Showing posts with label PC Tips. Show all posts
Showing posts with label PC Tips. Show all posts
কিভাবে সহজেই Payza একাউন্ট খোলবেন? | Payza accunt to easy way |
Payza মাস্টার কার্ড বাংলাদেশের জন্য অনুমোদিত । যা অনলাইন মার্কেটারদের জন্য টাকা আদান প্রদান আরো সহজ হয়ে গেছে। নিচের ভিডিওটির দেখুন কিভাবে ফ্রি একাউন্ট ক্রিয়েট করবেন।
পেজার নতুন একাউন্ট করতে লিংকে ক্লিক করুন Link :
পিসি চালু হতে বেশি সময় নিচ্ছে! কি করবেন?
Outsourcing Line :
কখনও আপনার কম্পিউটার চালু হতে বেশি সময় নিচ্ছে! কি করবেন?
আপনার কম্পিউটার চালু হতে বেশি সময় নিলে ধরে নেওয়া যায় অনেক বেশি প্রোগ্রাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হওয়া বা ‘স্টার্টআপ আইটেম’ হিসেবে সক্রিয় হয়ে আছে। এ ব্যাপারটা খুবই সাধারণ। কম্পিউটার ব্যবহারে ধীরে ধীরে বিভিন্ন সফটওয়্যার ইনস্টলের ফলে স্টার্টআপ তালিকায় এসব ঢুকে পড়ে। ফলে কম্পিউটার যখন চালু হয়, স্বাভাবিকভাবেই সেসব প্রোগ্রামও একই সঙ্গে চালু হতে থাকে। ফলে কম্পিউটার চালু হয়ে পুরোপুরি কাজের উপযুক্ত হতে হতে সময় চলে যায় অনেকটা।

বিষয়টি তাই একটু বিরক্তিকরও বটে। এসব ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু বিষয় অনুসরণ করে কম্পিউটার চালুর ক্ষেত্রে সময় কমিয়ে আনা সম্ভব। এ সমস্যায় বর্তমানে অনেকেই পড়েন। কম্পিউটারের গতি কমে যাবে বলে অবশ্য নতুন কোনো সফটওয়্যার কম্পিউটারে ইনস্টল করা বন্ধ করাটাও কোন সমাধান নয়। মোটেই না বরং নিশ্চিত করতে এসব সফটওয়্যার প্রয়োজন ছাড়া যেন সব সময় চলতে না পারে।
এতে কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা অনেকটাই বেড়ে যাবে।
কোন প্রোগ্রাম স্বয়ংক্রিয় তালিকায় থাকতে পারে?
কম্পিউটারে কিছু প্রোগ্রাম স্বয়ংক্রিয় ভাবেই থাকে। এর মধ্যে উল্লেলেখযোগ্য অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম, ফায়ারওয়াল বা নিরাপত্তা অ্যাপ, বাংলা লেখার সফটওয়্যার, সিস্টেম বা ব্যাটারি তদারকির প্রোগ্রাম, বার্তা আদান-প্রদানের সফটওয়্যার (যেমন স্কাইপ), ক্লাউডভিত্তিক অ্যাপ (যেমন ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ) ইত্যাদি। কীভাবে এগুলো বন্ধ করবেন? Windows Key+R চেপে রান চালু করে তাতে লিখুন msconfig এবং ওকে করুন।
সিস্টেম
কনফিগারেশন উইন্ডো চালু হলে ওপরের স্টার্টআপ ট্যাব নির্বাচন করুন। যেসব প্রোগ্রাম কম্পিউটার চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজে থেকেই চালু হয়ে যায় তার একটা তালিকা এখানে পাবেন। প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলো স্টার্টআপ আইটেমের তালিকা থেকে টিক উঠিয়ে দিয়ে ওকে করুন।
কখনও আপনার কম্পিউটার চালু হতে বেশি সময় নিচ্ছে! কি করবেন?
আপনার কম্পিউটার চালু হতে বেশি সময় নিলে ধরে নেওয়া যায় অনেক বেশি প্রোগ্রাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হওয়া বা ‘স্টার্টআপ আইটেম’ হিসেবে সক্রিয় হয়ে আছে। এ ব্যাপারটা খুবই সাধারণ। কম্পিউটার ব্যবহারে ধীরে ধীরে বিভিন্ন সফটওয়্যার ইনস্টলের ফলে স্টার্টআপ তালিকায় এসব ঢুকে পড়ে। ফলে কম্পিউটার যখন চালু হয়, স্বাভাবিকভাবেই সেসব প্রোগ্রামও একই সঙ্গে চালু হতে থাকে। ফলে কম্পিউটার চালু হয়ে পুরোপুরি কাজের উপযুক্ত হতে হতে সময় চলে যায় অনেকটা।

বিষয়টি তাই একটু বিরক্তিকরও বটে। এসব ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু বিষয় অনুসরণ করে কম্পিউটার চালুর ক্ষেত্রে সময় কমিয়ে আনা সম্ভব। এ সমস্যায় বর্তমানে অনেকেই পড়েন। কম্পিউটারের গতি কমে যাবে বলে অবশ্য নতুন কোনো সফটওয়্যার কম্পিউটারে ইনস্টল করা বন্ধ করাটাও কোন সমাধান নয়। মোটেই না বরং নিশ্চিত করতে এসব সফটওয়্যার প্রয়োজন ছাড়া যেন সব সময় চলতে না পারে।
এতে কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা অনেকটাই বেড়ে যাবে।
কোন প্রোগ্রাম স্বয়ংক্রিয় তালিকায় থাকতে পারে?
কম্পিউটারে কিছু প্রোগ্রাম স্বয়ংক্রিয় ভাবেই থাকে। এর মধ্যে উল্লেলেখযোগ্য অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম, ফায়ারওয়াল বা নিরাপত্তা অ্যাপ, বাংলা লেখার সফটওয়্যার, সিস্টেম বা ব্যাটারি তদারকির প্রোগ্রাম, বার্তা আদান-প্রদানের সফটওয়্যার (যেমন স্কাইপ), ক্লাউডভিত্তিক অ্যাপ (যেমন ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ) ইত্যাদি। কীভাবে এগুলো বন্ধ করবেন? Windows Key+R চেপে রান চালু করে তাতে লিখুন msconfig এবং ওকে করুন।
সিস্টেম
কনফিগারেশন উইন্ডো চালু হলে ওপরের স্টার্টআপ ট্যাব নির্বাচন করুন। যেসব প্রোগ্রাম কম্পিউটার চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজে থেকেই চালু হয়ে যায় তার একটা তালিকা এখানে পাবেন। প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলো স্টার্টআপ আইটেমের তালিকা থেকে টিক উঠিয়ে দিয়ে ওকে করুন।
কম্পিউটারের গতি বাড়ান সহজেই
Outsourcing Line :
নতুন কম্পিউটারে কাজের গতি থাকে দারুণ। কিন্তু ধীরে ধীরে কমতে থাকে এর গতি। এটি ঘটে থাকে মূলত কিছু অপ্রয়োজনীয় স্পাইওয়্যার, অ্যাড এবং
কম্পিউটার ভাইরাসের কারণে। আপনি চাইলেই কিছু পদক্ষেপের মাধ্যমে আপনার
কম্পিউটারের গতি বাড়িয়ে নিতে পারবেন।
রেজিস্ট্রি পরিষ্কার রাখুন
কম্পিউটারের গতি কমে যাওয়ার প্রধান একটি সমস্যা রেজিস্ট্রি। স্পাইওয়্যার বা ভাইরাসের অন্যতম লক্ষ্য থাকে কম্পিউটারের রেজিস্ট্রিতে হামলা করা। এতে করে আপনার কম্পিউটার আপনার প্রয়োজন মোতাবেক কাজ করতে ব্যর্থ হয়। তাই আপনার প্রথম কাজ নিয়মিত রেজিস্ট্রি পরিষ্কার রাখুন। আপনি যেকোনো তৃতীয় পক্ষের সফটওয়ারের সাহায্যে এই কাজটি করতে পারবেন। যেমন অ্যাডভান্সড সিস্টেম কেয়ার। মুছে ফেলুন অপ্রয়োজনীয় ফাইল
আমরা যখন ইন্টারনেটের দুনিয়ায় বিচরণ করি, তখন কিছু অস্থায়ী ফাইল আপনার কম্পিউটারে জমা হয়। যা শুধু একবারেই আপনার প্রয়োজন হয়। এই ফাইলগুলো ধীরে ধীরে আপনার সিস্টেমের গতির ওপর প্রভাব ফেলে। তাই আপনি নিজে এই ফাইলগুলো মুছে ফেলতে পারেন। মুছে ফেলুন অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার আমরা প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে অনেক সফটওয়ার কম্পিউটারে ইনস্টল করি। যেসব সফটওয়্যার একবার ব্যবহার করে ফেলে রাখি, সেসব সফটওয়্যার আন-ইনস্টল করে
দিন। এতে করে আপনার কম্পিউটারের র্যা ম ফাঁকা থাকবে এবং আপনার কম্পিউটারের
গতি বাড়িয়ে দেবে। ফাঁকা রাখুন রিসাইকেল বিন। কম্পিউটার থেকে মুছে ফেলা ফাইল রিসাইকেল বিনে জমা হয়। রিসাইকেল বিনে জমা হওয়া বেশি সংখ্যক ফাইলও কম্পিউটারের গতি কমিয়ে ফেলে। তাই নিয়মিত রিসাইকেল বিন পরিষ্কার রাখা জরুরি।
ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্ট করুন। কম্পিউটারের ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ডেটাগুলোকে এক জায়গায় এনে পিসির পারফরম্যান্স বা অ্যাকসেস গতি বাড়িয়ে দেয় ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্ট সুবিধাটি। প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার মাই কম্পিউটারের প্রতিটি ড্রাইভের ডিফ্রাগমেন্ট করা হলে পিসির গতি অনেক বেড়ে যায়।
সাইবার হয়রানিতে করনীয়।
Outsourcing Line :
সাইবার অপরাধ থেকে সচেতন হোন। প্রতিরোধ করুন। বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, সাইবার অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। তাদেরকে অবশ্যই শাস্তির আওতায় আনা হবে। বুধবার রাতে রেডিও স্বাধীন ৯২.৪ এফএমে ‘সাইবার ক্রাইম’ বিষয়ক এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা
বলেন। তিনি আরও বলেন, উপযুক্ত
প্রমাণ পেলে অবশ্যই তাকে শাস্তির আওতায় এনে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নারী স্বাস্থ্য ও নির্যাতন প্রতিরোধ বিষয়ক
এই অনুষ্ঠানটির নাম মায়া আপা কি বলে?। যা প্রচারিত হয় প্রতি বুধবার রাত
১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত। উক্ত অনুষ্ঠানে পলক ফোনের মাধ্যমে শ্রোতাদের সাইবার
ক্রাইম বিষয়ক নানা প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেন। শ্রোতাদের এক প্রশ্নের
জবাবে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সম্মানের ভয়ে নারীরা সাইবার অপরাধের বিষয়ে
কোনও অভিযোগ করেন না। তবে অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আইন অনুযায়ী অপরাধীর
বিরুদ্ধে ব্যবস্থা রাখার বিধান রয়েছে। সাইবার অপরাধ বিষয়ে সবাইকে সচেতন
থাকারও পরামর্শ দেন তিনি।
মায়া ডট কম ডট বিডি ও ব্র্যাকের সহযোগিতায় রেডিও স্বাধীনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন সঙ্গীত শিল্পী এলিটা করিম।
দেশের জনগণকে সাইবার হয়রানি থেকে সুরক্ষা দিতে গঠিত হয়েছে 'সাইবার
হেল্প লাইন'। সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ (আইসিটি) গঠিত
সাইবার হেল্পলাইন দেখভাল করছে ইনসাইট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন নামের একটি
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা। কোনও ধরনের সাইবার অপরাধ সংঘটিত হলে বা সাইবার
হয়রানি হলে ০১৭৬৬৬৭৮৮৮৮ এই নম্বরে জানাতে বলা হয়েছে। সাইবার হয়রানি থেকে
সুরক্ষা পেতে এই হেল্পলাইন সব ধরনের পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করে।
বলেন। তিনি আরও বলেন, উপযুক্ত
প্রমাণ পেলে অবশ্যই তাকে শাস্তির আওতায় এনে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।নারী স্বাস্থ্য ও নির্যাতন প্রতিরোধ বিষয়ক
এই অনুষ্ঠানটির নাম মায়া আপা কি বলে?। যা প্রচারিত হয় প্রতি বুধবার রাত
১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত। উক্ত অনুষ্ঠানে পলক ফোনের মাধ্যমে শ্রোতাদের সাইবার
ক্রাইম বিষয়ক নানা প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেন। শ্রোতাদের এক প্রশ্নের
জবাবে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সম্মানের ভয়ে নারীরা সাইবার অপরাধের বিষয়ে
কোনও অভিযোগ করেন না। তবে অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আইন অনুযায়ী অপরাধীর
বিরুদ্ধে ব্যবস্থা রাখার বিধান রয়েছে। সাইবার অপরাধ বিষয়ে সবাইকে সচেতন
থাকারও পরামর্শ দেন তিনি।
মায়া ডট কম ডট বিডি ও ব্র্যাকের সহযোগিতায় রেডিও স্বাধীনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন সঙ্গীত শিল্পী এলিটা করিম।
দেশের জনগণকে সাইবার হয়রানি থেকে সুরক্ষা দিতে গঠিত হয়েছে 'সাইবার
হেল্প লাইন'। সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ (আইসিটি) গঠিত
সাইবার হেল্পলাইন দেখভাল করছে ইনসাইট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন নামের একটি
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা। কোনও ধরনের সাইবার অপরাধ সংঘটিত হলে বা সাইবার
হয়রানি হলে ০১৭৬৬৬৭৮৮৮৮ এই নম্বরে জানাতে বলা হয়েছে। সাইবার হয়রানি থেকে
সুরক্ষা পেতে এই হেল্পলাইন সব ধরনের পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করে।
অ্যান্টিভাইরাস ছাড়া পিসির সুরক্ষা | PC OK with Out Anti-virus |
Outsourcing Line :
অ্যান্টিভাইরাস না থাকার কারণে আপনার প্রিয় পিসি তে সমস্যার সৃষ্টি হতেপারে। আর নেটে কাজকরলে তো কথায় নাই। তো আজ নিয়ে এলাম আপনার জন্য টিপস। অ্যান্টিভাইরাস ছাড়াই পিসি সুরক্ষিত ইন্টারনেট থেকে কম্পিউটারে ভাইরাস সংক্রমণ হয়। পেনড্রাইভ, ডিস্ক, মেমরি কার্ড ও অন্যান্য এঙ্টারনাল ডিভাইসের মাধ্যমেও কম্পিউটারে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। যা অপনার অজান্তেই থেকে যায়। এক সময় তা ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
এ অবস্থায় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে। তবে অ্যান্টিভাইরাস কম্পিউটারের সব ভাইরাস চিহ্নিত করতে এবং সেগুলো মুছে ফেলতে পারে না। অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার র্যামের বেশি পরিমাণ জায়গা দখল করার কম্পিউটার অনেক ধীরগতির হয়ে যায়। প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম। তাই এক্সটারনাল ড্রাইভ থেকে যাতে কম্পিউটারে ভাইরাস প্রবেশ করতে না পারে, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। যেহেতু ভাইরাস ইনফেক্টেড এক্সটারনাল ডিভাইস (যেমন পেনড্রাইভ) ওপেন করার পরই ভাইরাস পিসিতে প্রবেশ করে, তাই এগুলো কম্পিউটারে সংযোগ দেওয়ার পর তা সরাসরি ওপেন না করাই ভালো। যেসব কম্পিউটারে এক্সটারনাল ড্রাইভ স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয় সেগুলোতে অটোরান বন্ধ করে নিতে হবে। অটোরান বন্ধ করার জন্য start থেকে run-এ গিয়ে gpedit.msc টাইপ করতে হবে। এরপর ok বাটনে ক্লিক করলে নতুন উইন্ডো আসবে। এখান থেকে computer configuration সিলেক্ট করুন। এখান থেকে administrative templates->system-এ যান। এখান থেকেturn off autoplay-তে ডাবল ক্লিক করুন। এবার ‘turn off autoplay’ enable করুন এবং ‘turn off autoplay on’ ড্রপ-ডাউন বক্স থেকে ‘All drives’ সিলেক্ট করুন, এরপর ok বাটনে ক্লিক করুন। কম্পিউটারে সব ধরনের ডিভাইসের অটোরান বন্ধ হয়ে যাবে। এক্সটারনাল ড্রাইভগুলো থেকে কম্পিউটারে ডেটা আদান প্রদান করার সময়ও ভাইরাস ঢুকে পড়তে পারে; তবে ড্রাইভ না খুলেই ডেটা আদান-প্রদান করতে কম্পিউটারে একটি সফটওয়্যার ইনস্টল করে নিতে হবে। www.explorerxp.com/explorerxpsetup.exe থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করা যাবে। সফটওয়্যারটি রান করলে কম্পিউটারে থাকা সবগুলো ড্রাইভ দেখা যাবে। এখান থেকে পেনড্রাইভে প্রবেশ করে ডেটা কপি করা যাবে। কোনো ফাইলে যদি ভাইরাস থাকে, তাহলে সেটি নোটিফিকেশন আকারে দেখিয়ে দেবে সফটওয়্যার। ওই ফাইলটি কম্পিউটারে নেওয়া যাবে না। কোনো ফোল্ডারের নামের সঙ্গে .exe এক্সটেনশন থাকলে তা অবশ্যই ভাইরাস - এগুলো কম্পিউটারে না নেওয়াই ভালো।সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। outsourcingline

















