু সমস্যা তো রয়েছেই। ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ উপার্জনের সুবিধা-অসুবিধা অনুযায়ী ৫টি পদ্ধতি নিয়ে নিচে আলোচনা করছি।


১. গুগল এডসেন্স(www.google.com/adsense)
গুগল এডসেন্স ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনের সবচেয়ে সেরা উপায় । মাসে কয়েক হাজার ডলার আয় করা যায় প্রোগ্রামিং বা এইধরনের কোন ক্ষেত্রে বিশেষ দক্ষতা না থেকেও। এমনকি গুগলের ব্লগার ব্যবহার করে কোনরকম খরচ ছাড়াই।আপনার প্রয়োজন শুধু সময় ব্যয় করা এবং চারিদিকে দৃষ্টি রেখে নিজের ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার ব্যবস্থা করা। সবচেয়ে ভাল ফল পাওয়ার জন্য আপনার প্রয়োজন এমন একটি ওয়েবসাইট যেখানে প্রচুর ভিজিটর ভিজিট করবেন। এধরনের ওয়েবসাইট তৈরী এবং ভিজিটর পেতে কয়েক মাস এমনকি কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। প্রতিদিন কমপক্ষে ১ হাজার ভিজিটর না পেলে খুব বেশি আয়ের সম্ভাবনা কম। গুগল এডসেন্স এর মত চিতিকা (
www.chitika.com) নামে আরেকটি ব্যবস্থা রয়েছে । ব্যবহারের পদ্ধতি এডসেন্স এর মতই।
২. এফিলিয়েটেড মার্কেটিং
এফিলিটেড মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে সীমা হচ্ছে আকাশ। আপনি যত চেষ্টা করবেন তত বেশি আয় করবেন। আপনার কাজ হচ্ছে ইন্টারনেটে যারা কিছু বিক্রি করে (পন্য বা সেবা) তাদের হয়ে প্রচার করা।এ কাজের জন্য নিজের ওয়েবসাইট থাকলে সুবিধে বেশি, না থাকলেও সমস্যা নেই অন্যভাবে করা যায়। কোন কোন কোম্পানী টাকা দেয় তাদের সাইটে ভিজিটর পাঠালেই আবার কোন কোন কোম্পানী দেয় কোন
ভিজিটর কিছু কিনলে। ৭৫% পর্যন্ত কমিশন দেয়ার মত কোম্পানীও রয়েছে। আমাজন, ই-বে এফিলিয়েটেড মার্কেটিং কাজের জন্য অন্যতম। আমি আগেই বলেছি এফিলিয়েটেড মার্কেটিং এর জন্য নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে বেশি সুবিধে পাবেন। শুধুমাত্র এই কাজের জন্যই বিনামুল্যে ওয়েবসাইট তৈরী ও সেখানে বিভিন্ন পন্য যোগ করার ব্যবস্থা রয়েছে। যদিও এই ব্যবস্থায় আয় বেশি তারপরও এডসেন্সর এর পর ২য় অবস্থানে থাকার কারন হল একাজে বুদ্ধিমত্তা, মার্কেটিং এর দক্ষতা এবং পরিশ্রম অনেক বেশি।
৩. ফ্রিল্যান্সিং
আপনি ওয়েবসাইট তৈরী কিংবা মার্কেটিং এর ঝামেলায় যদি যেতে না চান, অথচ কম্পিউটারের কোন কাজে দক্ষ। সেটা ফটোশপ ব্যবহার করে হোক অথবা গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, প্রোগ্রামিং থেকে ডাটা এন্ট্রি, ভিডিও এডিটিং কিংবা এনিমেশন যে কোন কিছুই হতে পারে। তাহলে আপনার জন্য ফ্রিল্যান্সিং উপযুক্ত। কাজ দেয়ার ক্ষেত্রে অনেকগুলি প্রতিস্ঠান রয়েছে মধ্যস্থতা করার জন্য । সেখানে নিজের নাম তালিকাভুক্ত করবেন (কোন খরচ নেই), তাদের কাজের তালিকা দেখে এপ্লাই করবেন, কাজ পাওয়ার পর কাজ করে জমা দিবেন। আপনার একাউন্টে সেই কাজের পারিশ্রমিক জমা হবে। ঘন্টাপ্রতি নির্দিষ্ট কাজ অনুযায়ী অথবা এককালীন চুক্তি অনুযায়ী ফ্রিলান্সিং কাজে পেমেন্ট দেয়া হয়। কাজের জটিলতা অনুযায়ী আয় কয়েক ডলার থেকে কয়েক হাজার ডলার পর্যন্তও হতে পারে এই চুক্তি। মধ্যস্থতাকারী থাকে বলে টাকা হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
www.freelancer.com , www.odesk.com ইত্যাদি এধরনের কাজে অন্যতম প্রতিস্ঠান।
৪. নিজে বিক্রি করা
লাভ বেশি থাকার পরও একে ৪ নম্বরে রাখতে হচ্ছে কারন নিজে বিক্রি করলে লাভ বেশি, সেইসাথে পরিশ্রমও বেশি। আপনি কিছু পন্য ঠিক করবেন এরপর ওয়েবসাইটে রেখে দেবেন। যিনি কিনতে চান তিনি সেখানে ক্লিক করে কিনবেন এবং আপনি সেটা তারকাছে পাঠিয়ে দেবেন। ফটোগ্রাফ, ই-বুক, সফটঅয়্যার এর মত পন্য সরাসরি ইমেইল করে পাঠাতে পারেন কিংবা ডাউনলোডের ব্যবস্থা রাখতে পারেন। ছাপা বই বা বহনযোগ্য অন্য পন্য হলে পার্সেল করে পাঠাতে হবে। বিশ্বের অনেক দেশের মানুষই কেনাকাটা করে অনলাইনে। কাজেই এই মুহুর্তে বাংলাদেশের মত দেশে বিষয়টি চালু না থাকলেও একসময় হবে ইনশাআল্লা ।
৫. অনলাইন বিজ্ঞাপন
জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে এডসেন্স এর মত বিজ্ঞাপন রাখতে হবে এমন কোন কথা নেই, ছাপানো পত্রিকায় যেমন বিজ্ঞাপন দেয়া হয় সেভাবে আপনার ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন প্রচার করে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। আমেরিকায় ছাপানো বিজ্ঞাপনের আয়কে ছাড়িয়ে গেছে অনলাইন বিজ্ঞাপন। পত্রিকার মত সাইটের জন্য এই ব্যবস্থা সুবিধেজনক।

Share:

নেটে কিভাবে কাজ করে অর্থ উপার্জন করা যায় আর কিভাবে করবেন?

নেটে কিভাবে কাজ করে অর্থ উপার্জন করা যায় আর কিভাবে করবেন?


আগামীতে আউটসোর্সিং হবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আয়ের উতস, কর্মসংস্থানের সবচেয়ে বড় যায়গা। তারপরও যারা একাজ করবেন তারা অনেকেই অন্ধকারে রয়ে গেছেন। অনেকেই জানেন না ঠিক কি করবেন। কি যোগ্যতা প্রয়োজন হবে, কি কি যন্ত্রপাতি প্রয়োজন হবে, কি কাজ করতে হবে, কাজ কোথায় পাওয়া যাবে, কত টাকা পাওয়া যাবে, কিভাবে পাওয়া যাবে। এই প্রশ্নগুলির উত্তর ধারাবাহিকভাবে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে এখানে।
* প্রথমেই একটা কথা পরিস্কার করে নেয়া ভাল। বলা হচ্ছে কাজ করে অর্থ উপার্জনের বিষয়ে। কাজেই আপনাকে কাজ করতে হবে, সে কাজ শিখতে হবে, অন্যদের সাথে প্রতিযোগিতা করতে হবে। আপনার দক্ষতা যত বেশি অর্থ উপার্জনের সুযোগ তত বেশি। এটাই একমাত্র পথ। যদি কাজ শিখতে এবং করতে পর্যাপ্ত আগ্রহ এবং চেষ্টা না থাকে তাহলে সময় নষ্ট না করাই ভাল। সহজে অর্থ উপার্জন বলে যা
বুঝানো হয় তা আসলে ততটা সহজ না।
আউটসোর্সিং কি ?
এটা নিশ্চয়ই প্রথম প্রশ্ন। উত্তর হচ্ছে, বাড়িতে বসে অন্য কারো কাজ করা। উন্নত দেশগুলিতে (আমেরিকা কিংবা ইউরোপ) মজুরী অত্যন্ত বেশি। কোন কোম্পানীর যদি নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম তৈরী প্রয়োজন হয়, এজন্য যদি একজন প্রোগ্রামার নিয়োগ করতে হয় তাহলে বিপুল পরিমান টাকা গুনতে হয়। সেকাজটিই অন্য দেশের প্রোগ্রামার দিয়ে করিয়ে নিলে তুলনামুলক কম টাকায় করানো যায়। বর্তমান ইন্টারনেট ব্যবস্থায় খুব সহজে একাজ করা সম্ভব। আপনি সেই প্রোগ্রামার, ডিজাইনার, এনিমেটর অথবা যাই হোন না কেন ইন্টারনেটের মাধ্যমেই তাদের কাজ করতে পারেন, ঘরের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। বড় কোম্পানীর বদলে ছোট কোম্পানী, কিংবা ব্যক্তি পর্যায়ের কাজের কথা যদি
এরসাথে যোগ করা হয় তাহলে কাজের পরিধি বেড়ে যায় অনেক। ধরুন কোন ব্যক্তির একটি ওয়েবসাইট তৈরী করা প্রয়োজন।
তিনি নিজে সেকাজ পারেন না। কাজেই তার প্রয়োজন এমন একজন ব্যক্তি যিনি সেকাজ করে দেবেন। আপনি যদি সেকাজে দক্ষ হন তাহলে আপনি আগ্রহি হয়ে সেখানে যোগাযোগ করলেন। সমঝোতা হল, আপনি কাজটি করে দেবেন, বিনিময়ে ১০০ ডলার পাবেন। লাভ দুজনেরই। কাজেই, আউটসোর্সিং হচ্ছে এক যায়গার কাজ অন্যযায়গা থেকে করিয়ে নেয়া। এই কাজকে সহজ করার জন্য অনেক প্রতিস্ঠান রয়েছে। তাদের ওয়ের সাইটে বিনামুল্যে সদস্য হওয়া যায় (আপনাকে বিনামুল্যে সেবা দিয়েও তারা নিজেরা লাভ করেন। সে
হিসেব আলাদা)। তাদের সদস্য দুধরনের, একপক্ষ কাজ দেন, আরেকপক্ষ কাজ করেন। আপনি যখন কাজ দেবেন তখন কাজের বিবরন, সময়, অর্থের পরিমান ইত্যাদি তাদের জানাবেন। তারা ওয়েবসাইটে সেগুলি রেখে দেবেন যারা কাজ করতে আগ্রহি তাদের জন্য।
আপনি যত কাজ করবেন তখন তাদের ওয়েব সাইটে গিয়ে সেই তালিকা থেকে নিজের পছন্দমত কাজের জন্য আবেদন করবেন (সাধারনত একটি লিংকে ক্লিক করাই যথেষ্ট)। যার কাজ তিনি আবেদনগুলি যাচাই করে যাকে যোগ্য মনে করবেন তাকে কাজটি
দেবেন। আপনি সেই ব্যক্তি হলে কাজটি করে ইন্টারনেটের মাধ্যমেই তারকাছে পাঠিয়ে দেবেন। সাথেসাথে আপনার একাউন্টে কাজের অর্থ জমা হবে।
কাজের ধরন
একটু আগে দুধরনের কাজের কথা বলা হয়েছে, একটি কোম্পানীর, অপরটি ছোট কোম্পানী কিংবা ব্যক্তির। আউটসোসিং এর কাজ মুলত এই দুধরনের। বড় কোম্পানীর বড় কাজ করার জন্য বড় প্রতিস্ঠান প্রয়োজন। সেখানে আপনি একজন নিয়মিত কর্মী হিসেবে নিয়োগ পেতে পারেন। আপনি ফ্রিল্যান্সার নন। আর ছোট কাজের ক্ষেত্রে আপনি নিজেই সবকিছু। যোগাযোগ, কাজ করা, অর্থ গ্রহন সবকিছু করতে হবে নিজেকেই। অবশ্য কয়েকজন একসাথে শুরু করে ক্রমাম্বয়ে বড় কোম্পানীতে পরিনত হওয়া অবশ্যই সম্ভব। ধরে নেয়া হচ্ছে আপনি একা কাজ করতে আগ্রহি। এখানে সে সম্পর্কিত তথ্যই উল্লেখ করা হচ্ছে। এক কথায়, কম্পিউটার ব্যবহার করে যাকিছু করা সম্ভব সবধরনের কাজই পাওয়া যায় এভাবে। গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব পেজ তৈরী, ওয়েব পেজের কোন সমস্যার সমাধান থেকে শুরু করে এনিমেশন, ভিডিও এডিটিং কিংবা একেবারে সহজ ডাটা এন্ট্রি পর্যন্ত। কাজ যত সহজ অর্থের পরিমান তত কম, কাজ যত জটিল অর্থের পরিমান তত বেশি এই নিয়মে। উদাহরন হিসেবে ওয়েব সাইটের জন্য ফটোশপে একটি ব্যানার বিজ্ঞাপন তৈরী করে যে পরিমান অর্থ পাবেন ফ্লাশে এনিমেটেড ব্যানার তৈরী করে পাবেন তারথেকে অনেক বেশি অর্থ। বাস্তব ধারনা পাওয়ার সবচেয়ে ভাল পথ হচ্ছে এধরনের
ওয়েবসাইটে গিয়ে কাজের তালিকা দেখা।
কি শিখতে হবে
কোন কাজ আপনার জন্য ভাল সেটা যাচাইয়ের দায়িত্ব আপনার। আগ্রহ কোন বিষয়ে, দক্ষতা কোন বিষয়ে, কতদুর পর্যন্ত যেতে পারবেন এগুলি একমাত্র আপনিই জানতে পারেন। কোন কাজে অর্থ বেশি এটা বিচার করে সেই কাজ করতে না যাওয়াই ভাল। প্রোগ্রামার হওয়ার জন্য একধরনের প্রতিভা প্রয়োজন, এনিমেটর হওয়ার জন্য আরেক ধরনের, ভাল ডিজাইনার হওয়ার জন্য আরেক ধরনের। কোন বিষয়ে আগ্রহি হলে সে বিষয়ে খোজ নিন, কিছুদিন চেষ্টা করুন, তারপর দ্রুতই সিদ্ধান্ত নিন। এবিষয়েও সত্যিকারের সাহায্য পাবেন এধরনের জব সাইটে। প্রতিটি কাজের বর্ননার সাথে কোন সফটঅয়্যারে দক্ষতা থাকতে হবে তা উল্লেখ করা থাকে।
কত আয় করা সম্ভব
বিষয়টি পুরোপুরি আপনার কাজের ধরনের ওপর নির্ভর করে। অধিকাংশ কাজের হিসেব হয় ঘন্টা হিসেবে। গ্রাফিক ডিজাইনকে উদাহরন হিসেবে ধরলে মাসে অনায়াসে হাজার ডলার আয় করা সম্ভব। প্রোগ্রামার হলে অনেক বেশি।
কি যন্ত্রপাতি প্রয়োজন
এধরনের কাজে আপনার মুল অস্ত্র হচ্ছে মেধা। কাজেই দামী যন্ত্রপাতি নিয়ে মাথা ঘামানোর প্রয়োজন হয় না, বিশেষ কাজ ছাড়া। কাজের ধরন অনুযায়ী অবশ্যই আপনার স্ক্যানার, গ্রাফিক ট্যাবলেট, দামী ক্যামেরা ইত্যাদি প্রয়োজন হতে পারে। এধরনের বিশেষ যন্ত্র বাদ দিলে আপনার প্রয়োজন একটি মোটামুটি পর্যায়ের কম্পিউটার এবং ভাল ইন্টারনেট সংযোগ। বর্তমানে যথেষ্ট কম টাকায় ভাল কম্পিউটার পাওয়া যায়। আর ইন্টারনেট সংযোগের বিষয়ে বলা আসলে অর্থহীন। তারা আশা করে আপনি টাকা দেবেন, বদলে কি পাবেন তাতে তাদের কিছু যায়-আসে না। আর সরকার কিংবা প্রশাসন যত বক্তৃতা-বিবৃতি দিক না কেন, ব্যবসায়িদের কাছে সবসময় মাথা নিচু করে থাকে। মুল কথায় ফেরা যাক। ইন্টারনেটে কাজ করে অর্থ উপার্জনের এটা প্রাথমিক তথ্য। শুরুতেই আপনি যা করতে পারেন তা হচ্ছে এধরনের ওয়েবসাইটে গিয়ে বিস্তারিত পড়া, বোঝার চেষ্টা করা। সত্যিকাজের কাজের তথ্য তাদের কাছেই পাওয়া সম্ভব, অকারনে অন্য যায়গায় সময় নষ্ট করবেন না। odesk, freelancer এধরনের জনপ্রিয় ওয়েব সাইটের উদাহরন। সার্চ করলে এধরনের
আরো বহু সাইট পাবেন। ভালভাবে বোঝার জন্য কয়েকদিন নিয়মিত এই সাইটগুলিতে সময় কাটান। কাজ শুরু করুন, সেইসাথে আরো জানার চেষ্টা করুন।

Share:

Language Translate

Online Marketplace

1. Café Press 2. Zazzle, 3. Bonanza, 4. Etsy, 5. Online Auction.com, 6. Overstock.com, 7. NewEgg, 8. Craigslist, 9. ebay, 10. Amazon

categories

Powered by Blogger.