সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার টিপস।

!!!ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হতে হলে নিচের যোগ্যতাগুলো খুব জরুরী: – ধৈয্য শক্তি এ নিজের প্রতি অত্মবিশ্বাস জরুরী। – টাকাকে নয় কাজকে ভালবাসতে হবে। – ফ্রিল্যান্সিংকে শুধু পার্টটাইম হিসেবে না ফুলটাইম ক্যারিয়ার ভাবা শুরু করতে হবে।

প্রতি ক্লিকে আয় করুন

অবসরে বসে না থেকে প্রতিদিন ৫ থেকে ১৫ ডলার আয় করুন। পোস্টগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়লে। ইনশাল্লাহ আয় করতে পারবেন। প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন।

scarlet clicks000

!!!THE BEST PAYMENT POROCESSOR!!! Join Payeer Now for Free.Add Money in over 35 diffrent Ways and pay on PTC Sites!Commessions 100% per ads click $0.01 to $0.02. you can payout on $2 payment Pzyza, Paypal. Perfect Money. Payeer. Traffice Exchange, Surfratio. so Join us Ptc Market Place. Enjoy life.

Neobux

!!!THE BEST PAYMENT POROCESSOR!!! Join Payeer Now for Free. Add Money in over 35 diffrent Ways and pay on PTC Sites! Add and Safe Bitcoins in seperate BTC Wallet! !!!Recommended!!! Commessions 100% per ads click $0.01 to $0.02. you can payout on $2 payment Payza, Paypal. Perfect Money. Payeer. Traffice Exchange, Surfratio. so Join us Ptc Market Place. Enjoy life.

Paidverts

!!!THE BEST PAYMENT POROCESSOR!!! Join Payeer Now for Free.Add Money in over 35 diffrent Ways and pay on PTC Sites! Add and Safe Bitcoins in seperate BTC Wallet! !!!Recommended!!! Commessions 100% per ads click $0.01 to $0.02. you can payout on $2 payment Pzyza, Paypal. Perfect Money. Payeer. Traffice Exchange, Surfratio. so Join us Ptc Market Place. Enjoy life.

Innocurrent

!!THE BEST PTC!!! Join Now | Proofs: 1 .Guaranteed Daily earning VERY TRUSTED PROGRAM !!! Earn Up to $0.02 for every website visited.U.S. registered company / Very fast Payouts Commessions 100% per ads click $0.01 to $0.02. you can payout on $2 payment Pzyza, Paypal. Perfect Money. Payeer. Traffice Exchange, Surfratio. so Join us Ptc Market Place. Enjoy life.

Legacyclix

!!!THE BEST PAYMENT POROCESSOR!!! Join Payeer Now for Free.Add Money in over 35 diffrent Ways and pay on PTC Sites!Commessions 100% per ads click $0.01 to $0.02. you can payout on $2 payment Pzyza, Paypal. Perfect Money. Payeer. Traffice Exchange, Surfratio. so Join us Ptc Market Place. Enjoy life.

Clixten

!!!THE BEST PTC!!! Join Now | Proofs: 1 High Trusted! Earn Up To $0.01 Per Click !!!Recommended!!! Earn up to $0.01 per referral click / Trusted Since 2014 2.00$ Minimum Cashout via Payza and PM within 24 hours! Commessions 100% per ads click $0.01 to $0.02. you can payout on $2 payment Pzyza, Paypal. Perfect Money. Payeer. Traffice Exchange, Surfratio. so Join us Ptc Market Place. Enjoy life.

Go to The average CPM for 26th August 2016. Unique = average amount paid for 1000 visitors in the 24-hour period. Raw = average amount paid on the 1st advert view for 1000 link views in the 24-hour period...... Details Next Page

দেখে নিন : কলেজ পড়ুয়া ছাত্র/ ছাত্রীদের আর্নি শুরু | সহজ ৭টি মাধ্যম থেকে

কলেজে লেখাপড়ার পাশাপাশি আপনিও আপনার মূলবান সময়টুকু ব্যয় করছেন ফেইসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন রকম সামাজিক যোগাযোগের সাইটে। আমি পূর্বে দিনগুলোকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেগুলোতে সময় ব্যয় করতাম। তবে এখন সময় ব্যয় করি অনলাইন আর্নি ও লেখাপড়ারতে। এখন আমি ভাবি কেন আমি এ সময় টুকু ঐ সমস্ত সামাজিক যোগাযোগের সাইটে ব্যয় না করে ব্লগিং বা অনলাইন মার্কেট প্লেজে ব্যয় কাটালাম না।

10
Showing posts with label freelancing. Show all posts
Showing posts with label freelancing. Show all posts

বাংলাদেশিদের জন্য কোন মার্কেটপ্লেসে কিভাবে আয় করা সম্ভব?


আউটসোর্সিং বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে জন্য একটি জনপ্রিয় পেশা। খুব সহজেই ঘরে বসে কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে কাজ করে খুব ভালো ইনকাম করা যায় বলে আমাদের দেশের তরুণ তরুণী এই পেশায় ঝুঁকছে। আউটসোর্সিং কাজ করা মাধ্যমে বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে। আপনি যদি ফ্রীলেন্সিং পেশা কে গ্রহন করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে ভালো ভালো মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে ধারনা থাকতে হবে। কিভাবে মার্কেটপ্লেসে কিভাবে জবের আবেদন করতে হয়? কোন ধরনের জবের চাহিদা বেশি? তারা কিভাবে টাকা প্রদান করে ইত্যাদি বিষয় জানা থাকলে আপনার জব পেতে এবং কাজ করতে অনেক সহজ হবে। আসুন মূল আলোচনায় যায়।

১. UPWORK: (আপওয়াক )
 আউটসোর্সিং এর জন্য বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস হল Upwork।এই মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট করতে কোন প্রকার ফি দিতে হয় না। যদিও বর্তমানে এই মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট করা কঠিন হয়ে পরেছে। তবে আপনি যদি ভালো ভাবে আপনার কাজের অভিজ্ঞতার সকল তথ্য ও প্রমান দেখাতে পারেন তাহলে একাউন্টের আনুমোদন পাওয়ার সম্ভবনা আছে।

কি কি কাজ পাওয়া যায়ঃ
এখানে আইটি সম্পর্কিত প্রায় সব রকম কাজ রয়েছে যেমনঃ গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং, প্রোগ্রামিং, ভিডিও প্রোডাকশন ,মার্কেটিং, ডাটা এন্ট্রি, রিসার্চ এর কাজ, অটো কেড এর কাজ ইত্যাদি।

কাজের ধরণঃ
এই মার্কেটপ্লেসে ঘন্টা এবং ফিক্সড দুইভাবে কাজ করা যায়। আপনাকে যদি কোন Client  ঘন্টায় হায়ার করে তাহলে প্রতি ঘন্টা হিসেবে সে টাকা দিবে। এর জন্য এই মার্কেটপ্লেসের নিজস্ব একটি সফটওয়ার আছে যা দ্বারা ঘন্টা হিসেব করা হয়। আর যদি ফিক্সড হিসেবে হায়ার করে তাহলে কাজের শেষে টাকা দেওয়া হবে। তবে ঘন্টার জবের নিরাপত্তা বেশি।

আপনি যখন কোন জবের জন্য আবেদন করবেন তখন কিছু বিষয় মাথায় রেখে আবেদন করবেন। যেমনঃ Client কত ঘন্টা জব করিয়েছে? পূর্বের ফ্রীলেন্সারদের ফিডব্যাক কেমন? কি রেটে কাজ করিয়েছে ইত্যাদি। আবেদনের সময় অবশ্যই সঠিক তথ্য প্রদান করুন। তাহলে আপনার জব পাওয়ার সম্ভবনা বৃদ্ধি পাবে।

প্রতিযোগিতা কেমনঃ
এই মার্কেটপ্লেসে কাজ পাওয়াটাও তুলনামূলকভাবে কঠিন। কারণ প্রতিযোগিতা অনেক বেশি। তবে আপনি যদি ভালোভাবে কভার লেটার লিখতে পারেন এবং আপনার কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে পারেন তাহলে সহজে কাজ পাবেন।

পেমেন্ট দেয়ার পদ্ধতিঃ
এই মার্কেটপ্লেস খুব নিরাপদ একটি মার্কেটপ্লেস। এখান থেকে বিভিন্ন ভাবে টাকা উঠানো যায়। যেমনঃ বিভিন্ন মাস্টারকার্ড – Payoneer । এছাড়া আপনি চাইলে সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমেও টাকা তুলতে পারবেন।


২. FIVERR: ( ফাইবার )
Upwork এর মত আরেকটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস হল Fiverr। তবে এই মার্কেটপ্লেসের কার্যবলী  Upwork এর মত না। এই মার্কেটপ্লেস হল একটি দোকানের মত। একটি দোকানে যেমন সকল ধরনের পণ্য থাকে কাস্টমার বা গ্রাহক যা প্রয়োজন তা ক্রয় করে নিয়ে যায় ঠিক তেমনি Fiverr -এ ফ্রীলেন্সাররা নিজের কাজ সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য দিয়ে “গিগ” তৈরি করে। ক্লায়েন্টের যেই সার্ভিস প্রয়োজন সেই সার্ভিসের একটি গিগ ক্রয় করে ফ্রীলেন্সারদের হায়ার করে। প্রতিটি গিগের সর্বনিন্ম মূল্য ৫ ডলার।

কি কি কাজ করার সুযোগ আছেঃ
এই মার্কেটপ্লেসে সকল ধরনের কাজ এর গিগ খোলা যায় যেমনঃ ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, PowerPoint Presentation, ডিজিটাল মার্কেটিং(এসইও, এসএমএম, ইমেইল মার্কেটিং), ল্যান্ডিং পেজ তৈরি, ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি।

কাজের ধরণঃ
এখানে সকল কাজ ফিক্সড পেমেন্টের কাজ, ক্লায়েন্ট আপনাকে একটি নিদিষ্ট সময় দিবে সেই সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে, এছাড়া আপনি আপনার গিগ এর মধ্যে আপনার সময়তো উল্লেখ থাকবেই ।

প্রতিযোগিতা কেমনঃ
হ্যা এই মার্কেটপ্লেসেও প্রতিযোগিতা আছে। তবে যেহেতু এই মার্কেটপ্লেসে কোন ক্লায়েন্ট এসে জব পোষ্ট করে না সেহেতু কাজ পাওয়ার জন্য নিজের গিগ কে মার্কেটিং করার প্রয়োজন হয়। আপনি ভালোভাবে মার্কেটিং করতে পারলে আপনার গিগ এর বিক্রয় বৃদ্ধি পাবে। এর জন্য আপনার গিগকে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করতে পারেন। যেমনঃ ফেসবুক, লিঙ্কডিন, টুইটারে শেয়ার করতে পারেন।

পেমেন্ট দেয়ার পদ্ধতিঃ
ফাইভার থেকেও টাকা উত্তোলন নিরাপদ। বাংলাদেশ থেকে সহজে টাকা উওোলনের মাধ্যম হল payoneer মাস্টার কার্ড।


৩. FREELANCER: (ফ্রীলেন্সার )
অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলোর মধ্যে পুরাতন একটি মার্কেটপ্লেসের নাম হল Freelancer। এই মার্কেট প্লেসে বিভিন্ন ধরণের অনেক জব রয়েছে। আপনি আইটির প্রায় সকল সেক্টরের জব পাবেন এই মার্কেটপ্লেসে। আইটি ছাড়াও আরও অনেক ধরনের জব রয়েছে এই মার্কেটপ্লেসে যেমনঃ একাউন্টিং। এখানে আবেদন করাও সহজ। এখানে একাউন্ট করতে কোন প্রকার ফি লাগে না। তবে ফ্রী মেম্বারশিপ একাউন্টের মাধ্যমে মাসে ৮ টার বেশি জবে বিড করা যায় না।

কি কি কাজ পাওয়া যায়ঃ
এই মার্কেটপ্লেসে প্রচুর পরিমান জব সাবমিট হয়। তাই সকল রকমের আইটি জব পাওয়া যায় এবং সাথে সাথে আইটি এর বাইরেও জব পাওয়া যায়।

প্রতিযোগিতা কেমনঃ
 এই মার্কেটপ্লেসে যেমন অনেক জব আছে আবার তেমনি অনেক ফ্রীলেন্সাররাও রয়েছে। তাই প্রতিযোগিতাও আছে এবং আবার ভালো কাজ জানলে জব পাওয়ার সম্ভবনাও বেশি। আসলে পুরনো মার্কেটপ্লেস সব গুলোতেই ভালো প্রতিযোগিতা থাকে ।

পেমেন্ট দেয়ার পদ্ধতিঃ
পেমেন্ট মেথডের ক্ষেত্রে পেয়নিয়ার মাস্টার কার্ডের মাধ্যমে টাকা তুলতে পারবেন। এছাড়া Paypal বা Skril এর মাধ্যমেও টাকা তোলা যায়।


৪. PEOPLEPERHOUR: (পিপুলারহাওয়ার)
ফ্রীলেন্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোর মধ্যে আরেকটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেসের নাম হল PeoplePerHour. এই মার্কেটপ্লেসটিতে অন্যান্য মার্কেটপ্লেস থেকে কাজ পাওয়াটা একটু সহজ। এই মার্কেটপ্লেসে প্রত্যেকটি ফ্রীলেন্সারকে ১-৫ লেভেল পর্যন্ত একটি ব্যাচ প্রদান করা হয়। এই লেভেল যত বৃদ্ধি পাবে আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা তত বৃদ্ধি পাবে। এই লেভেল ৩ পর্যন্ত কাজ পাওয়ার আগেই বৃদ্ধি করা যায়। তবে ৩ থেকে লেভেল বৃদ্ধি করতে আপনার প্রোজেক্টের উপর এবং বায়ারের ফিডবেকের উপর নির্ভর করে। কাজ পাওয়ার আগে  লেভেল ৩ পর্যন্ত বৃদ্ধি করার উপায় হল স্টার এবং এন্ডোর্সমেন্ট। এই এন্ডোর্সমেন্ট ও স্টার আপনাকে যেকেউ দিতে পারে। তাই অন্যের কাছ থেকে এন্ডোর্সমেন্ট ও স্টার পাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন। আপনি অন্যজনকে এন্ডোর্স ও স্টার দেওয়ার মাধ্যমেও এন্ডোর্সমেন্ট ও স্টার পেতে পারেন।

কি কি কাজ পাওয়া যায়ঃ
এখানেও আপওয়ার্ক বা ফ্রীলেন্সারের মত বিভিন্ন ধরনের আইটি জব রয়েছে যেমন গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ডিজিটাল মার্কেটিং, ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি।

পেমেন্ট দেয়ার পদ্ধতিঃ
এই মার্কেটপ্লেস থেকে payoneer দিয়ে বাংলাদেশ থেকে টাকা তুলতে পারবেন।

প্রতিযোগিতা কেমনঃ
প্রতিযোগিতাতো থাকবেই কিন্তু এই মার্কেটপ্লেসে Upwork এবং Freelancer এর তুলনায় প্রতিযোগিতা কম ।


৫. 99Design (৯৯ ডিজাইন) 
৯৯ ডিজাইন অন্যান্য মার্কেটপ্লেস থেকে ভিন্ন একটি মার্কেটপ্লেস। এটি মুলত ডিজাইনারদের জন্য একটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস। যারা ডিজাইন করতে পারে যেমনঃ ওয়েব ডিজাইন, লোগো ডিজাইন, ফেসবুক কভার ডিজাইন, ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডিজাইন ইত্যাদি তাদের জন্য এই মার্কেটপ্লেস। এখানে কোন কাজের বিড করতে হয় না। এখানে Client তার প্রয়োজন মত ডিজাইনের তথ্য উল্লেখ করে ডিজাইনাররা সেই তথ্য অনুযায়ী ডিজাইন করে তা জমা করে। যার ডিজাইন Client এর ভালো লাগে তাকে সে জব পোষ্ট করার সময় উল্লেখিত মূল্য প্রদান করে। বিষয়টি প্রতিযোগিতার মত।

কি কি কাজ পাওয়া যায়ঃ
ওয়েব ডিজাইন, লোগো ডিজাইন, ফেসবুক কভার ডিজাইন, ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডিজাইন, আইকন ডিজাইন, ব্লগ, ব্যানার, YouTube চ্যানেল ডিজাইন ইত্যাদি।

পেমেন্ট দেয়ার পদ্ধতিঃ
এই মার্কেটপ্লেসেও পেমেন্ট তোলা যায় Payoneer এবং Skrill এর মাধ্যমে। তাই বাংলাদেশ থেকে চাইলেই যে কোন ডিজাইনার এই মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে পারে।

প্রতিযোগিতা কেমনঃ
এটি পুরটাই প্রতিযোগিতা পূর্ণ কাজ কারণ যার ডিজাইন ভালো হবে সেই মূল্য পাবেন।


৬. balancer (বিল্যান্সার)
এটি বাংলাদেশের মার্কেটপ্লেস। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্রীলেন্সিং মার্কেটপ্লেসের মত আমাদের দেশের একটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস হল বিল্যান্সার। আপনি যদি নতুন কোন ফ্রীলেন্সার হন এবং বড় বড় মার্কেটপ্লেসে কাজ নিতে পারছেন না তাহলে বিল্যেন্সার দিয়ে শুরু করতে পারেন। কারণ এই মার্কেটপ্লেসে বিভিন্ন সেক্টরের ভালো ভালো ফ্রীলেন্সার রয়েছে। তাদের সাথে ভালো সম্পর্ক তৈরি করার মাধ্যমে আপনি আপনার ফ্রীলেন্সিং ক্যারিয়ার তৈরি করতে পারেন।

কি কি কাজ পাওয়া যায়ঃ

এখানে বিভিন্ন রকম জব রয়েছে। যেমনঃ মার্কেটিং, ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ইত্যাদি।

পেমেন্ট দেয়ার পদ্ধতিঃ
বিকাশ এবং বিভিন্ন দেশী পেমেন্ট মেথডের মাধ্যমে এই মার্কেটপ্লেসের টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।

প্রতিযোগিতা কেমনঃ
দেশিও মার্কেটপ্লেস হওয়ার কারণে প্রতিযোগিতা একটু কম।



৭. BEHANCE: (বিহান্স)
ডিজাইনার এবং বিভিন্ন ডেভেলপারদের জন্য একটি জনপ্রিয় এবং পরিচিত মার্কেটপ্লেস হল Behance. এটি বিখ্যাত Adobe এর একটি মার্কেটপ্লেস। এটি এমন একটি মার্কেটপ্লেস যেখানে বিভিন্ন রকম ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্টের অনেক জব পাওয়া যায় যেমনঃ ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, লোগো ডিজাইন, ব্যানার ডিজাইন ইত্যাদির বিভিন্ন কাজ। প্রোগ্রামিং এর ক্ষেত্রে বিভিন্ন ল্যাঙ্গুয়েজের যেমন পাইথন, সি ইত্যাদির কাজ।



৮. TOPTAL: (টপটেল)
TopTal নতুন মার্কেটপ্লেস, তাদের জনপ্রিয়তা ছুই ছুই বলতে পারেন । এখানেও প্রায় সব ধরণের কাজ পাওয়া যায় ।তবে প্রচুর পরিমান কাজ রয়েছে বিভিন্ন ডেভেলপারদের জন্য।

কি কি কাজ পাওয়া যায়ঃ
আপনি যে কোন ল্যাঙ্গুয়েজ জানলে এই মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে পারবেন যেমনঃ পিএচপি, জাভা, সি, সি++, পাইথন ইত্যাদি। আপনি শুধু HTML এবং CSS জানলেও এখানে কাজ করতে পারবেন কারণ এখানে রয়েছে অনেক Front-End ডেভেলপারের কাজ। বর্তমানে WordPress এর জনপ্রিয়তার জন্য প্রচুর পরিমান wordpressথিম ডেভলপমেন্ট, প্লাগিন ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদির কাজ রয়েছে।

 অন্যান্য মার্কেটপ্লেস থেকে এই মার্কেটপ্লেসের অন্যতম পার্থক্য হল এখানে ফাইনেন্স এক্সপার্টদের জন্য অনেক জবের সুযোগ রয়েছে।

প্রতিযোগিতা কেমনঃ
এই মার্কেটপ্লেসে সবাই কাজ করতে পারবে না। কারণ এখানে এক্সপার্টরা কাজ করে। তাই আপনি যদি ভালো প্রোগ্রামার হন তাহলে এই মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে পারবেন। এখানে কাজের রেট অনেক ভালো।

পেমেন্ট দেয়ার পদ্ধতিঃ
এই মার্কেটপ্লেসে পেমেন্ট মেথডের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন রকম মাস্টার কার্ড এবং ব্যাংক ওয়ার।


৯. Stripping :(টিস্প্রিং)
টিস্প্রিং মার্কেটপ্লেস হচ্ছে টী-শার্ট সেল করার একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস। এই মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে হলে আপনাকে ডিজাইন এবং মার্কেটিং জানতে হবে। এই মার্কেটপ্লেসে ফ্রীলেন্সেররা নিজেরা টি-শার্ট ডিজাইন করে এবং নিজেরাই ডিজাইনকৃত টিশার্ট মার্কেটিং করে বিক্রয় করে। এর মাধ্যমে ফ্রীলেন্সাররা বিক্রি করা টি শার্টের মূল্যের উপর নির্দিষ্ট হারে কমিশন পায়। তবে আপনি যদি কোন ডিজাইনারকে নিয়োগ দিতে পারেন তাহলে ডিজাইন না জানলেও চলবে। অর্থাৎ, চাইলে দুই জনের টিমও একত্রে হয়ে কাজ করতে পারেন।

আমাদের দেশে এই মার্কেটপ্লেসটি অনেক বেশি জনপ্রিয়। আপনি ফ্রী এবং পেইড উভয় মার্কেটিং পদ্ধতি ব্যবহার করে মার্কেটিং করতে পারবেন।  তবে কেউ যদি ভালোভাবে পেইড মার্কেটিং করতে পারে যেমনঃ ফেসবুক এ পেইড অ্যাড দিতে পারে তাহলে ভালো ইনকাম হয় এবং খুব দ্রুত হয়। টিস্প্রিং আপনার বিক্রয়ক্রিত টী-শার্ট প্রিন্ট করাবে এবং নির্দিষ্ট ক্রেতার নিকট পাঠিয়ে দিবে, তাই আপনার আসল কাজ হচ্ছে ভালো ডিজাইন করা এবং তা মার্কেটিং করা ।

পেমেন্ট দেয়ার পদ্ধতিঃ
এই মার্কেটপ্লেস থেকে বিভিন্ন ভাবে পেমেন্ট উত্তোলন করা যায়। তবে বাংলাদেশ থেকে সহজে টাকা উত্তোলনের মাধ্যম হল পেইনিয়র মাস্টারকার্ড।

প্রতিযোগিতা কেমনঃ
প্রতিযোগিতা বিষয়টি এখানে তেমন একটি গ্রহণযোগ্য নয়, ভালো ডিজাইন এবং মার্কেটিং এর মাধ্যমেই বিক্রয় হয়।


১০. Microworkers : (মাইক্রো ওয়ারকার্স)
আউটসোর্সিং এখন অনেক প্রতিযোগিতামূলক। তাই এখন বড় বড় মার্কেটপ্লেসে জব পাওয়াটা একটু কঠিন হয়ে পরেছে। ফ্রীলেন্সেররা এখন নতুন নতুন মার্কেটপ্লেস খুজছে। সহজে কাজ পাওয়া যায় এমন একটি মার্কেটপ্লেস হল Microworkers.

কি কি কাজ পাওয়া যায়ঃ
এই মার্কেটপ্লেসে ছোট ছোট কিছু কাজ রয়েছে যা সহজেই করা যায়। যেমনঃ কোন অ্যাডে ক্লিক করা, কোথাও কমেন্টস করা, কোথাও সাইন আপ করা ইত্যাদি। এই মার্কেটপ্লেসে কাজ খুব সহজ বলে কাজের রেটও কম।

প্রতিযোগিতা কেমনঃ
এই মার্কেটপ্লেসে কোন প্রতিযোগিতা নাই। প্রতিটি একাউন্টে নির্দিষ্ট পরিমান কাজ থাকে যা সম্পন্ন করতে পারলে ইনকাম হয়। এখানে কোন প্রকার বিড এর প্রয়োজন হয় না। নির্দিষ্ট পরিমান কাজ দেওয়া থাকে যা  আপনি সম্পন্ন করতে পারলে ডলার পাবেন। তবে বাংলাদেশের জন্য এই মার্কেটপ্লেসে কাজের মূল্য খুবই কম।

পেমেন্ট দেয়ার পদ্ধতিঃ
এই মার্কেটপ্লেসে থেকে Skrill এর মাধ্যমে পেমেন্ট তুলতে পারবেন।

১১. GRAPHICRIVER: (গ্রাপিক্লাভার)
GraphicRiver হচ্ছে বিখ্যাত মার্কেটপ্লেস Envato এর একটি অংশ। যেখানে বিভিন্ন ডিজাইনার এবং ডেভেলপাররা তাদের ডিজাইন করা টেমপ্লেট, থিম ইত্যাদি বিক্রয় কারার জন্য পাবলিশ করে।  GraphicRiver এ আপনি ফটোশপ ফাইল, আইকন, লোগো, ফন্ট, প্রেজেন্টেশন এবং বিভিন্ন  টেমপ্লেট ইত্যাদি বিক্রয় করতে পারবেন। আপনি যদি খুব ভালো ডিজাইনার হন তাহলেই আপনার পন্য বিক্রয় করার জন্য অনুমোদন পাবেন। এই মার্কেটপ্লেসে অনেক ডিজাইন বিক্রয় করা যায়। কারণ মার্কেটপ্লেসের ক্রেতা অনেক।

প্রতিযোগিতা কেমনঃ
পৃথিবীর বহু দেশের ফ্রীলেন্সারাই এখানে ডিজাইন বিক্রয় করে। তাই প্রতিযোগিতাও বেশি। প্রতিযোগিতা থাকলেও ভালো ডিজাইন সাবমিট করলে ডিজাইন সেল হয় আর যদি মার্কেটিং করা যায় তাহলে সেলের পরিমান বেড়ে যায়।

পেমেন্ট দেয়ার পদ্ধতিঃ
Payoneer দিয়ে সহজে টাকা উত্তোলন করা যায় বলে আমাদের দেশের ফ্রীলেন্সারদের কাছে এই মার্কেটপ্লেসটি নিরাপদ এবং জনপ্রিয়।


১২. GURU: (গুরু)
ফ্রীলেন্সিং করার জন্য যতগুলা মার্কেটপ্লেস রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম একটি নাম হল Guru. এই মার্কেটপ্লেসেও রয়েছে অনেক জব। এখানে কাজ করতে পারবে মার্কেটার, ডিজাইনার, ডেভেলপার সহ আরও বিভিন্ন কাজে দক্ষ ফ্রীলেন্সাররা। তবে সবচেয়ে  বেশি কাজ থাকে ওয়েব ডেভেলপারদের। অন্যান্য মার্কেটপ্লেস থেকে এই মার্কেটপ্লেসে কাজ করার প্রতিযোগিতা তুলনামূলক ভাবে কম।

কি কি কাজ পাওয়া যায়ঃ
ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট, থিম ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ডিজিটাল মার্কেটিং, আর্টিকেল রাইটিং এবং বিভিন্ন রকম ডিজাইনের কাজ ইত্যাদি।

প্রতিযোগিতা কেমনঃ
আপওয়ার্ক, ফাইভার, ফ্রীলেন্সারের তুলনায় এই মার্কেটপ্লেসে ইন্ডিয়া, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশী ফ্রীলেন্সার কম। তাইপ্রতিযোগিতাও একটু কম।  যারা অন্য মার্কেটপ্লেস গুলোতে জব পাচ্ছেন না তারা এই মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে পারেন।

পেমেন্ট দেয়ার পদ্ধতিঃ
এই মার্কেটপ্লেস থেকে উপার্জিত টাকাসরাসরি ব্যাংক,payoneer মাস্টারকার্ড এর মাধ্যমে তোলা যাবে।




১৩. SEOCLERKS: (সিওক্লাকার)
SEO এক্সপার্টদের জন্য একটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস হল SEOclerks.  SEO সম্পর্কিত সকল ধরনের জব পাওয়া যায় এই মার্কেটপ্লেসে যেমনঃ কীওয়ার্ড রিসার্চ, অন পেজ অপটিমাইজেশন, এসইও অডিট রিপোর্ট ইত্যাদি। এমনকি বিভিন্ন ব্লগ রিভিউ দেওয়ার জব ও রয়েছে। আরও আছে আর্টিকেল রাইটিং এর কাজ। যদি আপনি ভালো লিখতে পারেন এবং এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখতে পারেন তাহলে এর মার্কেটপ্লেসে জব করতে পারবেন। এছাড়া বিভিন্ন পিডিএফ বই এবং সফটওয়ার বা প্লাগিনও এখানে বিক্রয় করা যায়।

প্রতিযোগিতা কেমনঃ
এই মার্কেটপ্লেসেও প্রতিযোগিতা রয়েছে। শুধু মাত্র SEO এর কাজের জন্য একটি মার্কেটপ্লেস বলে অনেক SEO এক্সপার্টরা এই মার্কেটপ্লেসে কাজের জন্য আবেদন করে।সে জন্য প্রতিযোগিতা রয়েছে। তবে অনেক কাজও রয়েছে। তাই চেষ্টা করলে জব পাওয়া যায়।

পেমেন্ট দেয়ার পদ্ধতিঃ
এই মার্কেটপ্লেস থেকে পেপাল, payoneer বা পেজার মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।

আপনি যেখানেই কাজ করেন না কেন আপনাকে প্রথম ভালো ভাবে কাজ জানতে হবে। তাহলেই আপনি দ্রুত কাজ পাবেন এবং একজন ভালো ফ্রীলেন্সার হতে পারবেন। তাই আমি বলবো প্রথমেই কাজ শেখার দিকে মনোযোগ দিন, আমরা কাজ শেখার সাথে সাথেই উপার্জন করতে চাই বা ট্রেইনিং নেয়া অবস্থায় টাকা উপার্জন করতে চাই, এই চিন্তা ভাবনাতা ভুল, ১৬-১৮ বছর পড়াশুনা করেও ২০,০০০ টাকার জব পেতে আমাদের অনেক সময় কষ্ট হয়ে যায় কিন্তু আমরা আউটসোর্সিং এর কথা শুনলেই ২ মাসের মধেই ২০,০০০ টাকা উপার্জন করতে চাই, এমন অফার দেখলে হুমড়ি খেয়ে পরি, সহজে যা আসে তা কিন্তু সহজেই চলে যায়। আমি বলছি না এখানে ১৬-১৮ বছর কাজ শিখতে, প্রথম ১ বছর টাকার দিকে নয়, কাজ শেখা এবং অভিজ্ঞতা এর দিকে নজর দিন, এর পর থেকে টাকা উপার্জন, অভিজ্ঞতা অর্জন এবং আরো নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন, কারণ আপনি যত কাজ পারবেন আপনার উপার্জন তত বাড়বে । শুভকামনা ।

Share:

adf.ly যে ভাবে account Create করবেন ভিডিও সহ

বর্তমান সময়ে adf.ly একটি জনপ্রিয় এ্যাড সাইট যার মাধ্যমে আপনি লিংক শর্ট
 করে আয় করতে পারেন। আমি খুবই সংক্ষিপ্ত ভাবে আলোচনা করব । কারণ নিচের লিংকের ভিডিওতে আমি সম্পূর্ণ ভাবে বলার চেষ্টা করেছি। আপনি কিভাবে একাউন্ট খোলবেন এবং কিভাবে লিংকগুলোর মাধ্যমে আয় করবেন।





Share:

অনলাইনে আয় করার কিছু লিংক ও নির্দেশনা

অনলাইনে অনেক ভাবেই আয় করা যায়। এর মধ্যে কিছু গুরুত্বর্পূণ সাইটের তালিকা ও খুব সংক্ষিপ্ত আকারে বণনা দেওয়া হলো।

১. একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরী করুন এবং অ্যাডভার্টাইজিং নেটওয়ার্ক । যেমন মনেকরেন, গুগল অ্যাডসেন্স বা ক্রয়বিক্রয়(buysell) অ্যাড এর মাধ্যমে আয় করতে পারেন। আপনি চাইল গুগল ডাবলক্লিক এর মাধ্যমেও সরাসরি আয় করতে পারেন। অনেকের কাছেই অ্যাডসেন্স অ্যপ্রুভ করা ঝামেলার বিষয়। কিভাবে অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভ করবেন প্রয়োজনীয় নিদের্শাবলী দেখুন অ্যাডসেন্স নিদের্শনা দেওয়া থাকে।

২.নিজের অনলাইন স্টোর তৈরী করুন তা নিজস্ব ডোমেইন বা সপিফাই (shopify),স্কয়ার (লিংক: http://www.squarespace.com )স্পেস এ হতে পারে। যেকোন বস্তু খাবার থেকে শুরু করে ডিজিটাল পণ্য সবই সেল করতে পারেন।

৩.যে কোন বিষয়ের উপর বই লিখুন। তা কিন্ডেল স্টোর , গুগল, বা আইবুক এ প্রকাশ করুন। আপনি চাইলে ই বুক হিসাবে অন্য রিটেইলার দের কাছে ও বিক্রয় করতে পারেন। অন্য রিটেইলার বিক্রয়ের জন্য স্মাশউড ( Smashwoods )বা বুকবেবি (BookBaby) ব্যবহার করতে পারেন।

৪.মেইলচিম্পের মাধ্যমে ইমেইল নিউসলেটার সেল করে আয় করতে পারেন। স্পন্সর বা সাবস্ক্রাইবার খুজে বের করতে হবে । যেখানে ভিজিটররা নিউসলেটার পাওয়ার জন্য টাকা দিয়ে সাবস্ক্রাইব করবে। HackerNewletter, NowIKnow এবং Launch.co এই ধরনের কাজের ভাল উদাহরণ হতে পারে।

৫. নিজের ইউটিউব চ্যানেল খুলুন এবং ইউটিউবের পার্টনার হয়ে যান। আপনি Oneload সাইটটি ব্যবহার করে আপনার ভিডিওটি অনেক সাইটে ছড়িয়ে দিতে পারেন।

৬. সৃজনশীল কিছু তৈরী করুন যেমন হ্যান্ডবেগ জুয়েলারি পেইন্টিং বা কুটিরশিল্প ইত্যাদি এবং তা বিক্রয় করতে পারেন ইটসি, আর্টফায়ার বা ই-বে তে বিক্রয় করতে পারেন।

৭. গ্রাফিক্স ডিজাইনের মাধ্যমে টি-শার্টের ডিজাইন করুন এবং www.threadless.com, জাজে বা ক্যাফেপ্রেস এ রাখুন। আর খুব সহজেই বিক্রয় করুন।

৮. কোন একটি বিষয়ে ভাল অভিজ্ঞতা থাকলে আপনি ইউডেমি Udemy বা স্কিল শেয়ারের SkillShare শিক্ষক হিসাবে যোগদান করুন আপনার প্রিয় বিষয় নিয়ে টিউটোরিয়াল তৈরী করুন। গিটার থেকে শুরু করে সাহিত্য ইয়োগা থেকে বিদেশী ভাষা যেকোন কিছু আপনি আন্তর্জাতিকভাবে শেখাতে পারেন।

৯. ওয়েব সাইটের কোডিং শিখুন । গুরু Guru , ই-ল্যান্স eLance , আপওয়ার্ক , বি-ল্যান্সার এর মত মার্কেট প্লেস এ সফট্‌ওয়ার ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টে কাজ করুন।

১০. ভার্চুয়াল অফিস অ্যাসিস্টেন্ট হিসাবে প্রশাসনিক বা টেকনিক্যাল কাজে দুরবর্তী সহায়তা করতে পারেন। এক্ষেত্রে ই-ল্যান্স, টাস্কর বিট TaskRabbit বা আপওয়ার্ক এ প্রচুর কাজ পাবেন।

১১.স্ক্রিপ্ট রাইটার হিসাবে যেমন কোন ব্রাউজার এর এক্সটেনশন প্লাগিন,মোবাইল অ্যাপস (অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোন) তৈরী করে আয় করুন । এক্ষেত্রে কোডকেনিওন CodeCanyon , চুপা Chupa বা বিনপ্রেস BinPress এ আপনার কোডটি বিক্রয় করে আয় করতে পারেন।

১২. অনলাইনের কাজের মধ্যে ডাটা এন্ট্রির কাজে আমাদের দেশে খুবই জনপ্রিয়। ডাটা এন্ট্রি জব, ট্রান্সক্রাবিং কিংবা ভিজিটিং কার্ড তৈরী করে আয় করতে পারেন। এজন্য মেকানিক্যাল টার্ক Mechanical Turk ব্যবহার করতে পারেন।

১৩. সৃজনশীল কাজ যেমন লোগো ডিজাইন,ব্যানার ডিজাইন,ওয়েব ডিজাইন অন্যান্য মার্কেটিং এর উপাদানগুলো তৈরী করে অনলাইনে আয় করা সম্ভব। এক্ষেত্রে ৯৯ডিজাইন 99Designs , ক্রাউডস্প্রিং CrowdSpring , ডিজাইনক্রাউডের DesignCrowd মত সাইটগুলো থেকে আয় করা যায়। ১৪. আপনার কি ভাল কন্ঠ আছে। আপনার যদি ইংরেজীতে জড়তা না থেকে থাকে তবে উমানো, ভয়েসবানী VoiceBunny , ভয়েস১২৩ Voice123 ভয়েস আর্টিষ্ট হিসাবে কাজ করে আয় করতে পারেন।

১৪.অনেকেই আছেন যারা ভাল গান করেন। আপনি যদি ভাল গান করে থাকেন অ্যামাজন এমপিথ্রি, আইটিউন , প্যান্ডোরা,স্পটিফাই এর গান গুলো বিক্রয় করতে পারেন। এজন্য ডিস্ট্রোকিড DistroKid , টিউনকোর Tunecore, লাউডার এফএম loudr.fm বা সিডিবেবির CDBaby সাহায্য নিতে পারেন। আপনি চাইলে সরাসরি আপনার অডিও ফাইল গুলো অডিও জংগল AudioJungle, পন্ড৫ Pond5 বিক্রয় করতে পারেন।

১৫.আপনি কি ফটোগ্রাফি করেন,আপনার ফটোগ্রাফি যদি ভাল হয় তবে ক্রিয়েটিভ মার্কেট Creative Market ,ফটোদুন PhotoDune, আইস্টকফটো iStockPhoto , ইমেজ এম্বেডেড ImgEmbed এ আপনার তোলা ছবি গুলো বিক্রয় করতে পারেন।

১৬. পুরোনো অব্যবহৃত জিনিসপত্র,শিশুদের খেলনা, দুর্লভ বই বা অতি প্রাচীন বা শখের বস্তুগুলো খুব সহজে বিক্রয় করতে পারেন ইবে, ক্রেগলিষ্ট,বিক্রয় ডট কম, কিংবা সেলবাজার এর মত সাইটে বিক্রয় করতে পারেন।

১৭. আপনি একজন ওয়েবসাইট ব্যবহার কারী হিসাবেও আয় করতে পারেন। যে কোন ওয়েবসাইট টেষ্ট করুন, সুন্দর রিভিউ লিখুন একজন ব্যবহারকারী হিসাবে সাইটের সুবিধা অসুবিধাগুলো লিখে আয় করুন। ইউজারটেস্টার UserTesting সাহটের সাহায্যে আয করুন।

১৮.আপনি হয়ত বিভিন্ন সময় আপনার বন্ধু বান্ধবদের টেকনোলজির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সাহায্য করেছেন। তাহলে অনলাইনে কেন নয় ? স্কাইপে স্ক্রিন শেয়ার, বা গুগল ক্রোমের দুরবর্তী স্ক্রিন শেয়ারের মাধ্যমে টেকনোলোজি সাপোর্ট দিয়ে খুব সহজে আয় করতে পারেন।

১৯.ফিভার Fiverr ও পিপলস পার আওয়ার PeoplePerHour এ অ্যাকাউন্ট করুন । এখানে সারা বিশ্বের অনেক বায়াররা বিভিন্ন ধরনের কাজ দিয়ে থাকে। এখানে অনুবাদের কাজ থেকে শুরু করে গ্রাফিক্স ডিজাইন এসইও এবং অন্যান্য কাজ পাওয়া যায়।

২০.আপনি আপনার ওয়েবসাইট পুন বিক্রয় করেও আয় করতে পারেন। ফ্লিপপা Flippa , গো-ড্যাডি অকশন GoDaddy Auctions , সিডো Sedo ইত্যাদি সাইটে আপনি আপনার ওয়েবসাইট পুনরায় বিক্রয় করতে পারেন । ২৫. সর্বশেষ আপনি অনলাইন ব্যতীত অফলাইনে যেসকল ব্যবসার কথা চিন্তা করতে পারেন সবই অনলাইনে প্রয়োগ করা সম্ভব।


২১. অ্যামাজন Amazon বা অন্যান্য অনলাইন স্টোরের অ্যাফিলিয়েটর হিসাবে অনেক ভাল আয় করা সম্ভব। এক্ষেত্রে ভিজিলিংক Vigilink, শেয়ারএসেল ShareASale, কমিশন জাংশন CJ বা লিংক শেয়ার LinkShare এর মত সাইটগুলো অনেকভাল কাজ করে।

২২. অনলাইনে টিউশন এর মাধ্যমে আয় করা সম্ভব। যেখানে অনলাইনে ক্লাস নেওয়া,ছাত্রছাত্রীদের সাহায্য করার কাজ পাওয়া যায়।টিউটর ডট কম Tutor.com, ইন্টাএডু InstaEdu, টিউটোরিয়াল ভিসা TutorVista এর মত সাইটে খুব সহজেই অনলাইন শিক্ষক হওয়ার আবেদন করে অনলাইনে টিউশন করতে পারেন।

২৩. বিদেশীদের জন্য বাসা ভাড়া দিয়েও আয় করা যায়। আপনার ঘরে যদি খালি জায়গা থাকে তাহলে আপনার কি কি জিনিসপত্র আছে আজই লিষ্ট তৈরী করে ফেলুন। এয়ারবিএনবি Airbnb কুসসার্ফিং Couchsurfing আপনাকে সাহায্য্ করবে।

উপরের লিংকগুলোকে খুবই সংক্ষিপ্ত আকারে বলা হয়েছে। বিস্তারিত জানার জন্য এই সাইটের লিংকগুলোতে দেখতে পারেন। সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
Share:

কলেজ পড়ুয়া ছাত্র/ ছাত্রীদের আর্নি শুরু | সহজ ৭টি মাধ্যম থেকে


কলেজে লেখাপড়ার পাশাপাশি আপনিও আপনার মূলবান সময়টুকু ব্যয় করছেন ফেইসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন রকম সামাজিক যোগাযোগের সাইটে। আমি পূর্বে দিনগুলোকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেগুলোতে সময় ব্যয় করতাম। তবে এখন সময় ব্যয় করি অনলাইন আর্নি ও লেখাপড়ারতে। এখন আমি ভাবি কেন আমি এ সময় টুকু ঐ সমস্ত সামাজিক যোগাযোগের সাইটে ব্যয় না করে ব্লগিং বা অনলাইন মার্কেট প্লেজে ব্যয় কাটালাম না।

আমার অনেক বন্ধু বান্ধব আছে যারা ঠিক একই ভাবে বিভিন্ন সামজিক যোগাযোগের সাইটে চ্যাট করে প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা সময় পার করে দিচ্ছে। যদি হিসাব করেন যে, আপনি প্রতিদিন গড়ে কতটুকু সময় ইন্টারনেট ব্যবহার করে পার করছেন, তাহলে বেশীরভাগ লোকই বলবে ৫-৬ ঘন্টা। তাহলে আপনি কি ভাবছেন এ সংখ্যা বছরে কতই গিয়ে দাড়াচ্ছে। বছরে অন্তত ১০০০-১২০০ ঘন্টা পার করছেন ইন্টারনেটে বিভিন্ন সমাজিক যোগাযোগ এর সাইটে চ্যাট করে। কিন্তু একবারও কি আপনি নিজের কাছে প্রশ্ন করেছেন যে, আপনার এ মূল্যবান সময়গুলি ব্যয় করে আপনি কি পেয়েছেন? আপনার উত্তর হবে শূন্য।

আপনি মূ্ল্যবান সময়ের সামান্য সময় ব্যয় করে যদি কিছু টাকা পয়সা ইনকাম করে নিজের প্রয়োজন মিটাতে পারেন, তাহলে অন্যের কাছ থেকে ধার করার প্রয়োজন পড়ে না। ইন্টারনেট জগৎটা শুধু মাত্র স্যোসাল সাইটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আপনার সামান্য ইচ্ছা শক্তির বলে আপনি ইন্টারনেট হতে কিছু টাকা উপাজর্ন করতে পারেন। এই জন্য আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিভাবে ছাত্র-ছাত্রী, গৃহিনী এবং কিশোর ইন্টারনেট হতে কিভাবেটাকা উপার্জন করে নিজের ব্যক্তিগত প্রয়োজন মিটাতে পারেন।

০১। YouTube হতে টাকা উপার্জনঃ অনলাইন থেকে টাকা উপার্জনের একটি সহজ মাধ্যম হচ্ছে YouTube. এখান থেকে যে কোন বয়সের লোক খুবই সহজে টাকা উপার্জন করতে পারেন। ইন্টারনেট বিশ্বের জনপ্রিয় ১০ ওয়েবসাইটের মধ্যে YouTube হচ্ছে একটি। আপনি ইচ্ছে করলেই এখান থেকে কম সময় ব্যয় করে অল্প অভীজ্ঞতা নিয়ে মাসে ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারেন। এই জন্য আপনাকে যেটি করতে হবে- প্রথমে বিভিন্ন ভাল মানের ভিডিও YouTube এ আপলোড করতে হবে। এ জন্য আপনি আপনার মোবাইল ফোনকে ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যদি ভ্রমন প্রিয় লোক হন তাহলে বিভিন্ন সুন্দর সুন্দর প্রকৃতিক দৃশ্যগুলি আপনার ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দী করেও এ কাজটি করতে পারেন। অথবা আপনি যে বিষয় ভালভাবে জানেন সে বিষয়ে বিভিন্ন টেউটোরিয়াল তৈরী করেও কাজটি করতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন কারও কোন নকল ভিডিও কপি করে এটি করা যাবে না। এতে আপনার আইডি ব্লক হয়ে যেতে পারে।

০২। ব্লগিং করে বা ব্লগে আর্টিকেল লিখেঃ ব্লগিং এর সাথে আমার মোটামুটি ভালই পরিচিত।  আপনি গুগল ব্লগারে কিংবা ওয়ার্ডপ্রেসে বিনা মূল্যে একটি ব্লগ তৈরী করে নিতে পারেন। এখন ব্লগ তৈরী করে থেমে থাকলে হবে না। আপনার যে বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান আছে, আপনি সে বিষয় নিয়ে লিখে যান। এ ক্ষেত্রে হয়তো আপনি প্রথম ২-৩ মাস একটু কষ্ট করতে হবে। আপনি প্রতিদিন নিত্য নতুন আর্টিকেল লিখতে থাকেন। আপনার বিষয়টি যদি ইউনিক এবং জ্ঞানগর্ভপূর্ণ হয় তাহলে ভিজিটর অবশ্যই আপনার ব্লগে আসবে। এ ক্ষেত্রে সফলতা পেতে আপনাকে বেশী দিন অপেক্ষা করতে হবে না। আপনি নিজে নিজেই টাকা উপার্জনের পথ সুঘম করে নিতে পারবেন।


০৩। ফিল্যান্সিং : ফিল্যান্সিং হলো এমন একটি সাইট যেখানে আপনি আপনার লেখা বা আর্টিকেল শেয়ার করে টাকা উপার্জন করে নিতে পারবেন। আপনি যদি একজন ভাল লেখক হন কিংবা যে কোন বিষয়ে ভাল জ্ঞান রাখেন, তাহলে যদি সে বিষয়ে ভাল মানের আর্টিকেল লিখতে পারেন, তাহলেই এটা আপনার পক্ষে সম্ভব। আপনার লেখার মান যদি ভাল হয় তাহলে ফিল্যান্সিং এ আপনার লেখার মূল্য অর্থাৎ টাকা উপার্জনের পরিমান দিন দিন বাড়তে থাকবে। এখান থেকে মাসে লাখ টাকা উপার্জন করে এমন লোকও আছে। এখানে যার যার মেধা অনুসারে তার প্রতিফলন ঘটাতে পারে। এটি মার্কেট প্লেজের মতো। আপনার কাজ মার্কেটে মাধ্যমে বায়ারদের করে দিবেন।

০৪। Google Adsense থেকে টাকা উপার্জনঃ Adsense হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপনের (Advetisement ) Program এটি গুগল কর্তৃপক্ষ সয়ং নিজে পরিচালনা করছে। আপনি যদি আপনার ব্লগটিকে ভাল মানের Platform এ নিয়ে যেতে পারেন এবং আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর থাকে তাহলে Google Adsense থেকে আপনি হাজার হাজার টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ পদ্ধতিতে আপনার ব্লগে Adsense এর বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে ক্লিক প্রতি ডলার আয় করতে পারবেন। অনেকে বলে Google Adsense করাটা অনেক কঠিন কাজ। কিন্তু আমি বলছি মোটেও কঠিন কাজ নয়। আপনি যদি মানসম্মত ২৫-৩০ টি ইউনিক কনটেন্ট লিখতে পারেন তাহলে নিঃসন্দেহে Google Adsense দলিল হয়ে যাবে। এখান থেকে আপনি দীর্ঘ দিন যাবত টাকা উপার্জন করে যেতে পারবেন।Google Adsense ছাড়াও অনেক সাইট আছে revenuehits যার মধ্যে অন্যতম । এখানে সহজেই কাজ পাওয়া যায়। তবে Google Adsense  হলো সবচেয়ে ভাল।

০৫। প্রশ্ন উত্তর দেওয়ার মাধ্যমে (Ask And You Answer): আপনি যদি কিছু বিষয়ে দক্ষ হয়ে থাকেন, যেমন - Math, English, Physics, Sociology,  Biology, Humaities ইত্যাদি। তাহলে আপনি প্রশ্ন উত্তর প্রদানের মাধ্যমে ইন্টারনেটে অন্যের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে দিতে পারেন। আপনি যদি তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিতে পারেন, তাহলে ইন্টারনেটে অনেক সাইট আছে যেগুলি আপনার সাথে যোগাযোগ করবে তাদের সাইটে জয়েন করার জন্য। ফলে তাদের সাইটে জয়েন করার মাধ্যমে ঐ কোম্পানী হতে আপনি ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আপনি বেশ চালাক এবং বুদ্ধিমান হতে হবে। হতে হবে মেধাবী ও পরিশ্রমী।

০৬। EBAY and AMAZON Products বিক্রির মাধ্যমেঃ আপনি জানেন যে, ইন্টারনেট এর মাধ্যমে পন্য কেনা কাটার জন্য জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হচ্ছে Ebay and Amazon. এখানে লোকজন তাদের বিভিন্ন ধরনের পন্য বিক্রি করার জন্য বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন। আপনার পন্যটি যদি ক্রেতার কাছে ভাল মনে হয় তাহলে পন্যটি কেনার জন্য ক্রেতারা আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। আপনি যদি আপনার পন্য বিক্রি করে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হতে পারেন, তাহলে এখান থেকে কমদামে বিভিন্ন জিনিস ক্রয় করে ভাল দামে বিক্রয় করে লাভবান হতে পারেন। তবে এই সুবিধা পাওয়ার জন্য আপনাকে আগে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হিসেবে প্রমান করতে হবে EBAY and AMAZON Products



০৭। Link Shorter : Adf.ly , linkbucksmedi,  linkshrink এসাইট গুলোর মাধ্যমে আপনার পেইজে লিংকগুলোর আকার ছোট করে স্যোস্যল সাইটে বা আপনার যেকোনো পেইজে অ্যাড করতে পারেন। লিংকগুলোর মাধ্যমে এ্যাড হবে। আর এ্যাডগুলোর মধ্যেমে আপনি সহজেই আয় করতে পারবেন।

 লেখার মাধ্যমে বিস্তারিত বলা সম্ভব হয়নি। তার পরও আপনারা কিছুটা হলেও ধারণা পাবে। পরবর্তী সময়ে আলাদাভাবে বিস্তারিত আলোচনা করবো, ইনশাআল্লাহ্। এই ব্লক সাইটে অন্যান্য বিষয়গুলো সম্পর্কে  বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এরপরও আর্নি বিষয়ে কোন সমস্যা হলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
 Imransamibd
 আমার সাথে যোগাযোগ করতে ফুলটি ক্লিক করুন।
Share:

ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কত আয় করতে পারেন ?

ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কত আয় করতে পারেন ?
এটা এমন এক প্রশ্ন যার তৈরী কোন উত্তর নেই। আপনি যখন চাকরী করেন তখন সহজেই আপনার আয় কত বলতে পারেন । ফ্রিল্যান্সারের ক্ষেত্রে বিষয়টা অতটা সহজ না। একজন ফ্রিল্যান্সারের আয় যে বিষয়গুলির ওপর নির্ভর করে সেগুলি এখানে তুলে ধরা হচ্ছে।

আপনি ফ্রিল্যান্সকে পেশা হিসেবে নিতে চাইলে প্রথমে মার্কেটিং এর দক্ষতা বাড়ান। বলা হয় বাংলাদেশীদের মার্কেটিং এ দক্ষতা কম। নিজেদেরকে ঠিকভাবে তুলে ধরতে পারেন না বলে যোগ্যতা থাকা সত্তেও অনেকে কাজ পান না। এখানে ভালো আয় করতে চাইলে প্রথমে নিজের দক্ষতা প্রকাশ করতে হবে । বিষয়টি অনেকটাই দোকানদারীর মত। আপনার দোকানে কত জিনিস আছে সেকথা না জানালে ক্রেতা পাবেন না। ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনার যোগ্যতা কি সেটা প্রকাশ না করে কাজ আশা করতে পারেন না
মার্কেটিং এর দক্ষতা থাকাই যথেষ্ট নয়, একে নেশায় পরিনত করতে হবে। যদিও বাস্তবে অনেকেই কাজটি পছন্দ করেন না । আপনি বিশ্বের সবচেয়ে ভাল গ্রাফিক ডিজাইনার হতে পারেন কিন্তু সেটা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজে আসবে না যদি সঠিক ক্লায়েন্টের কাছে না পৌছান। নিজের দক্ষতা প্রকাশ করাই যথেষ্ট না, বরং প্রতি মুহুর্তে খোজ করা প্রয়োজন কোথায় আরেকটু ভাল ক্লায়েন্ট পাওয়া । প্রশ্ন থাকতে পারে এরসাথে ফ্রিল্যান্সারের আয়ের সরাসরি সম্পর্ক এত গুরুত্বপুর্ন কেন। বাস্তবতা হচ্ছে, যারা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে সবচেয়ে ভাল করেন তারা তাদের কাজে সবচেয়ে দক্ষ এটা ধরে নেয়া যায় না । বরং যারা যোগাযোগে দক্ষ তারা তারচেয়ে দক্ষ ব্যক্তির চেয়ে ভাল কাজের সুযোগ পান এবং ফল হিসেবে বেশি আয় করেন। স্বাভাবিকভাবেই আপনি দক্ষতাকে উপেক্ষা করতে পারেন না। বেশি কাজ পাওয়া এবং বেশিমুল্যের কাজ পাওয়ার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। সাধারন মানের গ্রাফিক ডিজাইনার ঘন্টাপ্রতি ৪০ ডলারে কাজ করতে পারেন, যার দক্ষতা বেশি তিনি নিতে পারেন ৮০ ডলার। ৪০ ডলারের যোগ্যতা নিয়ে ৮০ ডলার আশা করা অনুচিত । যারা মার্কেটিং এ ততটা দক্ষ নন তারা অনেকে যোগ্যতা দিয়ে সেটা পুরন করার চেষ্টা করেন। প্রতি মুহুর্তে নিজের দক্ষতাকে বাড়াতে থাকেন এবং আশা করেন কোন এক সময় সঠিক ক্লায়েন্টের কাছে নিজেকে তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। এককথায় ফ্রিল্যান্সার কত আয় করতে পারেন সেটা প্রকাশ করা যেতে পারে এভাবে, আপনার কাজে দক্ষতা এবং যোগাযোগের দক্ষতা যত বেশি আয় ততটাই বেশি। এই দুইএর সমম্বয় করে মাসে কয়েখ হাজার ডলার আয় করা সম্ভব।
Share:

কম্পিউটারে অর্থ উপার্জনের সেরা পদ্ধতিগুলো

কম্পিউটারে অর্থ উপার্জনের সেরা পদ্ধতিগুলো । অনেকেই দ্বিধায় পড়েন, কোনটি করবেন এবং কোনটি করবেন না এই নিয়ে। তাছাড়া বাংলাদেশের জন্য স্থানীয় কিছু সমস্যা তো রয়েছেই। ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ উপার্জনের সুবিধা-অসুবিধা অনুযায়ী ৫টি পদ্ধতি নিয়ে নিচে আলোচনা করছি।


১. গুগল এডসেন্স(www.google.com/adsense)
গুগল এডসেন্স ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনের সবচেয়ে সেরা উপায় । মাসে কয়েক হাজার ডলার আয় করা যায় প্রোগ্রামিং বা এইধরনের কোন ক্ষেত্রে বিশেষ দক্ষতা না থেকেও। এমনকি গুগলের ব্লগার ব্যবহার করে কোনরকম খরচ ছাড়াই।আপনার প্রয়োজন শুধু সময় ব্যয় করা এবং চারিদিকে দৃষ্টি রেখে নিজের ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার ব্যবস্থা করা। সবচেয়ে ভাল ফল পাওয়ার জন্য আপনার প্রয়োজন এমন একটি ওয়েবসাইট যেখানে প্রচুর ভিজিটর ভিজিট করবেন। এধরনের ওয়েবসাইট তৈরী এবং ভিজিটর পেতে কয়েক মাস এমনকি কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। প্রতিদিন কমপক্ষে ১ হাজার ভিজিটর না পেলে খুব বেশি আয়ের সম্ভাবনা কম। গুগল এডসেন্স এর মত চিতিকা (
www.chitika.com) নামে আরেকটি ব্যবস্থা রয়েছে । ব্যবহারের পদ্ধতি এডসেন্স এর মতই।
২. এফিলিয়েটেড মার্কেটিং
এফিলিটেড মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে সীমা হচ্ছে আকাশ। আপনি যত চেষ্টা করবেন তত বেশি আয় করবেন। আপনার কাজ হচ্ছে ইন্টারনেটে যারা কিছু বিক্রি করে (পন্য বা সেবা) তাদের হয়ে প্রচার করা।এ কাজের জন্য নিজের ওয়েবসাইট থাকলে সুবিধে বেশি, না থাকলেও সমস্যা নেই অন্যভাবে করা যায়। কোন কোন কোম্পানী টাকা দেয় তাদের সাইটে ভিজিটর পাঠালেই আবার কোন কোন কোম্পানী দেয় কোন
ভিজিটর কিছু কিনলে। ৭৫% পর্যন্ত কমিশন দেয়ার মত কোম্পানীও রয়েছে। আমাজন, ই-বে এফিলিয়েটেড মার্কেটিং কাজের জন্য অন্যতম। আমি আগেই বলেছি এফিলিয়েটেড মার্কেটিং এর জন্য নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে বেশি সুবিধে পাবেন। শুধুমাত্র এই কাজের জন্যই বিনামুল্যে ওয়েবসাইট তৈরী ও সেখানে বিভিন্ন পন্য যোগ করার ব্যবস্থা রয়েছে। যদিও এই ব্যবস্থায় আয় বেশি তারপরও এডসেন্সর এর পর ২য় অবস্থানে থাকার কারন হল একাজে বুদ্ধিমত্তা, মার্কেটিং এর দক্ষতা এবং পরিশ্রম অনেক বেশি।
৩. ফ্রিল্যান্সিং
আপনি ওয়েবসাইট তৈরী কিংবা মার্কেটিং এর ঝামেলায় যদি যেতে না চান, অথচ কম্পিউটারের কোন কাজে দক্ষ। সেটা ফটোশপ ব্যবহার করে হোক অথবা গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, প্রোগ্রামিং থেকে ডাটা এন্ট্রি, ভিডিও এডিটিং কিংবা এনিমেশন যে কোন কিছুই হতে পারে। তাহলে আপনার জন্য ফ্রিল্যান্সিং উপযুক্ত। কাজ দেয়ার ক্ষেত্রে অনেকগুলি প্রতিস্ঠান রয়েছে মধ্যস্থতা করার জন্য । সেখানে নিজের নাম তালিকাভুক্ত করবেন (কোন খরচ নেই), তাদের কাজের তালিকা দেখে এপ্লাই করবেন, কাজ পাওয়ার পর কাজ করে জমা দিবেন। আপনার একাউন্টে সেই কাজের পারিশ্রমিক জমা হবে। ঘন্টাপ্রতি নির্দিষ্ট কাজ অনুযায়ী অথবা এককালীন চুক্তি অনুযায়ী ফ্রিলান্সিং কাজে পেমেন্ট দেয়া হয়। কাজের জটিলতা অনুযায়ী আয় কয়েক ডলার থেকে কয়েক হাজার ডলার পর্যন্তও হতে পারে এই চুক্তি। মধ্যস্থতাকারী থাকে বলে টাকা হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
www.freelancer.com , www.odesk.com ইত্যাদি এধরনের কাজে অন্যতম প্রতিস্ঠান।
৪. নিজে বিক্রি করা
লাভ বেশি থাকার পরও একে ৪ নম্বরে রাখতে হচ্ছে কারন নিজে বিক্রি করলে লাভ বেশি, সেইসাথে পরিশ্রমও বেশি। আপনি কিছু পন্য ঠিক করবেন এরপর ওয়েবসাইটে রেখে দেবেন। যিনি কিনতে চান তিনি সেখানে ক্লিক করে কিনবেন এবং আপনি সেটা তারকাছে পাঠিয়ে দেবেন। ফটোগ্রাফ, ই-বুক, সফটঅয়্যার এর মত পন্য সরাসরি ইমেইল করে পাঠাতে পারেন কিংবা ডাউনলোডের ব্যবস্থা রাখতে পারেন। ছাপা বই বা বহনযোগ্য অন্য পন্য হলে পার্সেল করে পাঠাতে হবে। বিশ্বের অনেক দেশের মানুষই কেনাকাটা করে অনলাইনে। কাজেই এই মুহুর্তে বাংলাদেশের মত দেশে বিষয়টি চালু না থাকলেও একসময় হবে ইনশাআল্লা ।
৫. অনলাইন বিজ্ঞাপন
জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে এডসেন্স এর মত বিজ্ঞাপন রাখতে হবে এমন কোন কথা নেই, ছাপানো পত্রিকায় যেমন বিজ্ঞাপন দেয়া হয় সেভাবে আপনার ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন প্রচার করে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। আমেরিকায় ছাপানো বিজ্ঞাপনের আয়কে ছাড়িয়ে গেছে অনলাইন বিজ্ঞাপন। পত্রিকার মত সাইটের জন্য এই ব্যবস্থা সুবিধেজনক।

Share:

নেটে কিভাবে কাজ করে অর্থ উপার্জন করা যায় আর কিভাবে করবেন?

নেটে কিভাবে কাজ করে অর্থ উপার্জন করা যায় আর কিভাবে করবেন?


আগামীতে আউটসোর্সিং হবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আয়ের উতস, কর্মসংস্থানের সবচেয়ে বড় যায়গা। তারপরও যারা একাজ করবেন তারা অনেকেই অন্ধকারে রয়ে গেছেন। অনেকেই জানেন না ঠিক কি করবেন। কি যোগ্যতা প্রয়োজন হবে, কি কি যন্ত্রপাতি প্রয়োজন হবে, কি কাজ করতে হবে, কাজ কোথায় পাওয়া যাবে, কত টাকা পাওয়া যাবে, কিভাবে পাওয়া যাবে। এই প্রশ্নগুলির উত্তর ধারাবাহিকভাবে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে এখানে।
* প্রথমেই একটা কথা পরিস্কার করে নেয়া ভাল। বলা হচ্ছে কাজ করে অর্থ উপার্জনের বিষয়ে। কাজেই আপনাকে কাজ করতে হবে, সে কাজ শিখতে হবে, অন্যদের সাথে প্রতিযোগিতা করতে হবে। আপনার দক্ষতা যত বেশি অর্থ উপার্জনের সুযোগ তত বেশি। এটাই একমাত্র পথ। যদি কাজ শিখতে এবং করতে পর্যাপ্ত আগ্রহ এবং চেষ্টা না থাকে তাহলে সময় নষ্ট না করাই ভাল। সহজে অর্থ উপার্জন বলে যা
বুঝানো হয় তা আসলে ততটা সহজ না।
আউটসোর্সিং কি ?
এটা নিশ্চয়ই প্রথম প্রশ্ন। উত্তর হচ্ছে, বাড়িতে বসে অন্য কারো কাজ করা। উন্নত দেশগুলিতে (আমেরিকা কিংবা ইউরোপ) মজুরী অত্যন্ত বেশি। কোন কোম্পানীর যদি নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম তৈরী প্রয়োজন হয়, এজন্য যদি একজন প্রোগ্রামার নিয়োগ করতে হয় তাহলে বিপুল পরিমান টাকা গুনতে হয়। সেকাজটিই অন্য দেশের প্রোগ্রামার দিয়ে করিয়ে নিলে তুলনামুলক কম টাকায় করানো যায়। বর্তমান ইন্টারনেট ব্যবস্থায় খুব সহজে একাজ করা সম্ভব। আপনি সেই প্রোগ্রামার, ডিজাইনার, এনিমেটর অথবা যাই হোন না কেন ইন্টারনেটের মাধ্যমেই তাদের কাজ করতে পারেন, ঘরের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। বড় কোম্পানীর বদলে ছোট কোম্পানী, কিংবা ব্যক্তি পর্যায়ের কাজের কথা যদি
এরসাথে যোগ করা হয় তাহলে কাজের পরিধি বেড়ে যায় অনেক। ধরুন কোন ব্যক্তির একটি ওয়েবসাইট তৈরী করা প্রয়োজন।
তিনি নিজে সেকাজ পারেন না। কাজেই তার প্রয়োজন এমন একজন ব্যক্তি যিনি সেকাজ করে দেবেন। আপনি যদি সেকাজে দক্ষ হন তাহলে আপনি আগ্রহি হয়ে সেখানে যোগাযোগ করলেন। সমঝোতা হল, আপনি কাজটি করে দেবেন, বিনিময়ে ১০০ ডলার পাবেন। লাভ দুজনেরই। কাজেই, আউটসোর্সিং হচ্ছে এক যায়গার কাজ অন্যযায়গা থেকে করিয়ে নেয়া। এই কাজকে সহজ করার জন্য অনেক প্রতিস্ঠান রয়েছে। তাদের ওয়ের সাইটে বিনামুল্যে সদস্য হওয়া যায় (আপনাকে বিনামুল্যে সেবা দিয়েও তারা নিজেরা লাভ করেন। সে
হিসেব আলাদা)। তাদের সদস্য দুধরনের, একপক্ষ কাজ দেন, আরেকপক্ষ কাজ করেন। আপনি যখন কাজ দেবেন তখন কাজের বিবরন, সময়, অর্থের পরিমান ইত্যাদি তাদের জানাবেন। তারা ওয়েবসাইটে সেগুলি রেখে দেবেন যারা কাজ করতে আগ্রহি তাদের জন্য।
আপনি যত কাজ করবেন তখন তাদের ওয়েব সাইটে গিয়ে সেই তালিকা থেকে নিজের পছন্দমত কাজের জন্য আবেদন করবেন (সাধারনত একটি লিংকে ক্লিক করাই যথেষ্ট)। যার কাজ তিনি আবেদনগুলি যাচাই করে যাকে যোগ্য মনে করবেন তাকে কাজটি
দেবেন। আপনি সেই ব্যক্তি হলে কাজটি করে ইন্টারনেটের মাধ্যমেই তারকাছে পাঠিয়ে দেবেন। সাথেসাথে আপনার একাউন্টে কাজের অর্থ জমা হবে।
কাজের ধরন
একটু আগে দুধরনের কাজের কথা বলা হয়েছে, একটি কোম্পানীর, অপরটি ছোট কোম্পানী কিংবা ব্যক্তির। আউটসোসিং এর কাজ মুলত এই দুধরনের। বড় কোম্পানীর বড় কাজ করার জন্য বড় প্রতিস্ঠান প্রয়োজন। সেখানে আপনি একজন নিয়মিত কর্মী হিসেবে নিয়োগ পেতে পারেন। আপনি ফ্রিল্যান্সার নন। আর ছোট কাজের ক্ষেত্রে আপনি নিজেই সবকিছু। যোগাযোগ, কাজ করা, অর্থ গ্রহন সবকিছু করতে হবে নিজেকেই। অবশ্য কয়েকজন একসাথে শুরু করে ক্রমাম্বয়ে বড় কোম্পানীতে পরিনত হওয়া অবশ্যই সম্ভব। ধরে নেয়া হচ্ছে আপনি একা কাজ করতে আগ্রহি। এখানে সে সম্পর্কিত তথ্যই উল্লেখ করা হচ্ছে। এক কথায়, কম্পিউটার ব্যবহার করে যাকিছু করা সম্ভব সবধরনের কাজই পাওয়া যায় এভাবে। গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব পেজ তৈরী, ওয়েব পেজের কোন সমস্যার সমাধান থেকে শুরু করে এনিমেশন, ভিডিও এডিটিং কিংবা একেবারে সহজ ডাটা এন্ট্রি পর্যন্ত। কাজ যত সহজ অর্থের পরিমান তত কম, কাজ যত জটিল অর্থের পরিমান তত বেশি এই নিয়মে। উদাহরন হিসেবে ওয়েব সাইটের জন্য ফটোশপে একটি ব্যানার বিজ্ঞাপন তৈরী করে যে পরিমান অর্থ পাবেন ফ্লাশে এনিমেটেড ব্যানার তৈরী করে পাবেন তারথেকে অনেক বেশি অর্থ। বাস্তব ধারনা পাওয়ার সবচেয়ে ভাল পথ হচ্ছে এধরনের
ওয়েবসাইটে গিয়ে কাজের তালিকা দেখা।
কি শিখতে হবে
কোন কাজ আপনার জন্য ভাল সেটা যাচাইয়ের দায়িত্ব আপনার। আগ্রহ কোন বিষয়ে, দক্ষতা কোন বিষয়ে, কতদুর পর্যন্ত যেতে পারবেন এগুলি একমাত্র আপনিই জানতে পারেন। কোন কাজে অর্থ বেশি এটা বিচার করে সেই কাজ করতে না যাওয়াই ভাল। প্রোগ্রামার হওয়ার জন্য একধরনের প্রতিভা প্রয়োজন, এনিমেটর হওয়ার জন্য আরেক ধরনের, ভাল ডিজাইনার হওয়ার জন্য আরেক ধরনের। কোন বিষয়ে আগ্রহি হলে সে বিষয়ে খোজ নিন, কিছুদিন চেষ্টা করুন, তারপর দ্রুতই সিদ্ধান্ত নিন। এবিষয়েও সত্যিকারের সাহায্য পাবেন এধরনের জব সাইটে। প্রতিটি কাজের বর্ননার সাথে কোন সফটঅয়্যারে দক্ষতা থাকতে হবে তা উল্লেখ করা থাকে।
কত আয় করা সম্ভব
বিষয়টি পুরোপুরি আপনার কাজের ধরনের ওপর নির্ভর করে। অধিকাংশ কাজের হিসেব হয় ঘন্টা হিসেবে। গ্রাফিক ডিজাইনকে উদাহরন হিসেবে ধরলে মাসে অনায়াসে হাজার ডলার আয় করা সম্ভব। প্রোগ্রামার হলে অনেক বেশি।
কি যন্ত্রপাতি প্রয়োজন
এধরনের কাজে আপনার মুল অস্ত্র হচ্ছে মেধা। কাজেই দামী যন্ত্রপাতি নিয়ে মাথা ঘামানোর প্রয়োজন হয় না, বিশেষ কাজ ছাড়া। কাজের ধরন অনুযায়ী অবশ্যই আপনার স্ক্যানার, গ্রাফিক ট্যাবলেট, দামী ক্যামেরা ইত্যাদি প্রয়োজন হতে পারে। এধরনের বিশেষ যন্ত্র বাদ দিলে আপনার প্রয়োজন একটি মোটামুটি পর্যায়ের কম্পিউটার এবং ভাল ইন্টারনেট সংযোগ। বর্তমানে যথেষ্ট কম টাকায় ভাল কম্পিউটার পাওয়া যায়। আর ইন্টারনেট সংযোগের বিষয়ে বলা আসলে অর্থহীন। তারা আশা করে আপনি টাকা দেবেন, বদলে কি পাবেন তাতে তাদের কিছু যায়-আসে না। আর সরকার কিংবা প্রশাসন যত বক্তৃতা-বিবৃতি দিক না কেন, ব্যবসায়িদের কাছে সবসময় মাথা নিচু করে থাকে। মুল কথায় ফেরা যাক। ইন্টারনেটে কাজ করে অর্থ উপার্জনের এটা প্রাথমিক তথ্য। শুরুতেই আপনি যা করতে পারেন তা হচ্ছে এধরনের ওয়েবসাইটে গিয়ে বিস্তারিত পড়া, বোঝার চেষ্টা করা। সত্যিকাজের কাজের তথ্য তাদের কাছেই পাওয়া সম্ভব, অকারনে অন্য যায়গায় সময় নষ্ট করবেন না। odesk, freelancer এধরনের জনপ্রিয় ওয়েব সাইটের উদাহরন। সার্চ করলে এধরনের
আরো বহু সাইট পাবেন। ভালভাবে বোঝার জন্য কয়েকদিন নিয়মিত এই সাইটগুলিতে সময় কাটান। কাজ শুরু করুন, সেইসাথে আরো জানার চেষ্টা করুন।

Share:

freelancing tips| freelancing টিপস

 অনলা্েনে ফিলাসিং টিপস :
দিন দিন সারা বিশ্বে Freelancing এর জনপ্রিয়তা ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইউ.এস.এ-তে গড়ে প্রতি তিনটি কজের মধ্যে একটি কাজই ফ্রিল্যান্স এর মাধ্যমে করানো হচ্ছে। এই কারনেই Freelancing ক্ষেত্রে কাজের পরিমান প্রতিনিয়তই বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে অধিকাংশ লোকই নিজের ইচ্ছা বা শখের কারনেই Freelancing করছে। তবে কেউ কেউ তাদের বাড়তি আয়ের জন্য Freelancing করছে আবার অনেকে সাধারন চাকরি না পেয়ে Freelancing শুরু করছে। Freelancing এ সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এতে নিজের স্বাধীনতা রয়েছে এবং এর মাধ্যমে নিজের সৃজনশীলতা ও দক্ষতাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো যায়। বাংলাদেশেও Freelancing এর জনপ্রিয়তা কম নয়। তাই আপনিও যদি Freelancing করতে আগ্রহী হয়ে থাকেন অথবা Freelancing করছেন তাহলে নিচের টিপসগুলো সবসময় মনে রাখবেন তাহলে আপনার সফলতায় তেমন কোনো বাধা আসতে পারবে না।

নিজেকে পরিচিত করে তুলুনঃ

আপনি যেই ক্ষেত্রেই Freelancing করুন না কেন অনলাইনে আপনি যত বেশি জনপ্রিয় হতে পারবেন, Freelancing এ আপনার সফলতার সম্ভাবনা ততই বৃদ্ধি পাবে। তাই আপনার কাজের পাশাপাশি একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরি করে তা জনপ্রিয় করার চেষ্টা করুন। ব্লগের মাধ্যমে আপনার দক্ষতাকে অন্যদের কাছে পৌছে দিন। আপনার কর্মক্ষেত্র সম্পর্কিত কোনো ডিসকাশন ব্লগ খুলে তা দ্বারা অন্যদের সহায়তা করার চেষ্টা করুন।
আপনার যোগাযোগের নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি করুনঃ

Freelancingকে ব্যাবসার সাথে তুলনা করা হয়। তাই এক্ষেত্রে যোগাযোগ রক্ষা করা একটি অত্যন্ত্ গুরুত্বপূর্ন বিষয়। আপনার পুরোনো ক্লায়েন্টদের সাথে যোগাযোগ অক্ষুন্ন রাখুন এতে তাদের কাছ থেকে পুনরায় কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। সকল ক্লায়েন্টএর সাথেই আন্তরিক হওয়ার চেষ্টা করুন। পাশাপাশি সামাজিক জীবনেও সকলের সাথে যোগাযোগ অক্ষুন্ন রাখুন।
নিরাপদ ভাবে কাজ নেওয়ার চেষ্টা করুনঃ

কোনো নতুন ক্লায়েন্ট এর কাজ শুরু করার পূর্বে ক্লায়েন্টটির সম্পর্কে যথা সম্ভব নিশ্চিত হয়ে নিন। তার আগের কাজগুলোর পেমেন্ট ঠিকমতো দিয়েছে কি-না, ফিডব্যাক কেমন ইত্যাদি দেখে নিন। কাজ শুরুর আগেই কাজটি সম্পর্কে বিস্তারিত সবকিছু ক্লায়েন্ট এর কাছ থেকে জেনে নিন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করুনঃ

যে কোনো কাজ শুরুর আগে কাজের সময় নির্ধারন করে নিন। অনেক সময় ফ্রিল্যান্সাররা একসাথে বেশ কয়েকটি কাজ নিয়ে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে হিমশিম খায়। তাই কোন কাজ শেষ করতে কত সময় লাগতে পারে সেই হিসাবেই আপনার কাজগুলোকে ভাগ করে নিন। কাজগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন করার মতো সময় হতে রাখবেন।
ক্লায়েন্টদের সাথে যথা সম্ভব আন্তরিক হোনঃ

নতুন একটি কাজ করার ক্ষেত্রে কাজটি সম্পর্কে প্রথমেই সম্পুর্ন কিছু জেনে নিন। নিজের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগান। প্রজেক্টটি সম্পর্কে আপনার কোনো ক্রিয়েটিভ আইডিয়া থাকলে তা ক্লায়েন্টকে জানান। অনেক ফ্রিল্যান্সাররাই এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয় না কিন্তু এর মাধ্যমেই আপনার সম্পর্কে ক্লায়েন্ট এর একটি ইতিবাচক ধারনা সৃষ্টি হবে যা ওই ক্লায়েন্ট থেকে আরও কাজ পাওয়ার সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দেবে। ক্লায়েন্ট এর সাথে যোগাযোগের সময় আন্তরিকতার প্রকাশ করুন।
সেইসাথে আরও একটি কথা, ইংরেজী ভাল বুঝতে পারলে ক্লায়েন্টদের সাথে যোগাযোগ করতেও সুবিধা। কারন Freelancing Marketplace-এ যোগাযোগের মাধ্যম হলো ইংরেজি। যোগাযোগের জন্য ক্লায়েন্টরা মেইল করতে পারেন, ম্যাসেজ পাঠাতে পারেন, আবার প্রয়োজনে স্কাইপিতে কথা বলতে চাইতে পারেন। সুতরাং আপনি যদি ক্লায়েন্টদের সাথে ইংরেজিতে যোগাযোগ করতে না পারেন তখন কিন্তু কাজ পাবেন না। যেহেতু ইংরেজী একটি আন্তর্জাতিক ভাষা সেহেতু এই ভাষাকে এড়িয়ে যাবার কোন সুযোগ নেই। তাই আপনার নিজের ভাষার পাশাপাশি ইংরেজীতেও দক্ষতা অর্জনের চেষ্টা করতে হবে। ইংরেজীতে দক্ষ হলেই Freelancing এ সাফল্য পাওয়া সহজ হবে।
Share:

Very Easy Affiliate program

এফিলিয়েট -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্ট হচ্ছে সিপিএ মার্কেটিং। CPA এর পূন রূপ হলো  Cost Per Action, এটি এডভাটাইজিং পেমেন্ট মডেল যাতে পেমেন্ট কিছু কাজের উপর নির্ভর করে দেয়া হয়। সেটা হতে পারে রেজিষ্টেশন, ইমেল সাবমিট, পিন সাবমিট অথবা ডাইনলোড । CPA মার্কেটিং জন্য এডয়ার্ক মিডিয়া ও পীরফ্লাই ১ম সারির CPA নেটোয়ার্ক।

What is CPA Marketing?
বর্তমান বাজারে CPA মার্কেটিং  এর বিরাট চাহিদা।  এডভাটাইজিং পেমেন্ট মডেলগুলোর ধারনাই পালটে দিয়েছে। এমাজনের এফলিয়েট মার্কেটিং এর কথা নিমেষেই বলা যায়। আমাজন আপনাকে শুধুমাত্র তখনি টাকা দিবে যখন আপনার মাধম্যে তাদের কোন প্রোডাক্ট সেল হবে। এটা আসলেই অনেকটা কষ্টসাধ্য ব্যপার। নতুন ইন্টারনেট মার্কেটার দের জন্যতো অনেকটা অসম্ভব। সেখানে CPA মার্কেটিং এ আপনাকে পে করা হবে কোন প্রোডাক্ট সেল করার বিনিময়ে নয়, নিদিষ্ট একটি কাজের বিনিময়ে।
গেমস ডাউলোট , ফরমপূরণ,ভিডিও , পন্য কেনা ইত্যাদি ।বপ প্রতিটা লিড বা ফর্ম পুরনের জন্য আপনি কত পাবেন ? CPA মার্কেটিং মাধ্যমে এর গড়ে প্রতিটা লিড থেকে $1-$4 আয় হয়। তারও বেশি আয় হয়ে থাকে। পন্যের মান বা সেবা, চাহিদার উপর আপনাকে মাকের্টি করতে হবে।
নিচের লিংকে যান।


Share:

Trusted Cpa Sites

Trusted Cpa Sites 

Income Must 100% Paid Guarantee          .....
             .              .         .      Click adf.ly Photos and Join now... Stated on  earn Dollar  .  . 
The average CPM for 26th August 2016. Unique = average amount paid for 1000 visitors in the 24-hour period. Raw = average amount paid on the 1st advert view for 1000 link views in the 24-hour period....... Details Next Page
  Adf.ly
 Adf.ly
The average CPM for 26th August 2016. Unique = average amount paid for 1000 visitors in the 24-hour period. Raw = average amount paid on the 1st advert view for 1000 link views in the 24-hour period...... Details Next Page

       
 Rate 2018

Share:

ফ্রিল্যান্সারের করণীয়

ফ্রিল্যান্সারের করণীয়

ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হতে হলে নিচের যোগ্যতাগুলো খুব জরুরী:

–       ধৈয্য শক্তি এ নিজের প্রতি অত্মবিশ্বাস জরুরী।
–       টাকাকে নয় কাজকে ভালবাসতে হবে।
–       ফ্রিল্যান্সিংকে শুধু পার্টটাইম হিসেবে না ফুলটাইম             ক্যারিয়ার ভাবা শুরু করতে হবে।
–       যত বেশি কিছুতে যত বেশি দক্ষ হবেন, সফল হতে             পারবেন তত বেশি।
–       ইন্টারনেটের উপর জীবনকে নির্ভরশীল করতে               পারলে ফ্রিল্যান্সিং সফল হবেন।
–       ইংরেজিতে যত ভাল হবেন,  আপনি জন্য তত বেশি সফল হবেন।
–       কমিউনিকেশন দক্ষতা ফ্রিল্যান্সিংয়ের সফলতা অনেক বাড়িয়ে দেয়।
–       সবসময় নিজের আরো বেশি দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নেশা থাকতে হবে।
–       যে যত বেশি গুগলের উপর নির্ভরশীল, তার সফলতার সম্ভাবনা তত বেশি।
–       প্রচন্ড ইচ্ছাশক্তি ছাড়া কিছুতেই সফল হওয়া যায়না।

টাকা চেয়ে কাজকে বেশি ভালবাসতে হবে: 
ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফলতার জন্য  টাকার লোভ ত্যাগ করে কাজে দক্ষতা অর্জনের দিকে বেশি নজর দিতে হবে।  দক্ষলোকদের সমাদর সবজায়গার মতই ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে। সেজন্য সবার প্রথমে বিভিন্ন রিসোর্স থেকে কাজ শিখে  সেগুলোর বাস্তবভিত্তিক কাজ করে দক্ষতা অর্জন করলেই অনলাইনে কাজের রেট এবং চাহিদা দুটি বৃদ্ধি পাবে। এরকম চাহিদাপূর্ণ অবস্থানে আসার জন্য অবশ্যই কিছুটা সময় দিতে হবে। মনে রাখবেন, অদক্ষ ব্যক্তিদের টাকার পিছনে দৌড়াতে হয়। কিন্তু দক্ষ ব্যক্তিদের পিছনে টাকা দৌড়ায়।

ফ্রিল্যান্সিংকে শুধু পার্টটাইম হিসেবে না ফুলটাইম ক্যারিয়ার ভাবা শুরু করতে হবে:
সময় এসেছে ফ্রিল্যান্সিং পেশাকে  পার্টটাইম চাকুরি না ভেবে ফুলটাইম হিসেবে নিতে হবে। তাহলে প্রত্যেকে কাজের ব্যাপারে আরো বেশি সচেতন হবে এবং দক্ষ হওয়ার ব্যাপারে আগ্রহী হবে। তখন বিদেশী বায়াররা এদেশের  ফ্রিল্যান্সারদেরকে কাজ দিতে আরো বেশি স্বস্তি পাবে।

ফ্রিল্যান্সিংকে পার্টটাইম ভাবার কারনে মূলত আমরা ৩ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি:
১) যখন ফ্রিল্যান্সিংকে ফুলটাইম হিসেবে ভাবা শুরু হবে তখন আরো বেশি মানুষের সম্পৃক্ততা বাড়বে। বৈদেশিক মুদ্রা আরো বেশি দেশে  ঢুকবে, যা সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতিতে বড় সুফল নিয়ে আসবে।

২) ফুলটাইম কাজ ভাবা শুরু করলে ফ্রিল্যান্সিং শুধুমাত্র অনলাইন আয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবেনা, ধীরে ধীরে  এটি তখন সম্মানজনক ক্যারিয়ার হিসেবে বিবেচিত হওয়া শুরু হবে। তখন প্রত্যেকের মধ্যে ভাল করার ব্যাপারে উৎসাহ আরো বাড়বে।

৩) দিনের সময়ের সর্বোচ্চ সময়টি ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য বরাদ্দ রাখতে পারছিনা। সেজন্য দক্ষ যেমন হতে পারছিনা, তেমনি কাজও বেশি করতে পারছিনা।



দক্ষতার সাথে যোগাযোগের  ফ্রিল্যান্সিংয়ের সফলতা অনেক বাড়িয়ে দেয়:
এক জরিপে  দেখা গেছে, যাদের যোগাযোগ দক্ষতা বেশি তারা অন্য সব জায়গার মত ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রেও সফল সবচাইতে বেশি হয়ে থাকে। যোগাযোগ দক্ষতা বলতে বুঝায়: বায়ারের বক্তব্য সঠিকভাবে বুঝতে পারা , বায়ারকে নিজের বক্তব্য সঠিকভাবে বুঝাতে পারা এবং সেই সাথে বায়ারকে কনভেন্স করতে  পারাটাই হচ্ছে, যোগাযোগের মৌলিক দক্ষতা।

যোগাযোগের এ মৌলিক দক্ষতা থাকলে বায়ার কাজ দিয়ে স্বস্তি পায়। আর সেজন্য একবার কাজ করলে পরের কাজটির ক্ষেত্রেও যথাসম্ভব চেষ্টা করেন, একই ফ্রিল্যান্সারকেই কাজটি দেওয়ার জন্য। কাজের দক্ষতা বৃদ্ধির সাথে সাথে যোগাযোগের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্যও চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। তাহলে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে খুব দ্রুত সফল হওয়া যাবে।

যত ভাল ইংরেজিতে  হবেন, তত বেশি সফল হবেন:
যে যত ভাল ইংরেজি পারে, সে তত বেশি ভালভাবে  বায়ারের সাথে সম্পর্কস্থাপন করতে পারে। কারণ বায়ারের নির্দেশনা বুঝতে তার অনেক বেশি সহজ হয়। বায়ারও যাকে দিয়ে কাজ করাবে, তার কথা জড়তা ছাড়া বুঝতে পারে। এ ধরনের ফ্রিল্যান্সারদের সাথে বায়ার ‍স্বাচ্ছন্দে যোগাযোগ স্থাপন  করতে পারে দেখে দীর্ঘদিনের কাজের সম্পর্ক  বজায় রাখে। বেশির ভাগ সময় দেখা যায়, শুধুমাত্র ভাষাগত সমস্যার কারনে কাজ দিয়ে সন্তুষ্ট করার পরও বায়ার এ ফ্রিল্যান্সারের কাছে আর নতুন কোন কাজ নিয়ে ফিরে আসেনা। একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার জন্য তাই নিজেকে ইংরেজিতে ধীরে ধীরে দক্ষ করে তোলার দিকে নজর দিতে হবে।

যত বেশি কিছুতে যত বেশি দক্ষ হবেন, সফল হতে পারবেন তত বেশি:
যদি একজন  ফ্রিল্যান্সারের কাছে একটি কাজের বাইরে অন্যান্য আরও কাজের সাপোর্টও পাওয়া যায়, তাহলে তার সাথে বায়ারের  দীর্ঘদিনের জন্য সম্পৃক্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সেজন্য সব কাজেই দক্ষতা তৈরি করতে পারলে ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে বায়ারদের কাছে নিজের চাহিদা বৃদ্ধি করা যায়। এক্ষেত্রে মাথাতে রাখতে হবে, সব কাজে সমান দক্ষতা অর্জন করাটা অনেক বেশি কষ্টকর। যেটা করতে হবে, কোনটি একটিতে  ভালো দক্ষ হতে হবে, বাকিগুলোতে মোটামুটি দক্ষ হলেই চলবে।

সবসময়  নিজের আরো বেশি দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নেশা থাকতে হবে:
ফ্রিল্যান্সার হিসেবে বহুদিন পযন্ত  বায়ারদের কাছে নিজের চাহিদা ধরে রাখার জন্য সবসময় নতুন কিছু  শিখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। ধরি, কেউ যদি এসইওর কাজের মাধ্যমে আউটসোর্সিং করে থাকেন, তাহলে প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময় এসইও সম্পর্কিত লিখা পাওয়া যায়, এরকম ব্লগগুলোর পোস্ট নিয়মিত পড়া উচিত। নতুন যত আপডেট আসছে, সব কিছু জেনে সেগুলোতে নিজেকে দক্ষ করতে  হবে।


প্রচন্ড ইচ্ছাশক্তি ছাড়া কিছুতেই সফল হওয়া যায়না:
যে কোন কাজের  সফলতার জন্য যেমন সবার প্রথমে দরকার ইচ্ছাশক্তি, ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রেও বিষয়টা ব্যতিক্রম না। প্রচন্ড ইচ্ছাশক্তি থাকলে ফ্রিল্যান্সিংয়ের সফল হওয়ার ব্যাপারে যত প্রস্তুতিমূলক পরিশ্রম  করা দরকার, সব কিছু করতে আগ্রহ থাকবে। সুতরাং কারও কথা শুনে হালকাভাবে লক্ষ্য নিয়ে নামলে ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনাটা ৯৫%। কিন্তু যদি নিজের তীব্র ইচ্ছা থাকে এবং একাগ্রতা থাকে, তাহলেই ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হবেন।

যে যত বেশি গুগলের উপর নির্ভরশীল, তার সফলতার সম্ভাবনা তত বেশি:
কোন সমস্যাতে পড়লে সে বিষয়ে জানার জন্য কোন ব্যক্তির কাছে প্রশ্ন না করে, সে বিষয়ে গুগলকে প্রশ্ন করা  উচিত। গুগলের উপর এ নির্ভরশীলতা জানার পরিধি অনেক বাড়িয়ে দেয়। গুগলে খোজ করলে অনেকগুলো উত্তর পাওয়া যাবে, যা চিন্তা শক্তিকে বাড়াবে। ফ্রিল্যান্সিংয়ের সফলতার জন্য শুরু থেকেই গুগলের উপর নির্ভরশীলতা  বাড়াতে হবে।


ইন্টারনেটের উপর জীবনকে নির্ভরশীল করতে পারলে ফ্রিল্যান্সিং সফল হবেন:
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করলেই কাজ পেয়ে যায়না। এরকম সফলতার জন্য  শুরুর দিকে কষ্ট অনেক বেশি করতে হয়। আর এজন্য ইন্টারনেটে দিনের বেশিরভাগ সময় ব্যয় করা উচিত। শুধু ফেসবুকে সময় ব্যয় না  করে, বিভিন্ন ব্লগ, ফোরাম, ভিডিও কিংবা অন-লাইনের অন্য জায়গাগুলো প্রতিদিনের বড় একটা সময় ব্যয় করার অভ্যাস নিজের মধ্যে গড়ে তুলতে হবে। এসব জায়গাগুলোতে সারাবিশ্বের বিভিন্ন বড় বড় ফ্রিল্যান্সাররা তাদের অভিজ্ঞতার  আলোকে বিভিন্ন বিষয় শেয়ার করে। এগুলো সত্যিকারেরভাবে অনেক কিছু নতুন অনেক কিছু শিখতে এবং সবকিছুর বিষয়ে আরো অ্যাডভান্স হতে সহযোগিতা করে।


ধৈয্য শক্তি এ সেক্টরের জন্য অত্যন্ত  গুরুত্বপূর্ণ:
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার আগে ধৈয্য শক্তি বাড়িয়ে নেওয়া উচিত। কাজ শিখতেও ধৈয্য নিয়ে শিখতে হবে।  পরে শুরুতে কাজ পাওয়ার জন্য বহুদিন ধৈয্য সহকারে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হয়। এমন হতে পারে, কাজ শিখার পর ১ম কাজের অর্ডার পেতে ১বছরও লেগে যেতে পারে। কিন্তু তারপরও ধৈয্য হারালে চলবেনা।  চেষ্টা চালিয়ে  যেতে হবে, নিজেকে দক্ষ করতে হবে, বায়ারের  কাছে কাজ চাওয়ার ধরনে  পরিবর্তন এনে দেখা যেতে পারে। হতাশ না হয়ে কাজ পাওয়ার ব্যাপারে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

আপনার সফল ফ্রিল্যান্সার  হতে হলে উপরের বিষয়গুলো নিজের ভিতরে নিয়ে আসার চেষ্টা শুরু করে দিতে হবে। বর্তমান  আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকার  চ্যালেঞ্জে জিততে  হলে নিজের মধ্যে বিশেষ কিছু থাকতেই হবে। কাজের দক্ষতার পাশাপাশি অধ্যাবসায়, ধৈয্য এবং নতুন কিছু শিখার নেশা সফলদের কাতারে পৌছিয়ে দিবে। আশা করি আমার লেখা আপনাদের কাজ আসবে। আপনার জন্য রহল শুভ কামণা। ধন্যবাদ।

Share:

বাংলায় আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিং

মার্কেটপ্লেসে আপনার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে  আপনার কাজের চাহিদা।  আপনার সহজ কাজগুলোর মধ্যে আছে Search Engine Optimization, Article writing, Data Entry ইত্যাদি। যেহেতু কাজগুলো সহজ, সেহেতু এগুলোতে বিডিং হয় সবচেয়ে বেশি এবং এগুলো সহসা পাওয়া খুব কঠিন হয়ে যায়। এগুলোর চাইতে একটু কঠিন কাজ হল Software Development, Graphics Designing, Web Development, Product Development,  ইত্যাদি। কঠিন কাজগুলোতে সহজ কাজের চাইতে পে-মেন্ট বেশি হয়ে থাকে।


আপনার কাজটি করবেন সেটি নির্ভর করে আপনি কোন্ কাজে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন এবং মার্কেটপ্লেসে তার চাহিদা কেমন। সবসময় এই দুটো বিষয়ের ওপর ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করুন। আপনার কাজটি কতটা জটিল, এটি সম্পন্ন করতে কত সময় লাগবে এবং অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে রেট নির্ধারিত হয়। ফিক্সড পেমেন্টের কাজগুলো ৩০ ডলার থেকে শুরু করে ১০০০ বা তারও বেশি ডলারের হয়।


আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিং আগ্রহীদের জন্য কিছু টিপস

আপনি কিভাবে বিড করবেন : 

সাধারণত বিড ২ ভাগে করা যায় : 
Project Fee: কোনো একটি প্রজেক্ট যখন মার্কেটপ্লেসে দেওয়া হয়, তখন আপনি পুরো প্রজেক্টটি সম্পন্ন করতে কত পারিশ্রমিক নিবেন তা নিয়ে বিডিং করতে পারেন।
Hourly Rate: এই পদ্ধতিতে আপনি কোনো একটি প্রজেক্টের জন্য কাজ করতে প্রতি ঘন্টায় কত পারিশ্রমিক নেবেন, তা নিয়ে বিড করতে পারেন।
টাকা তুলবেন কিভাবে
১.  Bank-to-Bank Wire Transfer: অনেক মার্কেটপ্লেস থেকে সরাসরি টাকা আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নিয়ে আসতে পারবেন। তবে সব মার্কেটপ্লেস থেকে এটি করা যায় না, সেক্ষেত্রে অনলাইনে টাকা লেনদেনের বিভিন্ন সার্ভিস ব্যবহার করতে পারেন। এই পদ্ধতিতে প্রথমে আপনার অর্থটি ডলার হিসেবে মার্কেটপ্লেসে আপনার অ্যাকাউন্টে জমা হবে। টাকা পাবার পর সেটি আপনি Skrill (প্রাক্তন Moneybookers) বা এ ধরনের কোনো মানি সার্ভিসের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনাকে মার্কেটপ্লেস ভেদে ট্রান্সফার ফি দিতে হতে পারে। এরপর Skrill থেকে সেই টাকাটি আপনি আপনার দেশের কোনো ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে নিয়ে আসতে পারবেন। এই ধাপে ব্যাংক আপনার কাছ থেকে আরেকটি ট্রান্সফার ফি কেটে নিতে পারে। এক্ষেত্রে আপনার খেয়াল রাখতে হবে যে ব্যাংকটির যেনো অবশ্যই একটি SWIFT Code থাকে। নতুবা আপনার টাকা Skrill থেকে ট্রান্সফার হবে না। পুরো প্রক্রিয়াটি প্রথম ট্রান্স্যাকশনের ক্ষেত্রে প্রায় এক মাস লাগে। পরবর্তী Transaction গুলো সাত দিনের মধ্যেই হয়ে যায়। বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর SWIFT Code পেতে নিচের লিংকটি দেখতে পারেনঃ
http://www.theswiftcodes.com/bangladesh/

২. পেওনিয়ার কার্ড (Payoneer Card): নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার বিনিময়ে আপনি আপনার মার্কেটপ্লেস থেকে যেকোনো সময়ে অর্থ উত্তোলন করার জন্য একটি কার্ড পেতে পারেন। এটি এক রকম ডেবিট কার্ডের মত। এই কার্ড দিয়ে আপনি পৃথিবীর যেকোন স্থান থেকে ATM এর মাধ্যমে যেকোন সময়ে আপনার মার্কেটপ্লেসে জমানো টাকা তুলতে পারবেন। এই কার্ড দিয়ে টাকা উত্তোলনের পাশাপাশি অনলাইনে কেনাকাটাও করতে পারবেন। এমনকি এর মাধ্যমে বিদেশে অবস্থিত আপনার কোন আত্মীয় বা বন্ধুবান্ধব তাদের মাস্টারকার্ড বা ভিসা কার্ড থেকে আপনাকে টাকা পাঠাতে পারবেন।

৩. ক্লায়েন্ট কাছ থেকে সরাসরি ট্রান্সফারঃ যখন কেউ একজন আপনার রেগুলার ক্লায়েন্ট হয়ে যাবেন, তখন তার কাছ থেকে প্রজেক্ট পেতে আপনার আর মার্কেটপ্লেসে যেতে হবে না। তিনি সরাসরি আপনার সাথে ই-মেইল বা অন্য কোনো উপায়ে যোগাযোগ করে প্রজেক্ট দিবেন এবং প্রজেক্টের পে-মেন্ট আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ট্রান্সফার করবেন।

ফ্রিল্যান্সারদের চ্যালেঞ্জসমূহ : 
ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে কাজ করতে গেলে অপার সম্ভাবনার পাশাপাশি কিছু কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি-ও হতে হয়। যেমনঃ-

কাজ করার সুনির্দিষ্ট কোনো সময় নেই, ক্লায়েন্ট যখন চাইবেন তখনই তাকে কাজের অগ্রগতি দেখাতে হবে। এটি আপনার প্রাত্যহিক ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে।
যারা নতুন ফ্রিল্যান্সিং করছেন তাদের মাসিক আয় যথেষ্ট পরিমাণে ওঠানামা করতে পারে।
সব ক্লায়েন্টের প্রতিশ্রুতি এক রকম থাকে না, কাজ শেষ হয়ে গেলেও কেউ কেউ সম্পূর্ণ পে-মেন্ট প্রতিশ্রুত সময়ের চেয়ে দেরিতে দেন।
বাংলাদেশে এই পেশাটি এখনও সামাজিকভাবে তেমন একটা স্বীকৃতি পায় নি। তবে দ্রুতই মানুষের দৃষ্টিভঙ্গী বদলে যাচ্ছে।
কিছু ব্যতিক্রমী মার্কেটপ্লেস
Odesk.com, Elance.com, Freelancer.com- এই প্রচলিত সাইটগুলো ছাড়াও ব্যতিক্রমি কিছু ফ্রিল্যান্সিং করার সাইট আছে। সংক্ষেপে সেগুলোর একটি বর্ণনা এখানে দেওয়া হল।

themeforest.net: থিমফরেস্ট গ্রাফিক্স ডিজাইনিং কাজের একটি জনপ্রিয় সাইট । গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা এখানে তাঁদের ডিজাইন টেমপ্লেট বিক্রি করতে পারেন এবং ডেভেলপার হলে ডিজাইনের পাশাপাশি এইচটিএমএল এবং সিএসএস কোডিংও বিক্রি করা যায়। থিমফরেস্টে থিম বিক্রি হয়, আর গ্রাফিক্স বিক্রি করার জন্য গ্রাফিকরিভার, কোড বিক্রি করার জন্য কোডক্যানিয়ন, স্টক ফটোগ্রাফি বিক্রি করার জন্য ফটোডিউন এবং থ্রিডি অ্যানিমেশন বিক্রির জন্য থ্রিডিওশান বেশ জনপ্রিয় মার্কেটপেস।
এরকম ব্যতিক্রমী কিন্তু জনপ্রিয় আরও দুটি মার্কেটপ্লেস হল designcrowd.com এবং fiverr.com

99designs.com : গ্রাফিক ডিজাইন নির্ভর এই সাইটটিতে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কাজের পুরস্কার প্রদান করা হয়। আর এ সাইটের পুরস্কারের টাকার পরিমাণ অন্য যেকোনো সাইটের তুলনায় বেশ ভাল। এখানে ক্লায়েন্ট তার চাহিদা অনুযায়ী কাজের বিবরণ দিবেন, কাজটি পাওয়ার জন্য আপনাকে কোন দরখাস্ত করতে হবে না। তার বর্ননা করা চাহিদা অনুযায়ী আপনি ডিজাইন করবেন এবং তা প্রতিযোগিতার পেইজে আপলোড করবেন। আপনার ডিজাইনটি সংশ্লিষ্ট ক্লায়েন্ট দেখবেন। আপনার মত আরও অনেক ডিজাইনার তাঁর নিজের ডিজাইন আপলোড করবেন ক্লায়েন্টের কাছে। ক্লায়েন্ট এর যে ডিজাইন পছন্দ হবে তিনি সেটিই বেছে নেবেন এবং সবশেষে পারফেক্ট ডিজাইনারকে পুরস্কার বা প্রজেক্টের টাকা প্রদান করবেন।


আলোচ্য বিষয় : 
১. ফ্রিল্যান্সিং প্রজেক্টগুলোর একটি বড় অংশ আসে পশ্চিমা দেশগুলো থেকে, তাদের সাথে আমাদের সময়ের পার্থক্য ৫ থেকে ১২ ঘন্টা। সহজ প্রজেক্টগুলো পোস্ট হবার প্রায় সাথে সাথেই বিডিং শুরু হয়ে যায়। তাই আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারের শুরুতে রাতের বেলা বিড করতে হবে।

২. কাজটি জেনুইন কিনা বুঝতে সবার আগে যিনি প্রজেক্টটি পোস্ট করেছেন তার অ্যাকাউন্টটি ভালো করে পর্যবেক্ষণ করুন। তার সম্পর্কে অন্যদের ফিডব্যাকগুলো দেখে নিন। তিনি পেমেন্ট ভেরিফাইড কিনা সেটা দেখুন। বিড করার পর প্রজেক্ট পেয়ে গেলে তাকে প্রশ্ন করুন যে তিনি কিভাবে পে-মেন্ট দিতে চান, কবে দিতে পারবেন।
৩. আধুনিক প্রযুক্তিগত উন্নতির দিকে চোখ রাখুন। সব সময় আপনার কাজের মান উন্নয়ন করতে চেষ্টা করুন। এটি আপনার ভাল প্রোফাইল ধরে রাখতে সহায়তা করবে।

৪. সহসাই কোনো প্রজেক্টের প্রস্তাব গ্রহণ না করে একটু ভেবে দেখুন কাজটি আপনি ১০০ ভাগ সম্পূর্ণ করতে পারবেন কিনা।

৫. কোনো কোনো মার্কেটপ্লেসে বিডিং করার সময় একটি Cover letter দিতে হয়। এক্ষেত্রে Cover letter টি প্রাসঙ্গিক, হতে হবে। সব কয়টি Cover letter এ একই ধরনের Template ব্যবহার করবেন না। চেষ্টা করুন আপনার সব কয়টি Cover letter নিজে থেকে বানাতে, এতে আপনার সৃজনশীলতা প্রকাশ পাবে।

৬. আপনার কাজের জায়গাটি সর্বদা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন। কাজের মাঝে বিশ্রাম নিতে ভুলবেন না। আপনার প্রাত্যহিক কাজগুলো মনে রাখতে একটি ছোটো নোটবুক সাথে রাখতে পারেন।

৭. কাজের চাপ সামাল দিতে শিখুন। ফ্রিল্যান্সিং পেশায় সব সময় কাজের চাপ সমান থাকে না। যখন চাপ অনেক বেশি থাকে তখন নিজেকে নিয়ন্ত্রন করাটা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এর জন্য পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে একটি ভালো খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন। সময়ানুবর্তীতা বজায় রাখুন।

৮. ক্লায়েন্টের সাথে যেকোন ধরনের যোগাযোগ অথবা অডিও/ভিডিও ইন্টারভিউ এর সময় পেশাদারী পোশাক এবং ব্যবহার বজায় রাখুন।
৯. ভালো ক্লায়েন্ট ধরে রাখার চেষ্টা করুন। সব ক্লায়েন্টের কাছ থেকে আপনি একই ব্যবহার পাবেন না, যার ব্যবহার ভালো তাকে ধরে রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন। ভবিষ্যতে তার হাত ধরেই আপনি ভালো প্রজেক্ট পেতে পারেন।

১০. আপনি যেই মার্কেটপ্লেসে কাজ করছেন সেখানে Escrow সার্ভিস থাকলে সেটির সর্বোচ্চ ব্যবহার করুন। Escrow হল মার্কেটপ্লেসে টাকা জমা রাখার একটি সার্ভিস যা কাজের শেষে আপনার পারিশ্রমিক পাওয়া নিশ্চিত করে। কোনো একটি প্রজেক্টের বিষয়ে কথা বলার সময় আপনি ক্লায়েন্টকে অনুরোধ করতে পারেন পারিশ্রমিকের পুরো টাকাটি Escrow তে জমা রাখতে। Escrow তে একবার টাকা রাখার পর তা ক্লায়েন্ট ফিরিয়ে নিতে পারবেন না। প্রজেক্টের কাজ শেষ হয়ে গেলে তিনি Escrow থেকে আপনার অ্যাকাউন্টে টাকা Discharge করে দিবেন। যদি আপনার ক্লায়েন্ট টাকা না দেন, তাহলে এই Escrow সার্ভিসের মাধ্যমে আপনার পাওনা টাকা যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট দাবী করতে পারবেন।

১১. কোনো কোনো প্রজেক্টের জন্য Employer ইন্টারভিউ এর ব্যবস্থা রাখেন। যেসব প্রজেক্টের জন্য ইন্টারভিউ শুরু হয়ে গেছে সেগুলোতে বিড না করাই ভালো, কারণ ইন্টারভিউ যেহেতু শুরু হয়ে গেছে, সুতরাং সেগুলো থেকে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম থাকে।

১২. আপনার কাজ ক্লায়েন্টের পছন্দ হয়েছে কি-না তা জিজ্ঞেস করতে ভুলবেন না। ক্লায়েন্টের feedback থেকে আপনি অনেক কিছু শিখতে পারবেন।

আউটসোর্সিংয়ে বাংলাদেশ
বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় তিনটি মার্কেটপ্লেস হলো Odesk.com, Freelancer.com, Elance.com। এই তিনটি সাইটেই খুব ভালো অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

অপর জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস ইল্যান্সেও প্রথম সারিতে রয়েছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে ইল্যান্স কর্তৃপক্ষ কন্ট্রাক্টর বাই জিওগ্রাফি ক্যাটাগরিতে শীর্ষ ২৫টি দেশের নাম প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশের নাম। শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। প্রকাশিত তথ্যমতে, সাইটটিতে বর্তমানে বাংলাদেশি নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সার ৩৯ হাজার ১৯৫ (৬ এপ্রিল ২০১৩ সাল পর্যন্ত)। এখানে বাংলাদেশিদের প্রতি ঘন্টায় গড় কাজের মূল্য ৯ ডলার। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা এই সাইট থেকে ৪৯ লাখ ইউএস ডলার আয় করেছে।

আউটসোর্সিংয়ের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান ওডেস্ক। ফ্রিল্যান্সিং-এর সবচেয়ে বড় এই মার্কেটপ্লেসে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ৩য়। বর্তমানে ৭০০০ সক্রিয় বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার রয়েছে ওডেস্কে এবং বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ দিন দিন বেড়েই চলেছে। এই কারণে ওডেস্কের উদ্যোগে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘কনট্রাক্টরস অ্যাপ্রিপ্রিয়েশন ডে (২০১২) এবং ওডেস্কের পক্ষ থেকে কয়েক দফা বাংলাদেশে সফরে এসেছেন ওডেস্কের শীর্ষস্থানীয় সব কর্মকর্তা। ২০০৯ সালে ওডেস্কের মোট কাজের ২ শতাংশ করতেন বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা। ২০১২ সাল নাগাদ যা গিয়ে দাঁড়ায় ১২ শতাংশে। ২০১২ সালের প্রান্তিকে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা ওডেস্কে ৭ লাখ ২০ হাজার ঘন্টা কাজ করেছেন।

ফ্রিল্যান্সার ডটকমে ২৫ হাজারের বেশি নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সার রয়েছে বলে জানা গেছে। দ্বিতীয় জনপ্রিয় সাইট ফ্রিল্যান্সার ডটকমেও বাংলাদেশিদের অবস্থান সন্তোষজনক। এ সাইটটিতে বাংলাদেশিরা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এবং সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের কাজই বেশি করে থাকেন। সর্বশেষ স্ত্রিপ্টল্যান্সডটকম সাইটটি ফ্রিল্যান্সার কর্তৃক কিনে নেয়ায় বাংলাদেশি অনেক প্রোগ্রামার এখন ফ্রিল্যান্সার ডটকমে কাজ শুরু করেছেন।

বাংলাদেশিরা মূলত Data Entry এবং SEO/SEM/SMM-এর কাজ বেশি হয়। এছাড়া Software Development, Writing & Content, Web Development, Design, এবং Multimedia & Architecture সহ অন্যান্য কাজের পরিমাণ কম না। ওয়েব ডেবেলপমেন্ট বা সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট সংক্রান্ত প্রকল্পে ব্যয় বেশি। এধরণের কাজগুলোতে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের আরও বেশি সম্পৃক্ত হতে হবে। দেখা যায় বাংলাদেশি একজন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার যেখানে প্রতি ঘন্টার জন্য ৩ থেকে ৫ ডলার মূল্যে কাজ করেন সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের একজন ওয়েব ডেভেলপার প্রতি ঘন্টার জন্য ৩০ থেকে ১০০ ডলার পর্যন্ত চার্জ করে থাকেন। কেবল তাঁর দক্ষতার কারণেই এত বিপুল পরিমাণ অর্থ তিনি চার্জ করতে পারছেন। এক্ষেত্রে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের আরো দক্ষতা অর্জন করা দরকার।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ফিল্যান্সিং এর অবদান
 আউটসোর্সিং শিল্পের দিকে। ২০১২ সালে ৩৬৫ কোটি টাকারও বেশি আয় করেছেন বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা। ২০১৫ সালে সর্বমোট ৪৪৩ বিলিয়ন ডলার সমপরিমাণের কাজ আউটসোর্স হবে। আমরা যদি এর ১০% মার্কেট শেয়ার নিতে পারি তাহলে সেটা প্রায় ৪৫ বিলিয়ন ইউএস ডলার এবং ৫% মার্কেট শেয়ার নিলে সেটা হবে প্রায় ২৩ বিলিয়ন ইউএস ডলার, যা কিনা আমাদের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের বর্তমানের সবচেয়ে বড় খাতকেও অতিক্রম করবে।
বাংলাদেশে প্রায় ৫০ শতাংশই মহিলা। আর এ মহিলাদের একটা বিশাল অংশ জাতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলে- এমন কাজ খুব কমই করেন।  তাদের একটা বড় অংশ চাইলে বাসায় বসে প্রতিদিন ৩-৪ ঘন্টা সময় দিলে প্রতি ঘন্টা ১ ডলার হিসাবে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩-৪ ডলারও ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করতে পারেন। মোট কর্মক্ষম লোকের সংখ্যা যদি ৭ কোটি হয় তাহলে নারী আছে ৩.৫ কোটি। এর মধ্যে শিক্ষিত তরুণী এবং মহিলা যদি অর্ধ কোটিও হয় এবং তাঁদেরকে ফ্রিল্যান্সার হিসাবে গড়ে তোলা সম্ভব হয় তবে প্রতিদিন ১.৫ কোটি ডলার আয় আসবে এ ক্ষেত্র থেকে। বছরে এ আয়ের পরিমাণ দাড়াবে ৫০০ কোটি ডলারে। ধন্যবাদ সাথেই থাকবেন। 
Share:

Supper ptc site lists

Supper ptc site

Per click                     Ref click              Payout               Ads/ day                       Payment Processors 
0.001-0.01                    50%                      $2                       15                                 paypal, payza         

 dfdfdf
Per click                Ref click                   Payout                Ads/ day                       Payment Processors
0.001                        40%                        $0.5                       16                                 paypal, payza         

3. Cashons
 cashons
Per click                   Ref click             Payout              Ads/ day                       Payment Processors
0.01-0.01                        20%                   $8                      10                                  paypal, payza  
 ddfdf
Per click                Ref click                  Payout              Ads/ day               Payment Processors
0.001                      40%                      $2                     16                     paypal, payza   

Per click           Ref click                   Payout                    Ads/ day                    Payment Processors       
0.02                   50%                         $4                             70                            paypal, payza               

 clixten
Per click                 Ref click             Payout              Ads/ day                       Payment Processors
 0.001.                         10%                   $2                       55                                 paypal, payza   

7. Paidverts
 dddd
Per click            Ref click                  Payout                 Ads/ day                         Payment Processors
0.01-$0.001                 5%                            $1                        30                        paypal, payza, STP, PM, Ego

 buxp
Per click                Ref click                 Payout                    Ads/ day                          Payment Processors
0.01-0.006                        50%                   $6.99                          60                                  paypal, payza 

 gptplanetbd
Per click                  Ref click                      Payout                  Ads/ day                    Payment Processors 
0.001                          10%                        $1                           16                             paypal, payza         
f
 minimum
 Per click         Ref click            Payout               Ads/ day           Payment Processors 
   0.01               10%                    $1                        80                         paypal, payza    

innocurrent
In this site you can earn credits for every task and each credit worth is $0.0005 and once you have 10,000 credits then you can convert this into $5 and withdraw this amount using different option.

এখান থেকে আইডি খুললে, আপনার আইডি নিরাপদ। আপনার আইডি তে সমস্যা হলে ঠিক করা যাবে। অতএব সর্তকতার থাকুন। ধন্যবাদ ..... incomeonbd.blogspot.com
Share:

Language Translate

Online Marketplace

1. Café Press 2. Zazzle, 3. Bonanza, 4. Etsy, 5. Online Auction.com, 6. Overstock.com, 7. NewEgg, 8. Craigslist, 9. ebay, 10. Amazon

Labels

categories

Powered by Blogger.