সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার টিপস।

!!!ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হতে হলে নিচের যোগ্যতাগুলো খুব জরুরী: – ধৈয্য শক্তি এ নিজের প্রতি অত্মবিশ্বাস জরুরী। – টাকাকে নয় কাজকে ভালবাসতে হবে। – ফ্রিল্যান্সিংকে শুধু পার্টটাইম হিসেবে না ফুলটাইম ক্যারিয়ার ভাবা শুরু করতে হবে।

প্রতি ক্লিকে আয় করুন

অবসরে বসে না থেকে প্রতিদিন ৫ থেকে ১৫ ডলার আয় করুন। পোস্টগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়লে। ইনশাল্লাহ আয় করতে পারবেন। প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন।

scarlet clicks000

!!!THE BEST PAYMENT POROCESSOR!!! Join Payeer Now for Free.Add Money in over 35 diffrent Ways and pay on PTC Sites!Commessions 100% per ads click $0.01 to $0.02. you can payout on $2 payment Pzyza, Paypal. Perfect Money. Payeer. Traffice Exchange, Surfratio. so Join us Ptc Market Place. Enjoy life.

Neobux

!!!THE BEST PAYMENT POROCESSOR!!! Join Payeer Now for Free. Add Money in over 35 diffrent Ways and pay on PTC Sites! Add and Safe Bitcoins in seperate BTC Wallet! !!!Recommended!!! Commessions 100% per ads click $0.01 to $0.02. you can payout on $2 payment Payza, Paypal. Perfect Money. Payeer. Traffice Exchange, Surfratio. so Join us Ptc Market Place. Enjoy life.

Paidverts

!!!THE BEST PAYMENT POROCESSOR!!! Join Payeer Now for Free.Add Money in over 35 diffrent Ways and pay on PTC Sites! Add and Safe Bitcoins in seperate BTC Wallet! !!!Recommended!!! Commessions 100% per ads click $0.01 to $0.02. you can payout on $2 payment Pzyza, Paypal. Perfect Money. Payeer. Traffice Exchange, Surfratio. so Join us Ptc Market Place. Enjoy life.

Innocurrent

!!THE BEST PTC!!! Join Now | Proofs: 1 .Guaranteed Daily earning VERY TRUSTED PROGRAM !!! Earn Up to $0.02 for every website visited.U.S. registered company / Very fast Payouts Commessions 100% per ads click $0.01 to $0.02. you can payout on $2 payment Pzyza, Paypal. Perfect Money. Payeer. Traffice Exchange, Surfratio. so Join us Ptc Market Place. Enjoy life.

Legacyclix

!!!THE BEST PAYMENT POROCESSOR!!! Join Payeer Now for Free.Add Money in over 35 diffrent Ways and pay on PTC Sites!Commessions 100% per ads click $0.01 to $0.02. you can payout on $2 payment Pzyza, Paypal. Perfect Money. Payeer. Traffice Exchange, Surfratio. so Join us Ptc Market Place. Enjoy life.

Clixten

!!!THE BEST PTC!!! Join Now | Proofs: 1 High Trusted! Earn Up To $0.01 Per Click !!!Recommended!!! Earn up to $0.01 per referral click / Trusted Since 2014 2.00$ Minimum Cashout via Payza and PM within 24 hours! Commessions 100% per ads click $0.01 to $0.02. you can payout on $2 payment Pzyza, Paypal. Perfect Money. Payeer. Traffice Exchange, Surfratio. so Join us Ptc Market Place. Enjoy life.

Go to The average CPM for 26th August 2016. Unique = average amount paid for 1000 visitors in the 24-hour period. Raw = average amount paid on the 1st advert view for 1000 link views in the 24-hour period...... Details Next Page

দেখে নিন : কলেজ পড়ুয়া ছাত্র/ ছাত্রীদের আর্নি শুরু | সহজ ৭টি মাধ্যম থেকে

কলেজে লেখাপড়ার পাশাপাশি আপনিও আপনার মূলবান সময়টুকু ব্যয় করছেন ফেইসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন রকম সামাজিক যোগাযোগের সাইটে। আমি পূর্বে দিনগুলোকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেগুলোতে সময় ব্যয় করতাম। তবে এখন সময় ব্যয় করি অনলাইন আর্নি ও লেখাপড়ারতে। এখন আমি ভাবি কেন আমি এ সময় টুকু ঐ সমস্ত সামাজিক যোগাযোগের সাইটে ব্যয় না করে ব্লগিং বা অনলাইন মার্কেট প্লেজে ব্যয় কাটালাম না।

10

কিভাবে সহজেই Payza একাউন্ট খোলবেন? | Payza accunt to easy way |

Payza মাস্টার কার্ড বাংলাদেশের জন্য অনুমোদিত । যা অনলাইন মার্কেটারদের জন্য টাকা আদান প্রদান আরো সহজ হয়ে গেছে।   নিচের ভিডিওটির দেখুন কিভাবে ফ্রি একাউন্ট ক্রিয়েট করবেন।

পেজার নতুন একাউন্ট করতে লিংকে ক্লিক করুন  Link :
Share:

linkshrink যে ভাবে account Create করবেন ভিডিও সহ

linkshrink একটি শর্ট  লিংক সাইট। যার মাধ্যমে লিংক শর্ট করা হয়। আর এর মাধ্যমেই আয় করা যায়। আপনার লিংকের ভিজিটরও দেখতে পারবেন । নিচের ভিডিওতে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। ধন্যবাদ।







Share:

linkbucksmedia যে ভাবে account Create করবেন ভিডিও সহ

linkbucks এর মাধ্যমে লিংক শর্ট করা হয় এবং সেই লিংকের মাধ্যমে আয় করা যায়। নিচের ভিডিওটিতে linkbucks সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। কিভাবে একাউন্ট খোলবেন কিভাবে আয় করবেন ।
 






Share:

adf.ly যে ভাবে account Create করবেন ভিডিও সহ

বর্তমান সময়ে adf.ly একটি জনপ্রিয় এ্যাড সাইট যার মাধ্যমে আপনি লিংক শর্ট
 করে আয় করতে পারেন। আমি খুবই সংক্ষিপ্ত ভাবে আলোচনা করব । কারণ নিচের লিংকের ভিডিওতে আমি সম্পূর্ণ ভাবে বলার চেষ্টা করেছি। আপনি কিভাবে একাউন্ট খোলবেন এবং কিভাবে লিংকগুলোর মাধ্যমে আয় করবেন।





Share:

অনলাইনে আয় করার কিছু লিংক ও নির্দেশনা

অনলাইনে অনেক ভাবেই আয় করা যায়। এর মধ্যে কিছু গুরুত্বর্পূণ সাইটের তালিকা ও খুব সংক্ষিপ্ত আকারে বণনা দেওয়া হলো।

১. একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরী করুন এবং অ্যাডভার্টাইজিং নেটওয়ার্ক । যেমন মনেকরেন, গুগল অ্যাডসেন্স বা ক্রয়বিক্রয়(buysell) অ্যাড এর মাধ্যমে আয় করতে পারেন। আপনি চাইল গুগল ডাবলক্লিক এর মাধ্যমেও সরাসরি আয় করতে পারেন। অনেকের কাছেই অ্যাডসেন্স অ্যপ্রুভ করা ঝামেলার বিষয়। কিভাবে অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভ করবেন প্রয়োজনীয় নিদের্শাবলী দেখুন অ্যাডসেন্স নিদের্শনা দেওয়া থাকে।

২.নিজের অনলাইন স্টোর তৈরী করুন তা নিজস্ব ডোমেইন বা সপিফাই (shopify),স্কয়ার (লিংক: http://www.squarespace.com )স্পেস এ হতে পারে। যেকোন বস্তু খাবার থেকে শুরু করে ডিজিটাল পণ্য সবই সেল করতে পারেন।

৩.যে কোন বিষয়ের উপর বই লিখুন। তা কিন্ডেল স্টোর , গুগল, বা আইবুক এ প্রকাশ করুন। আপনি চাইলে ই বুক হিসাবে অন্য রিটেইলার দের কাছে ও বিক্রয় করতে পারেন। অন্য রিটেইলার বিক্রয়ের জন্য স্মাশউড ( Smashwoods )বা বুকবেবি (BookBaby) ব্যবহার করতে পারেন।

৪.মেইলচিম্পের মাধ্যমে ইমেইল নিউসলেটার সেল করে আয় করতে পারেন। স্পন্সর বা সাবস্ক্রাইবার খুজে বের করতে হবে । যেখানে ভিজিটররা নিউসলেটার পাওয়ার জন্য টাকা দিয়ে সাবস্ক্রাইব করবে। HackerNewletter, NowIKnow এবং Launch.co এই ধরনের কাজের ভাল উদাহরণ হতে পারে।

৫. নিজের ইউটিউব চ্যানেল খুলুন এবং ইউটিউবের পার্টনার হয়ে যান। আপনি Oneload সাইটটি ব্যবহার করে আপনার ভিডিওটি অনেক সাইটে ছড়িয়ে দিতে পারেন।

৬. সৃজনশীল কিছু তৈরী করুন যেমন হ্যান্ডবেগ জুয়েলারি পেইন্টিং বা কুটিরশিল্প ইত্যাদি এবং তা বিক্রয় করতে পারেন ইটসি, আর্টফায়ার বা ই-বে তে বিক্রয় করতে পারেন।

৭. গ্রাফিক্স ডিজাইনের মাধ্যমে টি-শার্টের ডিজাইন করুন এবং www.threadless.com, জাজে বা ক্যাফেপ্রেস এ রাখুন। আর খুব সহজেই বিক্রয় করুন।

৮. কোন একটি বিষয়ে ভাল অভিজ্ঞতা থাকলে আপনি ইউডেমি Udemy বা স্কিল শেয়ারের SkillShare শিক্ষক হিসাবে যোগদান করুন আপনার প্রিয় বিষয় নিয়ে টিউটোরিয়াল তৈরী করুন। গিটার থেকে শুরু করে সাহিত্য ইয়োগা থেকে বিদেশী ভাষা যেকোন কিছু আপনি আন্তর্জাতিকভাবে শেখাতে পারেন।

৯. ওয়েব সাইটের কোডিং শিখুন । গুরু Guru , ই-ল্যান্স eLance , আপওয়ার্ক , বি-ল্যান্সার এর মত মার্কেট প্লেস এ সফট্‌ওয়ার ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টে কাজ করুন।

১০. ভার্চুয়াল অফিস অ্যাসিস্টেন্ট হিসাবে প্রশাসনিক বা টেকনিক্যাল কাজে দুরবর্তী সহায়তা করতে পারেন। এক্ষেত্রে ই-ল্যান্স, টাস্কর বিট TaskRabbit বা আপওয়ার্ক এ প্রচুর কাজ পাবেন।

১১.স্ক্রিপ্ট রাইটার হিসাবে যেমন কোন ব্রাউজার এর এক্সটেনশন প্লাগিন,মোবাইল অ্যাপস (অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোন) তৈরী করে আয় করুন । এক্ষেত্রে কোডকেনিওন CodeCanyon , চুপা Chupa বা বিনপ্রেস BinPress এ আপনার কোডটি বিক্রয় করে আয় করতে পারেন।

১২. অনলাইনের কাজের মধ্যে ডাটা এন্ট্রির কাজে আমাদের দেশে খুবই জনপ্রিয়। ডাটা এন্ট্রি জব, ট্রান্সক্রাবিং কিংবা ভিজিটিং কার্ড তৈরী করে আয় করতে পারেন। এজন্য মেকানিক্যাল টার্ক Mechanical Turk ব্যবহার করতে পারেন।

১৩. সৃজনশীল কাজ যেমন লোগো ডিজাইন,ব্যানার ডিজাইন,ওয়েব ডিজাইন অন্যান্য মার্কেটিং এর উপাদানগুলো তৈরী করে অনলাইনে আয় করা সম্ভব। এক্ষেত্রে ৯৯ডিজাইন 99Designs , ক্রাউডস্প্রিং CrowdSpring , ডিজাইনক্রাউডের DesignCrowd মত সাইটগুলো থেকে আয় করা যায়। ১৪. আপনার কি ভাল কন্ঠ আছে। আপনার যদি ইংরেজীতে জড়তা না থেকে থাকে তবে উমানো, ভয়েসবানী VoiceBunny , ভয়েস১২৩ Voice123 ভয়েস আর্টিষ্ট হিসাবে কাজ করে আয় করতে পারেন।

১৪.অনেকেই আছেন যারা ভাল গান করেন। আপনি যদি ভাল গান করে থাকেন অ্যামাজন এমপিথ্রি, আইটিউন , প্যান্ডোরা,স্পটিফাই এর গান গুলো বিক্রয় করতে পারেন। এজন্য ডিস্ট্রোকিড DistroKid , টিউনকোর Tunecore, লাউডার এফএম loudr.fm বা সিডিবেবির CDBaby সাহায্য নিতে পারেন। আপনি চাইলে সরাসরি আপনার অডিও ফাইল গুলো অডিও জংগল AudioJungle, পন্ড৫ Pond5 বিক্রয় করতে পারেন।

১৫.আপনি কি ফটোগ্রাফি করেন,আপনার ফটোগ্রাফি যদি ভাল হয় তবে ক্রিয়েটিভ মার্কেট Creative Market ,ফটোদুন PhotoDune, আইস্টকফটো iStockPhoto , ইমেজ এম্বেডেড ImgEmbed এ আপনার তোলা ছবি গুলো বিক্রয় করতে পারেন।

১৬. পুরোনো অব্যবহৃত জিনিসপত্র,শিশুদের খেলনা, দুর্লভ বই বা অতি প্রাচীন বা শখের বস্তুগুলো খুব সহজে বিক্রয় করতে পারেন ইবে, ক্রেগলিষ্ট,বিক্রয় ডট কম, কিংবা সেলবাজার এর মত সাইটে বিক্রয় করতে পারেন।

১৭. আপনি একজন ওয়েবসাইট ব্যবহার কারী হিসাবেও আয় করতে পারেন। যে কোন ওয়েবসাইট টেষ্ট করুন, সুন্দর রিভিউ লিখুন একজন ব্যবহারকারী হিসাবে সাইটের সুবিধা অসুবিধাগুলো লিখে আয় করুন। ইউজারটেস্টার UserTesting সাহটের সাহায্যে আয করুন।

১৮.আপনি হয়ত বিভিন্ন সময় আপনার বন্ধু বান্ধবদের টেকনোলজির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সাহায্য করেছেন। তাহলে অনলাইনে কেন নয় ? স্কাইপে স্ক্রিন শেয়ার, বা গুগল ক্রোমের দুরবর্তী স্ক্রিন শেয়ারের মাধ্যমে টেকনোলোজি সাপোর্ট দিয়ে খুব সহজে আয় করতে পারেন।

১৯.ফিভার Fiverr ও পিপলস পার আওয়ার PeoplePerHour এ অ্যাকাউন্ট করুন । এখানে সারা বিশ্বের অনেক বায়াররা বিভিন্ন ধরনের কাজ দিয়ে থাকে। এখানে অনুবাদের কাজ থেকে শুরু করে গ্রাফিক্স ডিজাইন এসইও এবং অন্যান্য কাজ পাওয়া যায়।

২০.আপনি আপনার ওয়েবসাইট পুন বিক্রয় করেও আয় করতে পারেন। ফ্লিপপা Flippa , গো-ড্যাডি অকশন GoDaddy Auctions , সিডো Sedo ইত্যাদি সাইটে আপনি আপনার ওয়েবসাইট পুনরায় বিক্রয় করতে পারেন । ২৫. সর্বশেষ আপনি অনলাইন ব্যতীত অফলাইনে যেসকল ব্যবসার কথা চিন্তা করতে পারেন সবই অনলাইনে প্রয়োগ করা সম্ভব।


২১. অ্যামাজন Amazon বা অন্যান্য অনলাইন স্টোরের অ্যাফিলিয়েটর হিসাবে অনেক ভাল আয় করা সম্ভব। এক্ষেত্রে ভিজিলিংক Vigilink, শেয়ারএসেল ShareASale, কমিশন জাংশন CJ বা লিংক শেয়ার LinkShare এর মত সাইটগুলো অনেকভাল কাজ করে।

২২. অনলাইনে টিউশন এর মাধ্যমে আয় করা সম্ভব। যেখানে অনলাইনে ক্লাস নেওয়া,ছাত্রছাত্রীদের সাহায্য করার কাজ পাওয়া যায়।টিউটর ডট কম Tutor.com, ইন্টাএডু InstaEdu, টিউটোরিয়াল ভিসা TutorVista এর মত সাইটে খুব সহজেই অনলাইন শিক্ষক হওয়ার আবেদন করে অনলাইনে টিউশন করতে পারেন।

২৩. বিদেশীদের জন্য বাসা ভাড়া দিয়েও আয় করা যায়। আপনার ঘরে যদি খালি জায়গা থাকে তাহলে আপনার কি কি জিনিসপত্র আছে আজই লিষ্ট তৈরী করে ফেলুন। এয়ারবিএনবি Airbnb কুসসার্ফিং Couchsurfing আপনাকে সাহায্য্ করবে।

উপরের লিংকগুলোকে খুবই সংক্ষিপ্ত আকারে বলা হয়েছে। বিস্তারিত জানার জন্য এই সাইটের লিংকগুলোতে দেখতে পারেন। সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
Share:

ব্লগিং এর অফুরন্ত আয় করুন

ব্লগিং কি:
প্রত্যেকটি কাজের জন্য ধারাবাহিক নিয়ম আছে। আর অনলাইনে আয়ের জন্য নিময় মেনে কাজ করা অত্যন্ত জরুরী। কথা না বাড়িয়ে বিষয়ে আসি । ব্লগিং কি? প্রত্যহিক জীবনের কিছু ঘটনা বা কোন নির্দিষ্ট ঘটনা নিয়ে ধারাবাহিক ভাবে লিখা বা কোন একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর ধারাবাহিক ভাবে লিখার মাধ্যমে ইন্টারনেটে সবার সাথে শেয়ার করাকে ব্লগিং বলে। যে সব ওয়েব সাইটে ব্লগিং করা হয় তাদের ব্লগ বলে। এ ব্লগিং বিভিন্ন বিষয়ের উপর হতে পারে। যেমন আপনার জীবন নিয়ে, সাহিত্য নিয়ে রাজনীতি নিয়ে, অর্থনীতি নিয়ে, বিনোদন নিয়ে, কোন ঘটনা, গল্প-কবিতা,  ইন্টারনেটের বা কম্পিটারের কোন বিষয় নিয়ে লেখা ইত্যাদি।

ব্লগিং কত প্রকার:
প্রধানত ব্লগিংকে আমরা ২ ভাগে ভাগ করতে পারি।
১) ব্যাক্তিগত ব্লগ বা অলাভজনক ব্লগ
২) নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর ব্লগ / লাভজনক ব্লগ
যেহেতু আমরা ফ্রিলান্সিং নিয়ে আলোচনা করতেছি এখানে আমরা এখানে ২ নং ব্লগ নিয়ে আলোচনা করব।
ব্লগিং অনলাইনে আয় করার জন্য খুব একটি বড় মাধ্যম। ব্লগিং এর মাধ্যমে অনেকেউ অর্থ আয় করছে। বাংলাদেশের অনেকেঐ চাকুরির পাশাপাশি ব্লগিং করে অনেক টাকা আয় করছে।
ব্লগিং এ এডসেন্স এর মাধ্যমে, রিভিও পোষ্টের মাধ্যমে, এ্যাড বিক্রির মাধ্যমে আয় করা যায় । 

ব্লগিং-এর মাধ্যমে আয় করতে হলে আমাদের যা যা করতে হবে :
১) ব্লগিং এর মাধ্যমে আয় করতে হলে আপনাকে অবশ্যই একটি নিদিষ্ট বিষয়ের উপর ব্লগিং করতে হবে। কারন একটি নিদিষ্ট বিষয় এর উপর ব্লগিং করলে আপনি আপনার মনযোগ শুধুমাত্র একটি বিষয়ের উপর দিতে পারবেন। অন্যথাই মনোযোগ দিতে পারবেন না। অন্যথায় আপনার সময় নষ্ট হবে। নিদিষ্ট বিষয় নিয়ে কাজ করলে আপনার ব্লগিং করতে সুবিধা হবে।
আপনাকে নিদিষ্ট বিষয়টি পছন্দ করতে হবে। যা আপনি নিয়মিত লিখতে পারবেন বা পোষ্ট দিতে পারেন। কারন ব্লগিং এর মূল মন্ত্র হল ভিজিটররা এসে যাতে আপনার ব্লগ থেকে কিছু শিখতে পারে এবং জানতে পারে। আপনি যদি নিজেই কিছু না জানেন তাহলে আপনি আপনার ভিজিটরকে কি জানাবেন। তাই বুঝে শুনে ব্লগিং এর বিষয় নির্ধারন করবেন। নির্বাচনের ক্ষেত্রে অপেক্ষাকৃত কম প্রতিযোগিতাপূর্ন বিষয় নির্বাচন করা উচিত। যেমন আপনি সফ্টওয়ার এর উপর ব্লগ বানাতে চান কিন্তু অনলাইন মার্কেটে সফ্টওয়ার নিয়ে প্রতিযোগিতা বেশী। এতো বিশাল প্রতিযোগিতার মধ্য আপনি সাফল্য নাও পেতে পারেন।তাই এ বিষয়টি ভেবে অপেক্ষাকৃত কম প্রতিযোগিতাপূর্ন বিষয় নিয়ে ব্লগিং করতে হবে তাতে আপনার সাফলতা হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
২) বিষয় নির্বচনের পর আপনাকে একটি Domain name & Hosting Space কিনতে হবে।
৩) এখন আ্পনাকে ব্লগ তৈরির জন্য একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। ব্লগ তৈরির জন্য বিনা খরচে জি-মেইল দিয়ে একটি ব্লক সাইট তৈরি করতে পারেন। পরবর্তীতে আপনি ডোমেন রদবদল করতে পারবেন। প্রথম দিতে ডোনেম বা হোস্টিং এর জন্য টাকা না খরচ করায় ভাল হবে।
৪) এবার যে বিষয়টি পছন্দ করেছেন সে বিষয়ের উপর ধারাবা্হিক ভাবে পোষ্ট তৈরৈ করতে থাকেন।
৫) এভাবে আপনার পোষ্ট ১০-১২ টা হলে Adsense এর কোড বসান। Adsense সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন এখানে
৬) ব্লগিং এর মাধ্যমে আয় করতে চাইলে আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটে নিয়মিত SEO(Search EngineOptimization) করতে হবে। এজন্য আপনাকে SEO সম্পর্কে জানতে হবে। মনে রাখবেন ব্লগে যত বেশী ভিজিটর আপনার লাভ বা আয় তত বেশী। তাই বিভিন্ন উপায়ে আপনার ব্লগের ভিজিটর বাড়াতে হবে। এ জন্য SEO(Search Engine Optimization) একটা বড় ব্যাপার। Search Engine থেকে সাফল্য পাবার একমাত্র মাধ্যম হলো ব্লগের SEO করা।

ব্লগ থেকে আয়ের মাধ্যমগুলো :
ব্লগ থেকে Adsense ছাড়াও আরো অনেক উপায় আছে। আর এ আয় করার জন্য আপনার ব্লগ সাইটটি খুব জনপ্রিয় করতে হবে। জনপ্রিয় বলতে আমি বুঝিয়েছি প্রতিদিন আপনার সাইটে প্রচুর ভিজিটর থাকবে এবং তারা নিয়মিত কমেন্ট লিখবে। নিচে ব্লগ হতে আয়ের উপায় গুলো বর্ননা করা হল
রিভিও পোষ্টের মাধ্যমে:
আপনার ব্লগ পপুলার হলে বিভিন্ন কোম্পানি তাদের পন্য বা ওয়েবসাইটের জন্য আপনার ব্লগে রিভিও দিতে চাইবে। এই রিভিও লিখার জন্য এবং আপনার ব্লগে তা প্রকাশ করার বিনিময়ে ঐ কোম্পানি আপনাকে নিদিষ্ট পরিমান অর্থ দিবে।
ব্যানার অ্যাডের মাধ্যমে:
ব্যানার অ্যাডের ব্যাপারটা অনেকটা রিভিও পোষ্টের মতঐ। তবে এখানে আপনাকে কোন আর্টিকেল লিখতে হবে না। কোন প্রতিষ্ঠান তাদের পন্য বা সেবার প্রচার এর জন্য বিভিন্ন ব্লগে তাদের পন্য বা সেবার ব্যানার অ্যাড দেয়।আপনার ব্লগ যদি জনপ্রিয় হয় তাহলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আপনার ব্লগে ব্যানার অ্যাডের মাধ্যমে এড দিবে। যা থেকে আপনি নিদিষ্ট পরিমান অর্থ পাবেন।
ব্যাক লিংক বিক্রি করে:

আপনার ব্লগ সাইটের  Google Page Rank যদি ৩ বা তার বেশী হয় এবং Alexa Ranking এ যদি ভালো অবস্থানে থাকে তাহলে আপনি ব্যাকলিংক বিক্রি করে প্রচুর আয় করতে পারেন। seo  এর ক্ষেক্রে ব্যাক লিংক খুব গুরত্বপূর্ন ব্যাপার। সাধারনত একটি ওয়েবসাইটে অন্য একটি ওয়েবসাইটের লিংক দিলে সেই লিংকটি দ্বিতীয় ওয়েবসাইটের ব্যাকলিংক হবে।ব্যাক লিংকের মাধ্যমে প্রচুর অর্থ আয় করা যায়। সাধারনত আপনার পেজ রেন্ক ৬ অথবা ৭ হলে আপনি একটি ব্যাকলিংক ১০০ থেকে ১৫০ ডলার পর্যন্ত বিক্রি করতে পারবেন। ব্লগের পেজ রেন্ক বের করতে ক্লিক করুন এখানে ।তবে ব্লগিং করার প্রথমে কেউ আপনার কাছ থেকে ব্যাক লিংক ক্রয় করবে না । এজন্য আপনার ব্লগকে পপুলার করতে হবে। I mean ভিজিটর বাড়াতে হবে।
ভাল ব্লগার হবার জন্য করনীয়:
আপনি যদি আশা করেন আপনি যে কোন বিষয়ের উপর ব্লগ করলেন আর সে ব্লগে হুরমুর করে ভিজিটর আসা শুরু করবে এবং বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে। তাহলে সে আশা একবারে বৃথা যাবে। কারন একজন ভিজিটর কেন আপনার সাইটে আসবে কেনঐ বা বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে? যদি একজন ভিজিটর মনে করে আপনার সাইট হতে সে অনেক কিছু শিখতে পারছে এবং ভবিষ্যতে আরো অনেক কিছু শিখতে পারবে তাহলে ঐ সে নিয়মিত আপনার সাইটে আসবে। তাহলে আপনার করনীয় কি?
ভিজিটর উপযোগী করে ব্লগটি তৈরি করা। আর সেজন্য আপনাকে ভালো ব্লগার হতে হবে। একজন ভালো ব্লগার হতে যা যা করনীয় তা নিচে দিওয়া হল।
১) ব্লগিং এর বিষয় নির্বাচনের সময় লক্ষ রাখবেন যে বিষয়টি আপনি পছন্দ করলেন সেটি সর্ম্পকে আপনি প্রচুর লিখতে পারেন এবং সে বিষয়ে ইন্টারনেটে প্রচুর চাহিদা আছে।
২) নিয়মিত ব্লগিং এর বিষয়ে ইন্টারনেটে ঘাটাঘাটি করেন।
৩) কখনো অন্য কারো লিখা নকল করবেন না।যদি নকল করতেই হয় তাহলে যার লেখা নকল করছেন তার অনুমতে নিন।
৪) আপনার নির্বাচিত বিষয়টি নিয়ে অন্যান্য যারা ব্লগ বানিয়েছে তাদের সাথে সর্ম্পক বজায় রাখুন এবং গুরত্বপূর্ন বিষয়গুলি শেয়ার করুন।
৫) পাঠকের মন্তব্যের গঠনমূলক উত্তর দিবেন। কোনভাবেঐ গাল মন্দ বা খারাপ কথা বলবেন না। এতে ভিজিটর হারানোর সম্ভাবনা থাকে।
৬)পোষ্ট লিখার সময় মনোযোগ দিয়ে লিখেন এবং লক্ষ রাখবেন যা লিখতে চাচ্ছেন তা যেন লিখার মাঝে ভালো ভাবে প্রকাশ পায়।
৭) পাঠক আপনার কাছে কি কি নতুন বিষয়ের উপর লিখা চায় তা জানতে চেষ্টা করেন এবং সে বিষয়ে লিখেন।
ব্লগ তৈরি করার পর করনীয়:
আপনার ব্লগ তৈরির সময় এবং এর পরে আপনার বেশ কিছু করনীয় আছে তা নিচে দেওয়া হল।
৮) ব্লগ তৈরির সময় লক্ষ রাখবেন এটি যেন SEO বান্ধব হয়।
৯) সাইটের ব্যাকগ্রাউন্ডে কোন অহেতুক কোন ছবি বা সাউন্ড ব্যাবহার করবেন না। এতে সাইট লোড হতে অনেক সময় লাগে এবং পাঠক বিরক্ত হয়।
১০) সাইটের ব্যাকগ্রাউন্ড কালার এবং টেক্সট কালার এমন ভাবে সমন্ব্য় করুন যাতে ভিজিটরদের লেখা পড়তে কোন সমস্যা না হয়।
১১) ব্লগ তৈরির পর তা বিভিন্ন সার্চ ইন্জনে সাবমিট করুন।
১২) প্রতিনিয়ত ব্লক সাইটের ভিজিটর বাড়ানোর চেষ্টা করুন।
১৩) আপনার ব্লক সাইটের জন্য বিভিন্ন সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইট যেমন ফেইসবুক, টুইটার, ডিগ, এ অ্যাকাউন্ট এবং লাইক পেজ তৈরি করুন।ফিডবার্নার রাখুন এবং ইমেইল নিউজলেটার এর ব্যাবস্থা করুন। এগুলোর মাধ্যমে প্রচুর ভিজিটর পাওয়া যায়।
১৪) সাইটে একটি যোগাযোগ FORM  রাখুন যাতে পাঠকরা এবং বিজ্ঞাপনদাতারা আপনার সাথে সহজেঐ যোগাযোগ করতে পারে।
১৫) সাইটের ডিজাইন সুন্দর রাখার চেষ্টা করুন। তবে খুব বেশী ডিজাইন করার চেষ্টা করবেন না।
 ৯) একদিনে ৩ টার বেশী পোষ্ট লিখবেন না। তবে আপনার ভিজিটরের উপর ভিত্তি করে সপ্তাহে দুই বা তিনটি  পোষ্ট লিখার চেষ্টা করুন। দুইটি পোষ্টের মধ্যবর্তী সময় যেন খুব বেশি না হয়।
১০) স্যোসাল মিডিয়াতে আপনার সাইটের লিংক ছড়িয়ে দিন। তাকে অনেক ভিজিটর পাবেন।

এভাবেই চালিয়ে যান । পরবর্তীতে কোন সমস্যা হলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন । ধন্যবাদ।
Share:

কলেজ পড়ুয়া ছাত্র/ ছাত্রীদের আর্নি শুরু | সহজ ৭টি মাধ্যম থেকে


কলেজে লেখাপড়ার পাশাপাশি আপনিও আপনার মূলবান সময়টুকু ব্যয় করছেন ফেইসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন রকম সামাজিক যোগাযোগের সাইটে। আমি পূর্বে দিনগুলোকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেগুলোতে সময় ব্যয় করতাম। তবে এখন সময় ব্যয় করি অনলাইন আর্নি ও লেখাপড়ারতে। এখন আমি ভাবি কেন আমি এ সময় টুকু ঐ সমস্ত সামাজিক যোগাযোগের সাইটে ব্যয় না করে ব্লগিং বা অনলাইন মার্কেট প্লেজে ব্যয় কাটালাম না।

আমার অনেক বন্ধু বান্ধব আছে যারা ঠিক একই ভাবে বিভিন্ন সামজিক যোগাযোগের সাইটে চ্যাট করে প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা সময় পার করে দিচ্ছে। যদি হিসাব করেন যে, আপনি প্রতিদিন গড়ে কতটুকু সময় ইন্টারনেট ব্যবহার করে পার করছেন, তাহলে বেশীরভাগ লোকই বলবে ৫-৬ ঘন্টা। তাহলে আপনি কি ভাবছেন এ সংখ্যা বছরে কতই গিয়ে দাড়াচ্ছে। বছরে অন্তত ১০০০-১২০০ ঘন্টা পার করছেন ইন্টারনেটে বিভিন্ন সমাজিক যোগাযোগ এর সাইটে চ্যাট করে। কিন্তু একবারও কি আপনি নিজের কাছে প্রশ্ন করেছেন যে, আপনার এ মূল্যবান সময়গুলি ব্যয় করে আপনি কি পেয়েছেন? আপনার উত্তর হবে শূন্য।

আপনি মূ্ল্যবান সময়ের সামান্য সময় ব্যয় করে যদি কিছু টাকা পয়সা ইনকাম করে নিজের প্রয়োজন মিটাতে পারেন, তাহলে অন্যের কাছ থেকে ধার করার প্রয়োজন পড়ে না। ইন্টারনেট জগৎটা শুধু মাত্র স্যোসাল সাইটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আপনার সামান্য ইচ্ছা শক্তির বলে আপনি ইন্টারনেট হতে কিছু টাকা উপাজর্ন করতে পারেন। এই জন্য আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিভাবে ছাত্র-ছাত্রী, গৃহিনী এবং কিশোর ইন্টারনেট হতে কিভাবেটাকা উপার্জন করে নিজের ব্যক্তিগত প্রয়োজন মিটাতে পারেন।

০১। YouTube হতে টাকা উপার্জনঃ অনলাইন থেকে টাকা উপার্জনের একটি সহজ মাধ্যম হচ্ছে YouTube. এখান থেকে যে কোন বয়সের লোক খুবই সহজে টাকা উপার্জন করতে পারেন। ইন্টারনেট বিশ্বের জনপ্রিয় ১০ ওয়েবসাইটের মধ্যে YouTube হচ্ছে একটি। আপনি ইচ্ছে করলেই এখান থেকে কম সময় ব্যয় করে অল্প অভীজ্ঞতা নিয়ে মাসে ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারেন। এই জন্য আপনাকে যেটি করতে হবে- প্রথমে বিভিন্ন ভাল মানের ভিডিও YouTube এ আপলোড করতে হবে। এ জন্য আপনি আপনার মোবাইল ফোনকে ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যদি ভ্রমন প্রিয় লোক হন তাহলে বিভিন্ন সুন্দর সুন্দর প্রকৃতিক দৃশ্যগুলি আপনার ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দী করেও এ কাজটি করতে পারেন। অথবা আপনি যে বিষয় ভালভাবে জানেন সে বিষয়ে বিভিন্ন টেউটোরিয়াল তৈরী করেও কাজটি করতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন কারও কোন নকল ভিডিও কপি করে এটি করা যাবে না। এতে আপনার আইডি ব্লক হয়ে যেতে পারে।

০২। ব্লগিং করে বা ব্লগে আর্টিকেল লিখেঃ ব্লগিং এর সাথে আমার মোটামুটি ভালই পরিচিত।  আপনি গুগল ব্লগারে কিংবা ওয়ার্ডপ্রেসে বিনা মূল্যে একটি ব্লগ তৈরী করে নিতে পারেন। এখন ব্লগ তৈরী করে থেমে থাকলে হবে না। আপনার যে বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান আছে, আপনি সে বিষয় নিয়ে লিখে যান। এ ক্ষেত্রে হয়তো আপনি প্রথম ২-৩ মাস একটু কষ্ট করতে হবে। আপনি প্রতিদিন নিত্য নতুন আর্টিকেল লিখতে থাকেন। আপনার বিষয়টি যদি ইউনিক এবং জ্ঞানগর্ভপূর্ণ হয় তাহলে ভিজিটর অবশ্যই আপনার ব্লগে আসবে। এ ক্ষেত্রে সফলতা পেতে আপনাকে বেশী দিন অপেক্ষা করতে হবে না। আপনি নিজে নিজেই টাকা উপার্জনের পথ সুঘম করে নিতে পারবেন।


০৩। ফিল্যান্সিং : ফিল্যান্সিং হলো এমন একটি সাইট যেখানে আপনি আপনার লেখা বা আর্টিকেল শেয়ার করে টাকা উপার্জন করে নিতে পারবেন। আপনি যদি একজন ভাল লেখক হন কিংবা যে কোন বিষয়ে ভাল জ্ঞান রাখেন, তাহলে যদি সে বিষয়ে ভাল মানের আর্টিকেল লিখতে পারেন, তাহলেই এটা আপনার পক্ষে সম্ভব। আপনার লেখার মান যদি ভাল হয় তাহলে ফিল্যান্সিং এ আপনার লেখার মূল্য অর্থাৎ টাকা উপার্জনের পরিমান দিন দিন বাড়তে থাকবে। এখান থেকে মাসে লাখ টাকা উপার্জন করে এমন লোকও আছে। এখানে যার যার মেধা অনুসারে তার প্রতিফলন ঘটাতে পারে। এটি মার্কেট প্লেজের মতো। আপনার কাজ মার্কেটে মাধ্যমে বায়ারদের করে দিবেন।

০৪। Google Adsense থেকে টাকা উপার্জনঃ Adsense হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপনের (Advetisement ) Program এটি গুগল কর্তৃপক্ষ সয়ং নিজে পরিচালনা করছে। আপনি যদি আপনার ব্লগটিকে ভাল মানের Platform এ নিয়ে যেতে পারেন এবং আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর থাকে তাহলে Google Adsense থেকে আপনি হাজার হাজার টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ পদ্ধতিতে আপনার ব্লগে Adsense এর বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে ক্লিক প্রতি ডলার আয় করতে পারবেন। অনেকে বলে Google Adsense করাটা অনেক কঠিন কাজ। কিন্তু আমি বলছি মোটেও কঠিন কাজ নয়। আপনি যদি মানসম্মত ২৫-৩০ টি ইউনিক কনটেন্ট লিখতে পারেন তাহলে নিঃসন্দেহে Google Adsense দলিল হয়ে যাবে। এখান থেকে আপনি দীর্ঘ দিন যাবত টাকা উপার্জন করে যেতে পারবেন।Google Adsense ছাড়াও অনেক সাইট আছে revenuehits যার মধ্যে অন্যতম । এখানে সহজেই কাজ পাওয়া যায়। তবে Google Adsense  হলো সবচেয়ে ভাল।

০৫। প্রশ্ন উত্তর দেওয়ার মাধ্যমে (Ask And You Answer): আপনি যদি কিছু বিষয়ে দক্ষ হয়ে থাকেন, যেমন - Math, English, Physics, Sociology,  Biology, Humaities ইত্যাদি। তাহলে আপনি প্রশ্ন উত্তর প্রদানের মাধ্যমে ইন্টারনেটে অন্যের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে দিতে পারেন। আপনি যদি তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিতে পারেন, তাহলে ইন্টারনেটে অনেক সাইট আছে যেগুলি আপনার সাথে যোগাযোগ করবে তাদের সাইটে জয়েন করার জন্য। ফলে তাদের সাইটে জয়েন করার মাধ্যমে ঐ কোম্পানী হতে আপনি ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আপনি বেশ চালাক এবং বুদ্ধিমান হতে হবে। হতে হবে মেধাবী ও পরিশ্রমী।

০৬। EBAY and AMAZON Products বিক্রির মাধ্যমেঃ আপনি জানেন যে, ইন্টারনেট এর মাধ্যমে পন্য কেনা কাটার জন্য জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হচ্ছে Ebay and Amazon. এখানে লোকজন তাদের বিভিন্ন ধরনের পন্য বিক্রি করার জন্য বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন। আপনার পন্যটি যদি ক্রেতার কাছে ভাল মনে হয় তাহলে পন্যটি কেনার জন্য ক্রেতারা আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। আপনি যদি আপনার পন্য বিক্রি করে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হতে পারেন, তাহলে এখান থেকে কমদামে বিভিন্ন জিনিস ক্রয় করে ভাল দামে বিক্রয় করে লাভবান হতে পারেন। তবে এই সুবিধা পাওয়ার জন্য আপনাকে আগে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হিসেবে প্রমান করতে হবে EBAY and AMAZON Products



০৭। Link Shorter : Adf.ly , linkbucksmedi,  linkshrink এসাইট গুলোর মাধ্যমে আপনার পেইজে লিংকগুলোর আকার ছোট করে স্যোস্যল সাইটে বা আপনার যেকোনো পেইজে অ্যাড করতে পারেন। লিংকগুলোর মাধ্যমে এ্যাড হবে। আর এ্যাডগুলোর মধ্যেমে আপনি সহজেই আয় করতে পারবেন।

 লেখার মাধ্যমে বিস্তারিত বলা সম্ভব হয়নি। তার পরও আপনারা কিছুটা হলেও ধারণা পাবে। পরবর্তী সময়ে আলাদাভাবে বিস্তারিত আলোচনা করবো, ইনশাআল্লাহ্। এই ব্লক সাইটে অন্যান্য বিষয়গুলো সম্পর্কে  বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এরপরও আর্নি বিষয়ে কোন সমস্যা হলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
 Imransamibd
 আমার সাথে যোগাযোগ করতে ফুলটি ক্লিক করুন।
Share:

ইমেইল মার্কেটিং সফলতা...

ইমেইল মার্কেটিং সফলতা...
বর্তমান বিশ্বে ব্যবসা মাত্রই বিজ্ঞাপন নির্ভর। আপনার কোম্পানী বা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের জন্য ভালো একটি Product তৈরি করেছেন অথচ আপনি সেই Product এর প্রচার করলেন না! আপনার কোম্পানীর Product এর সফলতা পাওয়ার সম্ভাবনা কম। আমরা আমাদের চারপাশের Product গুলোর দিকে তাকালেই দেখব অনেক ভালো ভালো Product শুধুমাত্র সঠিক প্রচারের অভাবে উপযুক্ত সাফল্য পাচ্ছে না আবার কম গুনগত মান সম্পন্ন অনেক Product-ই আমাদের চারপাশে আছে যেগুলো সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার করেছে এবং সাফল্যের উচুঁ স্থান থেকে কেউই টেনে নামাতে পারছে না। সুতরাং বলা চলে, বিজ্ঞাপণ অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা ব্যবসার শুরুতেই পরিকল্পনা করে এগিয়ে নিতে হয়।
ক্ষুদ্র ব্যবসায় সাফল্যের জন্য Email মার্কেটিং এর প্রয়োজনীয়তাঃ

বিজ্ঞাপন করার অনেক পদ্ধতি ও মাধ্যমই রয়েছে। আজ যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব তা হলো ‘Email Marketing’। Email Marketing মার্কেটিং এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন করার অনেক সুবিধা রয়েছে। যেমন, Professional মানের Software ব্যবহার করে অল্প টাকায় বিজ্ঞাপন প্রচার করা যায়। ফলে বিজ্ঞাপনের পেছনে অধিক টাকা ব্যয় করার প্রয়োজন নাই। বর্তমান বিশ্ব যেহেতু Web মিডিয়াতে ঝুকে পড়েছে তাই Email Marketing এর সিদ্ধান্ত আপনার জন্য সুদূর প্রসারী সাফল্য এনে দেবে। Email Marketing এর ম্যাধ্যমে Product এর বিস্তারিত তথ্য বিজ্ঞাপন আকারে গ্রাহকের কাছে পৌছে দেয়া সম্ভব হয় যা বিজ্ঞাপনের অন্য কোন প্রক্রিয়াতে সম্ভব নয়। Email Marketing এর মাধ্যমে গ্রাহকের কাছে Product এর তথ্য দীর্ঘস্থায়ীভাবে পৌছে দেয়া সম্ভব। সুতরাং Email Marketing ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সঠিক উপায় হতে পারে।
বাংলাদেশে Email Marketing এর অবস্থানঃ

বাংলাদেশে Email Marketing এর অবস্থা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়ে গেছে। আমরা আমাদের Email গুলো ওপেন করলেই প্রচুর সংখ্যক বিদেশী Email পাই। কিন্তু বাংলাদেশীদের কাছে এই কাজটি এখনো নতুন তাই এই ক্ষেত্রে বড় কিছু করার সুযোগ রয়েছে। Email Marketing এর কাজ শিখে স্থানীয় মার্কেট থেকে যেমন কাজ করে আয় করা সম্ভব তেমনি Freelancing Marketplace গুলোতে কাজ করেও ভাল আয় করার সুযোগ রয়েছে। তাই যারা Email Marketing শিখে আয় করার কথা ভাবছেন তাদের জন্য এটাই উপযুক্ত সময়।
Email Marketing এর কাজ পাওয়ার জন্য Email Marketing শেখা কতটুকু প্রয়োজনঃ

Email করার জন্য আমরা Google, Yahoo ইত্যাদি সেবা গ্রহন করেছি। Professional কাজের জন্য তাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। নির্দিষ্ট সংখ্যক Email পাঠানোর পর আর ইমেল পাঠানো সম্ভব হয় না। তাই Professional কাজের জন্য টেকনিকগুলো জেনে নেয়াই উচিত। যেমন, যেকোন ধরনের Product এর বিজ্ঞাপন Email Marketing এর মাধ্যমে কেবলমাত্র লোকাল গ্রাহকদের কাছে তথ্য পৌছে দেয়া সম্ভব। লোকাল গ্রাহক খুজে নেয়ার টেকনিক তাই জেনে নিতে হবে। আসলে কিছু Software রয়েছে যা Search করার মাধ্যমে আপনার প্রয়োজনীয় গ্রাহকেই খুজে নেয়া সম্ভব। যেমন আপনি যদি বাংলাদেশী হোন তবে কেবল মাত্র বাংলাদেশী Email User খুজে বের করে তাদের কাছে Email পাঠানো সম্ভব। আবার আপনি যদি Graphics Designer হোন তবে Graphics Design এ যাদের আগ্রহ আছে কেবল তাদের খুজে বের করে Email Marketing করা সম্ভব। আবার প্রতিদিন ১০ হাজার থেকে ১০ লাখ Email পাঠানো সম্ভব। এজন্য Professional Software গুলো সংগ্রহ করতে হবে এবং ব্যবহার করার পদ্ধতি জানতে হবে।
কোথায় এবং কিভাবে শিখবেন Email মার্কেটিংঃ

Email Marketing শেখার জন্য Google, Youtube সহ বিভিন্ন Blog Site গুলো Search করলে আপনি অনেক সাহায্য পাবেন, তাছাড়া এই Blog এর Email Marketing সম্পর্কিত post গুলো থেকেও প্রচুর ধারনা পাবেন।
Share:

ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কত আয় করতে পারেন ?

ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কত আয় করতে পারেন ?
এটা এমন এক প্রশ্ন যার তৈরী কোন উত্তর নেই। আপনি যখন চাকরী করেন তখন সহজেই আপনার আয় কত বলতে পারেন । ফ্রিল্যান্সারের ক্ষেত্রে বিষয়টা অতটা সহজ না। একজন ফ্রিল্যান্সারের আয় যে বিষয়গুলির ওপর নির্ভর করে সেগুলি এখানে তুলে ধরা হচ্ছে।

আপনি ফ্রিল্যান্সকে পেশা হিসেবে নিতে চাইলে প্রথমে মার্কেটিং এর দক্ষতা বাড়ান। বলা হয় বাংলাদেশীদের মার্কেটিং এ দক্ষতা কম। নিজেদেরকে ঠিকভাবে তুলে ধরতে পারেন না বলে যোগ্যতা থাকা সত্তেও অনেকে কাজ পান না। এখানে ভালো আয় করতে চাইলে প্রথমে নিজের দক্ষতা প্রকাশ করতে হবে । বিষয়টি অনেকটাই দোকানদারীর মত। আপনার দোকানে কত জিনিস আছে সেকথা না জানালে ক্রেতা পাবেন না। ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনার যোগ্যতা কি সেটা প্রকাশ না করে কাজ আশা করতে পারেন না
মার্কেটিং এর দক্ষতা থাকাই যথেষ্ট নয়, একে নেশায় পরিনত করতে হবে। যদিও বাস্তবে অনেকেই কাজটি পছন্দ করেন না । আপনি বিশ্বের সবচেয়ে ভাল গ্রাফিক ডিজাইনার হতে পারেন কিন্তু সেটা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজে আসবে না যদি সঠিক ক্লায়েন্টের কাছে না পৌছান। নিজের দক্ষতা প্রকাশ করাই যথেষ্ট না, বরং প্রতি মুহুর্তে খোজ করা প্রয়োজন কোথায় আরেকটু ভাল ক্লায়েন্ট পাওয়া । প্রশ্ন থাকতে পারে এরসাথে ফ্রিল্যান্সারের আয়ের সরাসরি সম্পর্ক এত গুরুত্বপুর্ন কেন। বাস্তবতা হচ্ছে, যারা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে সবচেয়ে ভাল করেন তারা তাদের কাজে সবচেয়ে দক্ষ এটা ধরে নেয়া যায় না । বরং যারা যোগাযোগে দক্ষ তারা তারচেয়ে দক্ষ ব্যক্তির চেয়ে ভাল কাজের সুযোগ পান এবং ফল হিসেবে বেশি আয় করেন। স্বাভাবিকভাবেই আপনি দক্ষতাকে উপেক্ষা করতে পারেন না। বেশি কাজ পাওয়া এবং বেশিমুল্যের কাজ পাওয়ার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। সাধারন মানের গ্রাফিক ডিজাইনার ঘন্টাপ্রতি ৪০ ডলারে কাজ করতে পারেন, যার দক্ষতা বেশি তিনি নিতে পারেন ৮০ ডলার। ৪০ ডলারের যোগ্যতা নিয়ে ৮০ ডলার আশা করা অনুচিত । যারা মার্কেটিং এ ততটা দক্ষ নন তারা অনেকে যোগ্যতা দিয়ে সেটা পুরন করার চেষ্টা করেন। প্রতি মুহুর্তে নিজের দক্ষতাকে বাড়াতে থাকেন এবং আশা করেন কোন এক সময় সঠিক ক্লায়েন্টের কাছে নিজেকে তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। এককথায় ফ্রিল্যান্সার কত আয় করতে পারেন সেটা প্রকাশ করা যেতে পারে এভাবে, আপনার কাজে দক্ষতা এবং যোগাযোগের দক্ষতা যত বেশি আয় ততটাই বেশি। এই দুইএর সমম্বয় করে মাসে কয়েখ হাজার ডলার আয় করা সম্ভব।
Share:

কম্পিউটারে অর্থ উপার্জনের সেরা পদ্ধতিগুলো

কম্পিউটারে অর্থ উপার্জনের সেরা পদ্ধতিগুলো । অনেকেই দ্বিধায় পড়েন, কোনটি করবেন এবং কোনটি করবেন না এই নিয়ে। তাছাড়া বাংলাদেশের জন্য স্থানীয় কিছু সমস্যা তো রয়েছেই। ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ উপার্জনের সুবিধা-অসুবিধা অনুযায়ী ৫টি পদ্ধতি নিয়ে নিচে আলোচনা করছি।


১. গুগল এডসেন্স(www.google.com/adsense)
গুগল এডসেন্স ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনের সবচেয়ে সেরা উপায় । মাসে কয়েক হাজার ডলার আয় করা যায় প্রোগ্রামিং বা এইধরনের কোন ক্ষেত্রে বিশেষ দক্ষতা না থেকেও। এমনকি গুগলের ব্লগার ব্যবহার করে কোনরকম খরচ ছাড়াই।আপনার প্রয়োজন শুধু সময় ব্যয় করা এবং চারিদিকে দৃষ্টি রেখে নিজের ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার ব্যবস্থা করা। সবচেয়ে ভাল ফল পাওয়ার জন্য আপনার প্রয়োজন এমন একটি ওয়েবসাইট যেখানে প্রচুর ভিজিটর ভিজিট করবেন। এধরনের ওয়েবসাইট তৈরী এবং ভিজিটর পেতে কয়েক মাস এমনকি কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। প্রতিদিন কমপক্ষে ১ হাজার ভিজিটর না পেলে খুব বেশি আয়ের সম্ভাবনা কম। গুগল এডসেন্স এর মত চিতিকা (
www.chitika.com) নামে আরেকটি ব্যবস্থা রয়েছে । ব্যবহারের পদ্ধতি এডসেন্স এর মতই।
২. এফিলিয়েটেড মার্কেটিং
এফিলিটেড মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে সীমা হচ্ছে আকাশ। আপনি যত চেষ্টা করবেন তত বেশি আয় করবেন। আপনার কাজ হচ্ছে ইন্টারনেটে যারা কিছু বিক্রি করে (পন্য বা সেবা) তাদের হয়ে প্রচার করা।এ কাজের জন্য নিজের ওয়েবসাইট থাকলে সুবিধে বেশি, না থাকলেও সমস্যা নেই অন্যভাবে করা যায়। কোন কোন কোম্পানী টাকা দেয় তাদের সাইটে ভিজিটর পাঠালেই আবার কোন কোন কোম্পানী দেয় কোন
ভিজিটর কিছু কিনলে। ৭৫% পর্যন্ত কমিশন দেয়ার মত কোম্পানীও রয়েছে। আমাজন, ই-বে এফিলিয়েটেড মার্কেটিং কাজের জন্য অন্যতম। আমি আগেই বলেছি এফিলিয়েটেড মার্কেটিং এর জন্য নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে বেশি সুবিধে পাবেন। শুধুমাত্র এই কাজের জন্যই বিনামুল্যে ওয়েবসাইট তৈরী ও সেখানে বিভিন্ন পন্য যোগ করার ব্যবস্থা রয়েছে। যদিও এই ব্যবস্থায় আয় বেশি তারপরও এডসেন্সর এর পর ২য় অবস্থানে থাকার কারন হল একাজে বুদ্ধিমত্তা, মার্কেটিং এর দক্ষতা এবং পরিশ্রম অনেক বেশি।
৩. ফ্রিল্যান্সিং
আপনি ওয়েবসাইট তৈরী কিংবা মার্কেটিং এর ঝামেলায় যদি যেতে না চান, অথচ কম্পিউটারের কোন কাজে দক্ষ। সেটা ফটোশপ ব্যবহার করে হোক অথবা গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, প্রোগ্রামিং থেকে ডাটা এন্ট্রি, ভিডিও এডিটিং কিংবা এনিমেশন যে কোন কিছুই হতে পারে। তাহলে আপনার জন্য ফ্রিল্যান্সিং উপযুক্ত। কাজ দেয়ার ক্ষেত্রে অনেকগুলি প্রতিস্ঠান রয়েছে মধ্যস্থতা করার জন্য । সেখানে নিজের নাম তালিকাভুক্ত করবেন (কোন খরচ নেই), তাদের কাজের তালিকা দেখে এপ্লাই করবেন, কাজ পাওয়ার পর কাজ করে জমা দিবেন। আপনার একাউন্টে সেই কাজের পারিশ্রমিক জমা হবে। ঘন্টাপ্রতি নির্দিষ্ট কাজ অনুযায়ী অথবা এককালীন চুক্তি অনুযায়ী ফ্রিলান্সিং কাজে পেমেন্ট দেয়া হয়। কাজের জটিলতা অনুযায়ী আয় কয়েক ডলার থেকে কয়েক হাজার ডলার পর্যন্তও হতে পারে এই চুক্তি। মধ্যস্থতাকারী থাকে বলে টাকা হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
www.freelancer.com , www.odesk.com ইত্যাদি এধরনের কাজে অন্যতম প্রতিস্ঠান।
৪. নিজে বিক্রি করা
লাভ বেশি থাকার পরও একে ৪ নম্বরে রাখতে হচ্ছে কারন নিজে বিক্রি করলে লাভ বেশি, সেইসাথে পরিশ্রমও বেশি। আপনি কিছু পন্য ঠিক করবেন এরপর ওয়েবসাইটে রেখে দেবেন। যিনি কিনতে চান তিনি সেখানে ক্লিক করে কিনবেন এবং আপনি সেটা তারকাছে পাঠিয়ে দেবেন। ফটোগ্রাফ, ই-বুক, সফটঅয়্যার এর মত পন্য সরাসরি ইমেইল করে পাঠাতে পারেন কিংবা ডাউনলোডের ব্যবস্থা রাখতে পারেন। ছাপা বই বা বহনযোগ্য অন্য পন্য হলে পার্সেল করে পাঠাতে হবে। বিশ্বের অনেক দেশের মানুষই কেনাকাটা করে অনলাইনে। কাজেই এই মুহুর্তে বাংলাদেশের মত দেশে বিষয়টি চালু না থাকলেও একসময় হবে ইনশাআল্লা ।
৫. অনলাইন বিজ্ঞাপন
জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে এডসেন্স এর মত বিজ্ঞাপন রাখতে হবে এমন কোন কথা নেই, ছাপানো পত্রিকায় যেমন বিজ্ঞাপন দেয়া হয় সেভাবে আপনার ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন প্রচার করে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। আমেরিকায় ছাপানো বিজ্ঞাপনের আয়কে ছাড়িয়ে গেছে অনলাইন বিজ্ঞাপন। পত্রিকার মত সাইটের জন্য এই ব্যবস্থা সুবিধেজনক।

Share:

নেটে কিভাবে কাজ করে অর্থ উপার্জন করা যায় আর কিভাবে করবেন?

নেটে কিভাবে কাজ করে অর্থ উপার্জন করা যায় আর কিভাবে করবেন?


আগামীতে আউটসোর্সিং হবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আয়ের উতস, কর্মসংস্থানের সবচেয়ে বড় যায়গা। তারপরও যারা একাজ করবেন তারা অনেকেই অন্ধকারে রয়ে গেছেন। অনেকেই জানেন না ঠিক কি করবেন। কি যোগ্যতা প্রয়োজন হবে, কি কি যন্ত্রপাতি প্রয়োজন হবে, কি কাজ করতে হবে, কাজ কোথায় পাওয়া যাবে, কত টাকা পাওয়া যাবে, কিভাবে পাওয়া যাবে। এই প্রশ্নগুলির উত্তর ধারাবাহিকভাবে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে এখানে।
* প্রথমেই একটা কথা পরিস্কার করে নেয়া ভাল। বলা হচ্ছে কাজ করে অর্থ উপার্জনের বিষয়ে। কাজেই আপনাকে কাজ করতে হবে, সে কাজ শিখতে হবে, অন্যদের সাথে প্রতিযোগিতা করতে হবে। আপনার দক্ষতা যত বেশি অর্থ উপার্জনের সুযোগ তত বেশি। এটাই একমাত্র পথ। যদি কাজ শিখতে এবং করতে পর্যাপ্ত আগ্রহ এবং চেষ্টা না থাকে তাহলে সময় নষ্ট না করাই ভাল। সহজে অর্থ উপার্জন বলে যা
বুঝানো হয় তা আসলে ততটা সহজ না।
আউটসোর্সিং কি ?
এটা নিশ্চয়ই প্রথম প্রশ্ন। উত্তর হচ্ছে, বাড়িতে বসে অন্য কারো কাজ করা। উন্নত দেশগুলিতে (আমেরিকা কিংবা ইউরোপ) মজুরী অত্যন্ত বেশি। কোন কোম্পানীর যদি নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম তৈরী প্রয়োজন হয়, এজন্য যদি একজন প্রোগ্রামার নিয়োগ করতে হয় তাহলে বিপুল পরিমান টাকা গুনতে হয়। সেকাজটিই অন্য দেশের প্রোগ্রামার দিয়ে করিয়ে নিলে তুলনামুলক কম টাকায় করানো যায়। বর্তমান ইন্টারনেট ব্যবস্থায় খুব সহজে একাজ করা সম্ভব। আপনি সেই প্রোগ্রামার, ডিজাইনার, এনিমেটর অথবা যাই হোন না কেন ইন্টারনেটের মাধ্যমেই তাদের কাজ করতে পারেন, ঘরের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। বড় কোম্পানীর বদলে ছোট কোম্পানী, কিংবা ব্যক্তি পর্যায়ের কাজের কথা যদি
এরসাথে যোগ করা হয় তাহলে কাজের পরিধি বেড়ে যায় অনেক। ধরুন কোন ব্যক্তির একটি ওয়েবসাইট তৈরী করা প্রয়োজন।
তিনি নিজে সেকাজ পারেন না। কাজেই তার প্রয়োজন এমন একজন ব্যক্তি যিনি সেকাজ করে দেবেন। আপনি যদি সেকাজে দক্ষ হন তাহলে আপনি আগ্রহি হয়ে সেখানে যোগাযোগ করলেন। সমঝোতা হল, আপনি কাজটি করে দেবেন, বিনিময়ে ১০০ ডলার পাবেন। লাভ দুজনেরই। কাজেই, আউটসোর্সিং হচ্ছে এক যায়গার কাজ অন্যযায়গা থেকে করিয়ে নেয়া। এই কাজকে সহজ করার জন্য অনেক প্রতিস্ঠান রয়েছে। তাদের ওয়ের সাইটে বিনামুল্যে সদস্য হওয়া যায় (আপনাকে বিনামুল্যে সেবা দিয়েও তারা নিজেরা লাভ করেন। সে
হিসেব আলাদা)। তাদের সদস্য দুধরনের, একপক্ষ কাজ দেন, আরেকপক্ষ কাজ করেন। আপনি যখন কাজ দেবেন তখন কাজের বিবরন, সময়, অর্থের পরিমান ইত্যাদি তাদের জানাবেন। তারা ওয়েবসাইটে সেগুলি রেখে দেবেন যারা কাজ করতে আগ্রহি তাদের জন্য।
আপনি যত কাজ করবেন তখন তাদের ওয়েব সাইটে গিয়ে সেই তালিকা থেকে নিজের পছন্দমত কাজের জন্য আবেদন করবেন (সাধারনত একটি লিংকে ক্লিক করাই যথেষ্ট)। যার কাজ তিনি আবেদনগুলি যাচাই করে যাকে যোগ্য মনে করবেন তাকে কাজটি
দেবেন। আপনি সেই ব্যক্তি হলে কাজটি করে ইন্টারনেটের মাধ্যমেই তারকাছে পাঠিয়ে দেবেন। সাথেসাথে আপনার একাউন্টে কাজের অর্থ জমা হবে।
কাজের ধরন
একটু আগে দুধরনের কাজের কথা বলা হয়েছে, একটি কোম্পানীর, অপরটি ছোট কোম্পানী কিংবা ব্যক্তির। আউটসোসিং এর কাজ মুলত এই দুধরনের। বড় কোম্পানীর বড় কাজ করার জন্য বড় প্রতিস্ঠান প্রয়োজন। সেখানে আপনি একজন নিয়মিত কর্মী হিসেবে নিয়োগ পেতে পারেন। আপনি ফ্রিল্যান্সার নন। আর ছোট কাজের ক্ষেত্রে আপনি নিজেই সবকিছু। যোগাযোগ, কাজ করা, অর্থ গ্রহন সবকিছু করতে হবে নিজেকেই। অবশ্য কয়েকজন একসাথে শুরু করে ক্রমাম্বয়ে বড় কোম্পানীতে পরিনত হওয়া অবশ্যই সম্ভব। ধরে নেয়া হচ্ছে আপনি একা কাজ করতে আগ্রহি। এখানে সে সম্পর্কিত তথ্যই উল্লেখ করা হচ্ছে। এক কথায়, কম্পিউটার ব্যবহার করে যাকিছু করা সম্ভব সবধরনের কাজই পাওয়া যায় এভাবে। গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব পেজ তৈরী, ওয়েব পেজের কোন সমস্যার সমাধান থেকে শুরু করে এনিমেশন, ভিডিও এডিটিং কিংবা একেবারে সহজ ডাটা এন্ট্রি পর্যন্ত। কাজ যত সহজ অর্থের পরিমান তত কম, কাজ যত জটিল অর্থের পরিমান তত বেশি এই নিয়মে। উদাহরন হিসেবে ওয়েব সাইটের জন্য ফটোশপে একটি ব্যানার বিজ্ঞাপন তৈরী করে যে পরিমান অর্থ পাবেন ফ্লাশে এনিমেটেড ব্যানার তৈরী করে পাবেন তারথেকে অনেক বেশি অর্থ। বাস্তব ধারনা পাওয়ার সবচেয়ে ভাল পথ হচ্ছে এধরনের
ওয়েবসাইটে গিয়ে কাজের তালিকা দেখা।
কি শিখতে হবে
কোন কাজ আপনার জন্য ভাল সেটা যাচাইয়ের দায়িত্ব আপনার। আগ্রহ কোন বিষয়ে, দক্ষতা কোন বিষয়ে, কতদুর পর্যন্ত যেতে পারবেন এগুলি একমাত্র আপনিই জানতে পারেন। কোন কাজে অর্থ বেশি এটা বিচার করে সেই কাজ করতে না যাওয়াই ভাল। প্রোগ্রামার হওয়ার জন্য একধরনের প্রতিভা প্রয়োজন, এনিমেটর হওয়ার জন্য আরেক ধরনের, ভাল ডিজাইনার হওয়ার জন্য আরেক ধরনের। কোন বিষয়ে আগ্রহি হলে সে বিষয়ে খোজ নিন, কিছুদিন চেষ্টা করুন, তারপর দ্রুতই সিদ্ধান্ত নিন। এবিষয়েও সত্যিকারের সাহায্য পাবেন এধরনের জব সাইটে। প্রতিটি কাজের বর্ননার সাথে কোন সফটঅয়্যারে দক্ষতা থাকতে হবে তা উল্লেখ করা থাকে।
কত আয় করা সম্ভব
বিষয়টি পুরোপুরি আপনার কাজের ধরনের ওপর নির্ভর করে। অধিকাংশ কাজের হিসেব হয় ঘন্টা হিসেবে। গ্রাফিক ডিজাইনকে উদাহরন হিসেবে ধরলে মাসে অনায়াসে হাজার ডলার আয় করা সম্ভব। প্রোগ্রামার হলে অনেক বেশি।
কি যন্ত্রপাতি প্রয়োজন
এধরনের কাজে আপনার মুল অস্ত্র হচ্ছে মেধা। কাজেই দামী যন্ত্রপাতি নিয়ে মাথা ঘামানোর প্রয়োজন হয় না, বিশেষ কাজ ছাড়া। কাজের ধরন অনুযায়ী অবশ্যই আপনার স্ক্যানার, গ্রাফিক ট্যাবলেট, দামী ক্যামেরা ইত্যাদি প্রয়োজন হতে পারে। এধরনের বিশেষ যন্ত্র বাদ দিলে আপনার প্রয়োজন একটি মোটামুটি পর্যায়ের কম্পিউটার এবং ভাল ইন্টারনেট সংযোগ। বর্তমানে যথেষ্ট কম টাকায় ভাল কম্পিউটার পাওয়া যায়। আর ইন্টারনেট সংযোগের বিষয়ে বলা আসলে অর্থহীন। তারা আশা করে আপনি টাকা দেবেন, বদলে কি পাবেন তাতে তাদের কিছু যায়-আসে না। আর সরকার কিংবা প্রশাসন যত বক্তৃতা-বিবৃতি দিক না কেন, ব্যবসায়িদের কাছে সবসময় মাথা নিচু করে থাকে। মুল কথায় ফেরা যাক। ইন্টারনেটে কাজ করে অর্থ উপার্জনের এটা প্রাথমিক তথ্য। শুরুতেই আপনি যা করতে পারেন তা হচ্ছে এধরনের ওয়েবসাইটে গিয়ে বিস্তারিত পড়া, বোঝার চেষ্টা করা। সত্যিকাজের কাজের তথ্য তাদের কাছেই পাওয়া সম্ভব, অকারনে অন্য যায়গায় সময় নষ্ট করবেন না। odesk, freelancer এধরনের জনপ্রিয় ওয়েব সাইটের উদাহরন। সার্চ করলে এধরনের
আরো বহু সাইট পাবেন। ভালভাবে বোঝার জন্য কয়েকদিন নিয়মিত এই সাইটগুলিতে সময় কাটান। কাজ শুরু করুন, সেইসাথে আরো জানার চেষ্টা করুন।

Share:

freelancing tips| freelancing টিপস

 অনলা্েনে ফিলাসিং টিপস :
দিন দিন সারা বিশ্বে Freelancing এর জনপ্রিয়তা ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইউ.এস.এ-তে গড়ে প্রতি তিনটি কজের মধ্যে একটি কাজই ফ্রিল্যান্স এর মাধ্যমে করানো হচ্ছে। এই কারনেই Freelancing ক্ষেত্রে কাজের পরিমান প্রতিনিয়তই বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে অধিকাংশ লোকই নিজের ইচ্ছা বা শখের কারনেই Freelancing করছে। তবে কেউ কেউ তাদের বাড়তি আয়ের জন্য Freelancing করছে আবার অনেকে সাধারন চাকরি না পেয়ে Freelancing শুরু করছে। Freelancing এ সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এতে নিজের স্বাধীনতা রয়েছে এবং এর মাধ্যমে নিজের সৃজনশীলতা ও দক্ষতাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো যায়। বাংলাদেশেও Freelancing এর জনপ্রিয়তা কম নয়। তাই আপনিও যদি Freelancing করতে আগ্রহী হয়ে থাকেন অথবা Freelancing করছেন তাহলে নিচের টিপসগুলো সবসময় মনে রাখবেন তাহলে আপনার সফলতায় তেমন কোনো বাধা আসতে পারবে না।

নিজেকে পরিচিত করে তুলুনঃ

আপনি যেই ক্ষেত্রেই Freelancing করুন না কেন অনলাইনে আপনি যত বেশি জনপ্রিয় হতে পারবেন, Freelancing এ আপনার সফলতার সম্ভাবনা ততই বৃদ্ধি পাবে। তাই আপনার কাজের পাশাপাশি একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরি করে তা জনপ্রিয় করার চেষ্টা করুন। ব্লগের মাধ্যমে আপনার দক্ষতাকে অন্যদের কাছে পৌছে দিন। আপনার কর্মক্ষেত্র সম্পর্কিত কোনো ডিসকাশন ব্লগ খুলে তা দ্বারা অন্যদের সহায়তা করার চেষ্টা করুন।
আপনার যোগাযোগের নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি করুনঃ

Freelancingকে ব্যাবসার সাথে তুলনা করা হয়। তাই এক্ষেত্রে যোগাযোগ রক্ষা করা একটি অত্যন্ত্ গুরুত্বপূর্ন বিষয়। আপনার পুরোনো ক্লায়েন্টদের সাথে যোগাযোগ অক্ষুন্ন রাখুন এতে তাদের কাছ থেকে পুনরায় কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। সকল ক্লায়েন্টএর সাথেই আন্তরিক হওয়ার চেষ্টা করুন। পাশাপাশি সামাজিক জীবনেও সকলের সাথে যোগাযোগ অক্ষুন্ন রাখুন।
নিরাপদ ভাবে কাজ নেওয়ার চেষ্টা করুনঃ

কোনো নতুন ক্লায়েন্ট এর কাজ শুরু করার পূর্বে ক্লায়েন্টটির সম্পর্কে যথা সম্ভব নিশ্চিত হয়ে নিন। তার আগের কাজগুলোর পেমেন্ট ঠিকমতো দিয়েছে কি-না, ফিডব্যাক কেমন ইত্যাদি দেখে নিন। কাজ শুরুর আগেই কাজটি সম্পর্কে বিস্তারিত সবকিছু ক্লায়েন্ট এর কাছ থেকে জেনে নিন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করুনঃ

যে কোনো কাজ শুরুর আগে কাজের সময় নির্ধারন করে নিন। অনেক সময় ফ্রিল্যান্সাররা একসাথে বেশ কয়েকটি কাজ নিয়ে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে হিমশিম খায়। তাই কোন কাজ শেষ করতে কত সময় লাগতে পারে সেই হিসাবেই আপনার কাজগুলোকে ভাগ করে নিন। কাজগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন করার মতো সময় হতে রাখবেন।
ক্লায়েন্টদের সাথে যথা সম্ভব আন্তরিক হোনঃ

নতুন একটি কাজ করার ক্ষেত্রে কাজটি সম্পর্কে প্রথমেই সম্পুর্ন কিছু জেনে নিন। নিজের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগান। প্রজেক্টটি সম্পর্কে আপনার কোনো ক্রিয়েটিভ আইডিয়া থাকলে তা ক্লায়েন্টকে জানান। অনেক ফ্রিল্যান্সাররাই এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয় না কিন্তু এর মাধ্যমেই আপনার সম্পর্কে ক্লায়েন্ট এর একটি ইতিবাচক ধারনা সৃষ্টি হবে যা ওই ক্লায়েন্ট থেকে আরও কাজ পাওয়ার সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দেবে। ক্লায়েন্ট এর সাথে যোগাযোগের সময় আন্তরিকতার প্রকাশ করুন।
সেইসাথে আরও একটি কথা, ইংরেজী ভাল বুঝতে পারলে ক্লায়েন্টদের সাথে যোগাযোগ করতেও সুবিধা। কারন Freelancing Marketplace-এ যোগাযোগের মাধ্যম হলো ইংরেজি। যোগাযোগের জন্য ক্লায়েন্টরা মেইল করতে পারেন, ম্যাসেজ পাঠাতে পারেন, আবার প্রয়োজনে স্কাইপিতে কথা বলতে চাইতে পারেন। সুতরাং আপনি যদি ক্লায়েন্টদের সাথে ইংরেজিতে যোগাযোগ করতে না পারেন তখন কিন্তু কাজ পাবেন না। যেহেতু ইংরেজী একটি আন্তর্জাতিক ভাষা সেহেতু এই ভাষাকে এড়িয়ে যাবার কোন সুযোগ নেই। তাই আপনার নিজের ভাষার পাশাপাশি ইংরেজীতেও দক্ষতা অর্জনের চেষ্টা করতে হবে। ইংরেজীতে দক্ষ হলেই Freelancing এ সাফল্য পাওয়া সহজ হবে।
Share:

Very Easy Affiliate program

এফিলিয়েট -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্ট হচ্ছে সিপিএ মার্কেটিং। CPA এর পূন রূপ হলো  Cost Per Action, এটি এডভাটাইজিং পেমেন্ট মডেল যাতে পেমেন্ট কিছু কাজের উপর নির্ভর করে দেয়া হয়। সেটা হতে পারে রেজিষ্টেশন, ইমেল সাবমিট, পিন সাবমিট অথবা ডাইনলোড । CPA মার্কেটিং জন্য এডয়ার্ক মিডিয়া ও পীরফ্লাই ১ম সারির CPA নেটোয়ার্ক।

What is CPA Marketing?
বর্তমান বাজারে CPA মার্কেটিং  এর বিরাট চাহিদা।  এডভাটাইজিং পেমেন্ট মডেলগুলোর ধারনাই পালটে দিয়েছে। এমাজনের এফলিয়েট মার্কেটিং এর কথা নিমেষেই বলা যায়। আমাজন আপনাকে শুধুমাত্র তখনি টাকা দিবে যখন আপনার মাধম্যে তাদের কোন প্রোডাক্ট সেল হবে। এটা আসলেই অনেকটা কষ্টসাধ্য ব্যপার। নতুন ইন্টারনেট মার্কেটার দের জন্যতো অনেকটা অসম্ভব। সেখানে CPA মার্কেটিং এ আপনাকে পে করা হবে কোন প্রোডাক্ট সেল করার বিনিময়ে নয়, নিদিষ্ট একটি কাজের বিনিময়ে।
গেমস ডাউলোট , ফরমপূরণ,ভিডিও , পন্য কেনা ইত্যাদি ।বপ প্রতিটা লিড বা ফর্ম পুরনের জন্য আপনি কত পাবেন ? CPA মার্কেটিং মাধ্যমে এর গড়ে প্রতিটা লিড থেকে $1-$4 আয় হয়। তারও বেশি আয় হয়ে থাকে। পন্যের মান বা সেবা, চাহিদার উপর আপনাকে মাকের্টি করতে হবে।
নিচের লিংকে যান।


Share:

Trusted Cpa Sites

Trusted Cpa Sites 

Income Must 100% Paid Guarantee          .....
             .              .         .      Click adf.ly Photos and Join now... Stated on  earn Dollar  .  . 
The average CPM for 26th August 2016. Unique = average amount paid for 1000 visitors in the 24-hour period. Raw = average amount paid on the 1st advert view for 1000 link views in the 24-hour period....... Details Next Page
  Adf.ly
 Adf.ly
The average CPM for 26th August 2016. Unique = average amount paid for 1000 visitors in the 24-hour period. Raw = average amount paid on the 1st advert view for 1000 link views in the 24-hour period...... Details Next Page

       
 Rate 2018

Share:

ফ্রিল্যান্সারের করণীয়

ফ্রিল্যান্সারের করণীয়

ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হতে হলে নিচের যোগ্যতাগুলো খুব জরুরী:

–       ধৈয্য শক্তি এ নিজের প্রতি অত্মবিশ্বাস জরুরী।
–       টাকাকে নয় কাজকে ভালবাসতে হবে।
–       ফ্রিল্যান্সিংকে শুধু পার্টটাইম হিসেবে না ফুলটাইম             ক্যারিয়ার ভাবা শুরু করতে হবে।
–       যত বেশি কিছুতে যত বেশি দক্ষ হবেন, সফল হতে             পারবেন তত বেশি।
–       ইন্টারনেটের উপর জীবনকে নির্ভরশীল করতে               পারলে ফ্রিল্যান্সিং সফল হবেন।
–       ইংরেজিতে যত ভাল হবেন,  আপনি জন্য তত বেশি সফল হবেন।
–       কমিউনিকেশন দক্ষতা ফ্রিল্যান্সিংয়ের সফলতা অনেক বাড়িয়ে দেয়।
–       সবসময় নিজের আরো বেশি দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নেশা থাকতে হবে।
–       যে যত বেশি গুগলের উপর নির্ভরশীল, তার সফলতার সম্ভাবনা তত বেশি।
–       প্রচন্ড ইচ্ছাশক্তি ছাড়া কিছুতেই সফল হওয়া যায়না।

টাকা চেয়ে কাজকে বেশি ভালবাসতে হবে: 
ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফলতার জন্য  টাকার লোভ ত্যাগ করে কাজে দক্ষতা অর্জনের দিকে বেশি নজর দিতে হবে।  দক্ষলোকদের সমাদর সবজায়গার মতই ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে। সেজন্য সবার প্রথমে বিভিন্ন রিসোর্স থেকে কাজ শিখে  সেগুলোর বাস্তবভিত্তিক কাজ করে দক্ষতা অর্জন করলেই অনলাইনে কাজের রেট এবং চাহিদা দুটি বৃদ্ধি পাবে। এরকম চাহিদাপূর্ণ অবস্থানে আসার জন্য অবশ্যই কিছুটা সময় দিতে হবে। মনে রাখবেন, অদক্ষ ব্যক্তিদের টাকার পিছনে দৌড়াতে হয়। কিন্তু দক্ষ ব্যক্তিদের পিছনে টাকা দৌড়ায়।

ফ্রিল্যান্সিংকে শুধু পার্টটাইম হিসেবে না ফুলটাইম ক্যারিয়ার ভাবা শুরু করতে হবে:
সময় এসেছে ফ্রিল্যান্সিং পেশাকে  পার্টটাইম চাকুরি না ভেবে ফুলটাইম হিসেবে নিতে হবে। তাহলে প্রত্যেকে কাজের ব্যাপারে আরো বেশি সচেতন হবে এবং দক্ষ হওয়ার ব্যাপারে আগ্রহী হবে। তখন বিদেশী বায়াররা এদেশের  ফ্রিল্যান্সারদেরকে কাজ দিতে আরো বেশি স্বস্তি পাবে।

ফ্রিল্যান্সিংকে পার্টটাইম ভাবার কারনে মূলত আমরা ৩ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি:
১) যখন ফ্রিল্যান্সিংকে ফুলটাইম হিসেবে ভাবা শুরু হবে তখন আরো বেশি মানুষের সম্পৃক্ততা বাড়বে। বৈদেশিক মুদ্রা আরো বেশি দেশে  ঢুকবে, যা সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতিতে বড় সুফল নিয়ে আসবে।

২) ফুলটাইম কাজ ভাবা শুরু করলে ফ্রিল্যান্সিং শুধুমাত্র অনলাইন আয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবেনা, ধীরে ধীরে  এটি তখন সম্মানজনক ক্যারিয়ার হিসেবে বিবেচিত হওয়া শুরু হবে। তখন প্রত্যেকের মধ্যে ভাল করার ব্যাপারে উৎসাহ আরো বাড়বে।

৩) দিনের সময়ের সর্বোচ্চ সময়টি ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য বরাদ্দ রাখতে পারছিনা। সেজন্য দক্ষ যেমন হতে পারছিনা, তেমনি কাজও বেশি করতে পারছিনা।



দক্ষতার সাথে যোগাযোগের  ফ্রিল্যান্সিংয়ের সফলতা অনেক বাড়িয়ে দেয়:
এক জরিপে  দেখা গেছে, যাদের যোগাযোগ দক্ষতা বেশি তারা অন্য সব জায়গার মত ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রেও সফল সবচাইতে বেশি হয়ে থাকে। যোগাযোগ দক্ষতা বলতে বুঝায়: বায়ারের বক্তব্য সঠিকভাবে বুঝতে পারা , বায়ারকে নিজের বক্তব্য সঠিকভাবে বুঝাতে পারা এবং সেই সাথে বায়ারকে কনভেন্স করতে  পারাটাই হচ্ছে, যোগাযোগের মৌলিক দক্ষতা।

যোগাযোগের এ মৌলিক দক্ষতা থাকলে বায়ার কাজ দিয়ে স্বস্তি পায়। আর সেজন্য একবার কাজ করলে পরের কাজটির ক্ষেত্রেও যথাসম্ভব চেষ্টা করেন, একই ফ্রিল্যান্সারকেই কাজটি দেওয়ার জন্য। কাজের দক্ষতা বৃদ্ধির সাথে সাথে যোগাযোগের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্যও চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। তাহলে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে খুব দ্রুত সফল হওয়া যাবে।

যত ভাল ইংরেজিতে  হবেন, তত বেশি সফল হবেন:
যে যত ভাল ইংরেজি পারে, সে তত বেশি ভালভাবে  বায়ারের সাথে সম্পর্কস্থাপন করতে পারে। কারণ বায়ারের নির্দেশনা বুঝতে তার অনেক বেশি সহজ হয়। বায়ারও যাকে দিয়ে কাজ করাবে, তার কথা জড়তা ছাড়া বুঝতে পারে। এ ধরনের ফ্রিল্যান্সারদের সাথে বায়ার ‍স্বাচ্ছন্দে যোগাযোগ স্থাপন  করতে পারে দেখে দীর্ঘদিনের কাজের সম্পর্ক  বজায় রাখে। বেশির ভাগ সময় দেখা যায়, শুধুমাত্র ভাষাগত সমস্যার কারনে কাজ দিয়ে সন্তুষ্ট করার পরও বায়ার এ ফ্রিল্যান্সারের কাছে আর নতুন কোন কাজ নিয়ে ফিরে আসেনা। একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার জন্য তাই নিজেকে ইংরেজিতে ধীরে ধীরে দক্ষ করে তোলার দিকে নজর দিতে হবে।

যত বেশি কিছুতে যত বেশি দক্ষ হবেন, সফল হতে পারবেন তত বেশি:
যদি একজন  ফ্রিল্যান্সারের কাছে একটি কাজের বাইরে অন্যান্য আরও কাজের সাপোর্টও পাওয়া যায়, তাহলে তার সাথে বায়ারের  দীর্ঘদিনের জন্য সম্পৃক্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সেজন্য সব কাজেই দক্ষতা তৈরি করতে পারলে ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে বায়ারদের কাছে নিজের চাহিদা বৃদ্ধি করা যায়। এক্ষেত্রে মাথাতে রাখতে হবে, সব কাজে সমান দক্ষতা অর্জন করাটা অনেক বেশি কষ্টকর। যেটা করতে হবে, কোনটি একটিতে  ভালো দক্ষ হতে হবে, বাকিগুলোতে মোটামুটি দক্ষ হলেই চলবে।

সবসময়  নিজের আরো বেশি দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নেশা থাকতে হবে:
ফ্রিল্যান্সার হিসেবে বহুদিন পযন্ত  বায়ারদের কাছে নিজের চাহিদা ধরে রাখার জন্য সবসময় নতুন কিছু  শিখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। ধরি, কেউ যদি এসইওর কাজের মাধ্যমে আউটসোর্সিং করে থাকেন, তাহলে প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময় এসইও সম্পর্কিত লিখা পাওয়া যায়, এরকম ব্লগগুলোর পোস্ট নিয়মিত পড়া উচিত। নতুন যত আপডেট আসছে, সব কিছু জেনে সেগুলোতে নিজেকে দক্ষ করতে  হবে।


প্রচন্ড ইচ্ছাশক্তি ছাড়া কিছুতেই সফল হওয়া যায়না:
যে কোন কাজের  সফলতার জন্য যেমন সবার প্রথমে দরকার ইচ্ছাশক্তি, ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রেও বিষয়টা ব্যতিক্রম না। প্রচন্ড ইচ্ছাশক্তি থাকলে ফ্রিল্যান্সিংয়ের সফল হওয়ার ব্যাপারে যত প্রস্তুতিমূলক পরিশ্রম  করা দরকার, সব কিছু করতে আগ্রহ থাকবে। সুতরাং কারও কথা শুনে হালকাভাবে লক্ষ্য নিয়ে নামলে ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনাটা ৯৫%। কিন্তু যদি নিজের তীব্র ইচ্ছা থাকে এবং একাগ্রতা থাকে, তাহলেই ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হবেন।

যে যত বেশি গুগলের উপর নির্ভরশীল, তার সফলতার সম্ভাবনা তত বেশি:
কোন সমস্যাতে পড়লে সে বিষয়ে জানার জন্য কোন ব্যক্তির কাছে প্রশ্ন না করে, সে বিষয়ে গুগলকে প্রশ্ন করা  উচিত। গুগলের উপর এ নির্ভরশীলতা জানার পরিধি অনেক বাড়িয়ে দেয়। গুগলে খোজ করলে অনেকগুলো উত্তর পাওয়া যাবে, যা চিন্তা শক্তিকে বাড়াবে। ফ্রিল্যান্সিংয়ের সফলতার জন্য শুরু থেকেই গুগলের উপর নির্ভরশীলতা  বাড়াতে হবে।


ইন্টারনেটের উপর জীবনকে নির্ভরশীল করতে পারলে ফ্রিল্যান্সিং সফল হবেন:
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করলেই কাজ পেয়ে যায়না। এরকম সফলতার জন্য  শুরুর দিকে কষ্ট অনেক বেশি করতে হয়। আর এজন্য ইন্টারনেটে দিনের বেশিরভাগ সময় ব্যয় করা উচিত। শুধু ফেসবুকে সময় ব্যয় না  করে, বিভিন্ন ব্লগ, ফোরাম, ভিডিও কিংবা অন-লাইনের অন্য জায়গাগুলো প্রতিদিনের বড় একটা সময় ব্যয় করার অভ্যাস নিজের মধ্যে গড়ে তুলতে হবে। এসব জায়গাগুলোতে সারাবিশ্বের বিভিন্ন বড় বড় ফ্রিল্যান্সাররা তাদের অভিজ্ঞতার  আলোকে বিভিন্ন বিষয় শেয়ার করে। এগুলো সত্যিকারেরভাবে অনেক কিছু নতুন অনেক কিছু শিখতে এবং সবকিছুর বিষয়ে আরো অ্যাডভান্স হতে সহযোগিতা করে।


ধৈয্য শক্তি এ সেক্টরের জন্য অত্যন্ত  গুরুত্বপূর্ণ:
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার আগে ধৈয্য শক্তি বাড়িয়ে নেওয়া উচিত। কাজ শিখতেও ধৈয্য নিয়ে শিখতে হবে।  পরে শুরুতে কাজ পাওয়ার জন্য বহুদিন ধৈয্য সহকারে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হয়। এমন হতে পারে, কাজ শিখার পর ১ম কাজের অর্ডার পেতে ১বছরও লেগে যেতে পারে। কিন্তু তারপরও ধৈয্য হারালে চলবেনা।  চেষ্টা চালিয়ে  যেতে হবে, নিজেকে দক্ষ করতে হবে, বায়ারের  কাছে কাজ চাওয়ার ধরনে  পরিবর্তন এনে দেখা যেতে পারে। হতাশ না হয়ে কাজ পাওয়ার ব্যাপারে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

আপনার সফল ফ্রিল্যান্সার  হতে হলে উপরের বিষয়গুলো নিজের ভিতরে নিয়ে আসার চেষ্টা শুরু করে দিতে হবে। বর্তমান  আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকার  চ্যালেঞ্জে জিততে  হলে নিজের মধ্যে বিশেষ কিছু থাকতেই হবে। কাজের দক্ষতার পাশাপাশি অধ্যাবসায়, ধৈয্য এবং নতুন কিছু শিখার নেশা সফলদের কাতারে পৌছিয়ে দিবে। আশা করি আমার লেখা আপনাদের কাজ আসবে। আপনার জন্য রহল শুভ কামণা। ধন্যবাদ।

Share:

বাংলায় আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিং

মার্কেটপ্লেসে আপনার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে  আপনার কাজের চাহিদা।  আপনার সহজ কাজগুলোর মধ্যে আছে Search Engine Optimization, Article writing, Data Entry ইত্যাদি। যেহেতু কাজগুলো সহজ, সেহেতু এগুলোতে বিডিং হয় সবচেয়ে বেশি এবং এগুলো সহসা পাওয়া খুব কঠিন হয়ে যায়। এগুলোর চাইতে একটু কঠিন কাজ হল Software Development, Graphics Designing, Web Development, Product Development,  ইত্যাদি। কঠিন কাজগুলোতে সহজ কাজের চাইতে পে-মেন্ট বেশি হয়ে থাকে।


আপনার কাজটি করবেন সেটি নির্ভর করে আপনি কোন্ কাজে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন এবং মার্কেটপ্লেসে তার চাহিদা কেমন। সবসময় এই দুটো বিষয়ের ওপর ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করুন। আপনার কাজটি কতটা জটিল, এটি সম্পন্ন করতে কত সময় লাগবে এবং অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে রেট নির্ধারিত হয়। ফিক্সড পেমেন্টের কাজগুলো ৩০ ডলার থেকে শুরু করে ১০০০ বা তারও বেশি ডলারের হয়।


আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিং আগ্রহীদের জন্য কিছু টিপস

আপনি কিভাবে বিড করবেন : 

সাধারণত বিড ২ ভাগে করা যায় : 
Project Fee: কোনো একটি প্রজেক্ট যখন মার্কেটপ্লেসে দেওয়া হয়, তখন আপনি পুরো প্রজেক্টটি সম্পন্ন করতে কত পারিশ্রমিক নিবেন তা নিয়ে বিডিং করতে পারেন।
Hourly Rate: এই পদ্ধতিতে আপনি কোনো একটি প্রজেক্টের জন্য কাজ করতে প্রতি ঘন্টায় কত পারিশ্রমিক নেবেন, তা নিয়ে বিড করতে পারেন।
টাকা তুলবেন কিভাবে
১.  Bank-to-Bank Wire Transfer: অনেক মার্কেটপ্লেস থেকে সরাসরি টাকা আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নিয়ে আসতে পারবেন। তবে সব মার্কেটপ্লেস থেকে এটি করা যায় না, সেক্ষেত্রে অনলাইনে টাকা লেনদেনের বিভিন্ন সার্ভিস ব্যবহার করতে পারেন। এই পদ্ধতিতে প্রথমে আপনার অর্থটি ডলার হিসেবে মার্কেটপ্লেসে আপনার অ্যাকাউন্টে জমা হবে। টাকা পাবার পর সেটি আপনি Skrill (প্রাক্তন Moneybookers) বা এ ধরনের কোনো মানি সার্ভিসের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনাকে মার্কেটপ্লেস ভেদে ট্রান্সফার ফি দিতে হতে পারে। এরপর Skrill থেকে সেই টাকাটি আপনি আপনার দেশের কোনো ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে নিয়ে আসতে পারবেন। এই ধাপে ব্যাংক আপনার কাছ থেকে আরেকটি ট্রান্সফার ফি কেটে নিতে পারে। এক্ষেত্রে আপনার খেয়াল রাখতে হবে যে ব্যাংকটির যেনো অবশ্যই একটি SWIFT Code থাকে। নতুবা আপনার টাকা Skrill থেকে ট্রান্সফার হবে না। পুরো প্রক্রিয়াটি প্রথম ট্রান্স্যাকশনের ক্ষেত্রে প্রায় এক মাস লাগে। পরবর্তী Transaction গুলো সাত দিনের মধ্যেই হয়ে যায়। বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর SWIFT Code পেতে নিচের লিংকটি দেখতে পারেনঃ
http://www.theswiftcodes.com/bangladesh/

২. পেওনিয়ার কার্ড (Payoneer Card): নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার বিনিময়ে আপনি আপনার মার্কেটপ্লেস থেকে যেকোনো সময়ে অর্থ উত্তোলন করার জন্য একটি কার্ড পেতে পারেন। এটি এক রকম ডেবিট কার্ডের মত। এই কার্ড দিয়ে আপনি পৃথিবীর যেকোন স্থান থেকে ATM এর মাধ্যমে যেকোন সময়ে আপনার মার্কেটপ্লেসে জমানো টাকা তুলতে পারবেন। এই কার্ড দিয়ে টাকা উত্তোলনের পাশাপাশি অনলাইনে কেনাকাটাও করতে পারবেন। এমনকি এর মাধ্যমে বিদেশে অবস্থিত আপনার কোন আত্মীয় বা বন্ধুবান্ধব তাদের মাস্টারকার্ড বা ভিসা কার্ড থেকে আপনাকে টাকা পাঠাতে পারবেন।

৩. ক্লায়েন্ট কাছ থেকে সরাসরি ট্রান্সফারঃ যখন কেউ একজন আপনার রেগুলার ক্লায়েন্ট হয়ে যাবেন, তখন তার কাছ থেকে প্রজেক্ট পেতে আপনার আর মার্কেটপ্লেসে যেতে হবে না। তিনি সরাসরি আপনার সাথে ই-মেইল বা অন্য কোনো উপায়ে যোগাযোগ করে প্রজেক্ট দিবেন এবং প্রজেক্টের পে-মেন্ট আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ট্রান্সফার করবেন।

ফ্রিল্যান্সারদের চ্যালেঞ্জসমূহ : 
ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে কাজ করতে গেলে অপার সম্ভাবনার পাশাপাশি কিছু কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি-ও হতে হয়। যেমনঃ-

কাজ করার সুনির্দিষ্ট কোনো সময় নেই, ক্লায়েন্ট যখন চাইবেন তখনই তাকে কাজের অগ্রগতি দেখাতে হবে। এটি আপনার প্রাত্যহিক ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে।
যারা নতুন ফ্রিল্যান্সিং করছেন তাদের মাসিক আয় যথেষ্ট পরিমাণে ওঠানামা করতে পারে।
সব ক্লায়েন্টের প্রতিশ্রুতি এক রকম থাকে না, কাজ শেষ হয়ে গেলেও কেউ কেউ সম্পূর্ণ পে-মেন্ট প্রতিশ্রুত সময়ের চেয়ে দেরিতে দেন।
বাংলাদেশে এই পেশাটি এখনও সামাজিকভাবে তেমন একটা স্বীকৃতি পায় নি। তবে দ্রুতই মানুষের দৃষ্টিভঙ্গী বদলে যাচ্ছে।
কিছু ব্যতিক্রমী মার্কেটপ্লেস
Odesk.com, Elance.com, Freelancer.com- এই প্রচলিত সাইটগুলো ছাড়াও ব্যতিক্রমি কিছু ফ্রিল্যান্সিং করার সাইট আছে। সংক্ষেপে সেগুলোর একটি বর্ণনা এখানে দেওয়া হল।

themeforest.net: থিমফরেস্ট গ্রাফিক্স ডিজাইনিং কাজের একটি জনপ্রিয় সাইট । গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা এখানে তাঁদের ডিজাইন টেমপ্লেট বিক্রি করতে পারেন এবং ডেভেলপার হলে ডিজাইনের পাশাপাশি এইচটিএমএল এবং সিএসএস কোডিংও বিক্রি করা যায়। থিমফরেস্টে থিম বিক্রি হয়, আর গ্রাফিক্স বিক্রি করার জন্য গ্রাফিকরিভার, কোড বিক্রি করার জন্য কোডক্যানিয়ন, স্টক ফটোগ্রাফি বিক্রি করার জন্য ফটোডিউন এবং থ্রিডি অ্যানিমেশন বিক্রির জন্য থ্রিডিওশান বেশ জনপ্রিয় মার্কেটপেস।
এরকম ব্যতিক্রমী কিন্তু জনপ্রিয় আরও দুটি মার্কেটপ্লেস হল designcrowd.com এবং fiverr.com

99designs.com : গ্রাফিক ডিজাইন নির্ভর এই সাইটটিতে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কাজের পুরস্কার প্রদান করা হয়। আর এ সাইটের পুরস্কারের টাকার পরিমাণ অন্য যেকোনো সাইটের তুলনায় বেশ ভাল। এখানে ক্লায়েন্ট তার চাহিদা অনুযায়ী কাজের বিবরণ দিবেন, কাজটি পাওয়ার জন্য আপনাকে কোন দরখাস্ত করতে হবে না। তার বর্ননা করা চাহিদা অনুযায়ী আপনি ডিজাইন করবেন এবং তা প্রতিযোগিতার পেইজে আপলোড করবেন। আপনার ডিজাইনটি সংশ্লিষ্ট ক্লায়েন্ট দেখবেন। আপনার মত আরও অনেক ডিজাইনার তাঁর নিজের ডিজাইন আপলোড করবেন ক্লায়েন্টের কাছে। ক্লায়েন্ট এর যে ডিজাইন পছন্দ হবে তিনি সেটিই বেছে নেবেন এবং সবশেষে পারফেক্ট ডিজাইনারকে পুরস্কার বা প্রজেক্টের টাকা প্রদান করবেন।


আলোচ্য বিষয় : 
১. ফ্রিল্যান্সিং প্রজেক্টগুলোর একটি বড় অংশ আসে পশ্চিমা দেশগুলো থেকে, তাদের সাথে আমাদের সময়ের পার্থক্য ৫ থেকে ১২ ঘন্টা। সহজ প্রজেক্টগুলো পোস্ট হবার প্রায় সাথে সাথেই বিডিং শুরু হয়ে যায়। তাই আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারের শুরুতে রাতের বেলা বিড করতে হবে।

২. কাজটি জেনুইন কিনা বুঝতে সবার আগে যিনি প্রজেক্টটি পোস্ট করেছেন তার অ্যাকাউন্টটি ভালো করে পর্যবেক্ষণ করুন। তার সম্পর্কে অন্যদের ফিডব্যাকগুলো দেখে নিন। তিনি পেমেন্ট ভেরিফাইড কিনা সেটা দেখুন। বিড করার পর প্রজেক্ট পেয়ে গেলে তাকে প্রশ্ন করুন যে তিনি কিভাবে পে-মেন্ট দিতে চান, কবে দিতে পারবেন।
৩. আধুনিক প্রযুক্তিগত উন্নতির দিকে চোখ রাখুন। সব সময় আপনার কাজের মান উন্নয়ন করতে চেষ্টা করুন। এটি আপনার ভাল প্রোফাইল ধরে রাখতে সহায়তা করবে।

৪. সহসাই কোনো প্রজেক্টের প্রস্তাব গ্রহণ না করে একটু ভেবে দেখুন কাজটি আপনি ১০০ ভাগ সম্পূর্ণ করতে পারবেন কিনা।

৫. কোনো কোনো মার্কেটপ্লেসে বিডিং করার সময় একটি Cover letter দিতে হয়। এক্ষেত্রে Cover letter টি প্রাসঙ্গিক, হতে হবে। সব কয়টি Cover letter এ একই ধরনের Template ব্যবহার করবেন না। চেষ্টা করুন আপনার সব কয়টি Cover letter নিজে থেকে বানাতে, এতে আপনার সৃজনশীলতা প্রকাশ পাবে।

৬. আপনার কাজের জায়গাটি সর্বদা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন। কাজের মাঝে বিশ্রাম নিতে ভুলবেন না। আপনার প্রাত্যহিক কাজগুলো মনে রাখতে একটি ছোটো নোটবুক সাথে রাখতে পারেন।

৭. কাজের চাপ সামাল দিতে শিখুন। ফ্রিল্যান্সিং পেশায় সব সময় কাজের চাপ সমান থাকে না। যখন চাপ অনেক বেশি থাকে তখন নিজেকে নিয়ন্ত্রন করাটা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এর জন্য পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে একটি ভালো খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন। সময়ানুবর্তীতা বজায় রাখুন।

৮. ক্লায়েন্টের সাথে যেকোন ধরনের যোগাযোগ অথবা অডিও/ভিডিও ইন্টারভিউ এর সময় পেশাদারী পোশাক এবং ব্যবহার বজায় রাখুন।
৯. ভালো ক্লায়েন্ট ধরে রাখার চেষ্টা করুন। সব ক্লায়েন্টের কাছ থেকে আপনি একই ব্যবহার পাবেন না, যার ব্যবহার ভালো তাকে ধরে রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন। ভবিষ্যতে তার হাত ধরেই আপনি ভালো প্রজেক্ট পেতে পারেন।

১০. আপনি যেই মার্কেটপ্লেসে কাজ করছেন সেখানে Escrow সার্ভিস থাকলে সেটির সর্বোচ্চ ব্যবহার করুন। Escrow হল মার্কেটপ্লেসে টাকা জমা রাখার একটি সার্ভিস যা কাজের শেষে আপনার পারিশ্রমিক পাওয়া নিশ্চিত করে। কোনো একটি প্রজেক্টের বিষয়ে কথা বলার সময় আপনি ক্লায়েন্টকে অনুরোধ করতে পারেন পারিশ্রমিকের পুরো টাকাটি Escrow তে জমা রাখতে। Escrow তে একবার টাকা রাখার পর তা ক্লায়েন্ট ফিরিয়ে নিতে পারবেন না। প্রজেক্টের কাজ শেষ হয়ে গেলে তিনি Escrow থেকে আপনার অ্যাকাউন্টে টাকা Discharge করে দিবেন। যদি আপনার ক্লায়েন্ট টাকা না দেন, তাহলে এই Escrow সার্ভিসের মাধ্যমে আপনার পাওনা টাকা যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট দাবী করতে পারবেন।

১১. কোনো কোনো প্রজেক্টের জন্য Employer ইন্টারভিউ এর ব্যবস্থা রাখেন। যেসব প্রজেক্টের জন্য ইন্টারভিউ শুরু হয়ে গেছে সেগুলোতে বিড না করাই ভালো, কারণ ইন্টারভিউ যেহেতু শুরু হয়ে গেছে, সুতরাং সেগুলো থেকে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম থাকে।

১২. আপনার কাজ ক্লায়েন্টের পছন্দ হয়েছে কি-না তা জিজ্ঞেস করতে ভুলবেন না। ক্লায়েন্টের feedback থেকে আপনি অনেক কিছু শিখতে পারবেন।

আউটসোর্সিংয়ে বাংলাদেশ
বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় তিনটি মার্কেটপ্লেস হলো Odesk.com, Freelancer.com, Elance.com। এই তিনটি সাইটেই খুব ভালো অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

অপর জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস ইল্যান্সেও প্রথম সারিতে রয়েছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে ইল্যান্স কর্তৃপক্ষ কন্ট্রাক্টর বাই জিওগ্রাফি ক্যাটাগরিতে শীর্ষ ২৫টি দেশের নাম প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশের নাম। শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। প্রকাশিত তথ্যমতে, সাইটটিতে বর্তমানে বাংলাদেশি নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সার ৩৯ হাজার ১৯৫ (৬ এপ্রিল ২০১৩ সাল পর্যন্ত)। এখানে বাংলাদেশিদের প্রতি ঘন্টায় গড় কাজের মূল্য ৯ ডলার। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা এই সাইট থেকে ৪৯ লাখ ইউএস ডলার আয় করেছে।

আউটসোর্সিংয়ের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান ওডেস্ক। ফ্রিল্যান্সিং-এর সবচেয়ে বড় এই মার্কেটপ্লেসে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ৩য়। বর্তমানে ৭০০০ সক্রিয় বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার রয়েছে ওডেস্কে এবং বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ দিন দিন বেড়েই চলেছে। এই কারণে ওডেস্কের উদ্যোগে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘কনট্রাক্টরস অ্যাপ্রিপ্রিয়েশন ডে (২০১২) এবং ওডেস্কের পক্ষ থেকে কয়েক দফা বাংলাদেশে সফরে এসেছেন ওডেস্কের শীর্ষস্থানীয় সব কর্মকর্তা। ২০০৯ সালে ওডেস্কের মোট কাজের ২ শতাংশ করতেন বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা। ২০১২ সাল নাগাদ যা গিয়ে দাঁড়ায় ১২ শতাংশে। ২০১২ সালের প্রান্তিকে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা ওডেস্কে ৭ লাখ ২০ হাজার ঘন্টা কাজ করেছেন।

ফ্রিল্যান্সার ডটকমে ২৫ হাজারের বেশি নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সার রয়েছে বলে জানা গেছে। দ্বিতীয় জনপ্রিয় সাইট ফ্রিল্যান্সার ডটকমেও বাংলাদেশিদের অবস্থান সন্তোষজনক। এ সাইটটিতে বাংলাদেশিরা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এবং সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের কাজই বেশি করে থাকেন। সর্বশেষ স্ত্রিপ্টল্যান্সডটকম সাইটটি ফ্রিল্যান্সার কর্তৃক কিনে নেয়ায় বাংলাদেশি অনেক প্রোগ্রামার এখন ফ্রিল্যান্সার ডটকমে কাজ শুরু করেছেন।

বাংলাদেশিরা মূলত Data Entry এবং SEO/SEM/SMM-এর কাজ বেশি হয়। এছাড়া Software Development, Writing & Content, Web Development, Design, এবং Multimedia & Architecture সহ অন্যান্য কাজের পরিমাণ কম না। ওয়েব ডেবেলপমেন্ট বা সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট সংক্রান্ত প্রকল্পে ব্যয় বেশি। এধরণের কাজগুলোতে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের আরও বেশি সম্পৃক্ত হতে হবে। দেখা যায় বাংলাদেশি একজন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার যেখানে প্রতি ঘন্টার জন্য ৩ থেকে ৫ ডলার মূল্যে কাজ করেন সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের একজন ওয়েব ডেভেলপার প্রতি ঘন্টার জন্য ৩০ থেকে ১০০ ডলার পর্যন্ত চার্জ করে থাকেন। কেবল তাঁর দক্ষতার কারণেই এত বিপুল পরিমাণ অর্থ তিনি চার্জ করতে পারছেন। এক্ষেত্রে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের আরো দক্ষতা অর্জন করা দরকার।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ফিল্যান্সিং এর অবদান
 আউটসোর্সিং শিল্পের দিকে। ২০১২ সালে ৩৬৫ কোটি টাকারও বেশি আয় করেছেন বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা। ২০১৫ সালে সর্বমোট ৪৪৩ বিলিয়ন ডলার সমপরিমাণের কাজ আউটসোর্স হবে। আমরা যদি এর ১০% মার্কেট শেয়ার নিতে পারি তাহলে সেটা প্রায় ৪৫ বিলিয়ন ইউএস ডলার এবং ৫% মার্কেট শেয়ার নিলে সেটা হবে প্রায় ২৩ বিলিয়ন ইউএস ডলার, যা কিনা আমাদের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের বর্তমানের সবচেয়ে বড় খাতকেও অতিক্রম করবে।
বাংলাদেশে প্রায় ৫০ শতাংশই মহিলা। আর এ মহিলাদের একটা বিশাল অংশ জাতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলে- এমন কাজ খুব কমই করেন।  তাদের একটা বড় অংশ চাইলে বাসায় বসে প্রতিদিন ৩-৪ ঘন্টা সময় দিলে প্রতি ঘন্টা ১ ডলার হিসাবে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩-৪ ডলারও ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করতে পারেন। মোট কর্মক্ষম লোকের সংখ্যা যদি ৭ কোটি হয় তাহলে নারী আছে ৩.৫ কোটি। এর মধ্যে শিক্ষিত তরুণী এবং মহিলা যদি অর্ধ কোটিও হয় এবং তাঁদেরকে ফ্রিল্যান্সার হিসাবে গড়ে তোলা সম্ভব হয় তবে প্রতিদিন ১.৫ কোটি ডলার আয় আসবে এ ক্ষেত্র থেকে। বছরে এ আয়ের পরিমাণ দাড়াবে ৫০০ কোটি ডলারে। ধন্যবাদ সাথেই থাকবেন। 
Share:

Bangla Youtube Marketing | বাংলায় ইউটিউব মাকেটিং

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে বেশি পপুলোর  হল “Youtube MCN”। এর আগে আপনাকে জানতে হবে ? MCN কি?   MCN এ কীভাবে Approve পেতে হয়? এই সকল বিশয় নিয়ে আজকে আমারা জানবো।
তাহলে চলুন মূল আলোচনায় চলে যাওয়ার আগে কিছু কথা বলে নেই টিউন টা ভাল কড়ে পড়ে-বুজে শুনে Apply করবেন। না বুজে কোন কাজ করবেন না।1

Multi channel networks
*“মাল্টি-চ্যানেল নেটওয়ার্ক” কি?
*“মাল্টি-চ্যানেল নেটওয়ার্ক” শব্দটির সংক্ষিপ্ত রুপ হল“এম.সি.এন” (MCN). একে সাচ্ ইঞ্জিনের *ভাষায় “ইউটিউব পার্টনারশিপ
*নেটওয়ার্ক” বলা হয়ে থাকে।

“মাল্টি-চ্যানেল নেটওয়ার্ক” বা “ইউটিউব পার্টনারশিপ নেটওয়ার্ক”এমন একটি যা কিনা ইউটিউব এর মতো প্ল্যাটফর্মের সাথে কাজ করে।


মূলত“মাল্টি-চ্যানেল নেটওয়ার্ক” বা “ইউটিউব পার্টনারশিপ নেটওয়ার্ক” গুলো সারা দুনিয়ার মাল্টিপল/একাদিক ইউটিউব চ্যানেনলর সাথে অদিযুক্ত হয়ে কন্টেন্ট ক্রিয়েটোড়/ইউটিউব পাবলিশারদের নানাবীড সহায়তা,পণ্য, ক্রয়-প্রোমোশন,প্রোগ্রামিং,ফাণ্ডীং,পাঠনার ম্যানেজমেণ্ট,ডিজিটাল রাইট ম্যানেজমেণ্ট,মনিটাইজেশণ/সেলস, ভিসিটর ডেবলপম্যানট ও চ্যানেলেএর ভিডিও উচ্চ সি.পি.এম. বিজ্ঞাপন শো করিয়ে রাজশের শতকরা বিনিময় করে থাকে।

https://support.google.com/youtube/answer/2737059?hl=en
https://en.wikipedia.org/wiki/Multi-channel_network
                                                                                       সংগৃতঃ
মোট কথা, “MCN”হল“ইউটিউব অনুমদিত” গুগল অ্যাডসেন্স এর মত একটা প্লাটফম যেখানে ইউটিউব পাবলিশাররা গুগল অ্যাডসেন্স এর
চেয়ে বেশি কিছূ সুযোগ সুবিদা ভোগ করে এবং ইউটিউব পাবলিশারদের ইনকাম গুগল অ্যাডসেন্স এর চেয়ে অনেকগুনে ব্রিধি পায়।
এমনকি “MCN” এর সকল আভন্তরিন ও বাহ্যিক্ক কার্যাবলী “ইউটিউব অনুমদিত”কতগুলো প্রথিষ্টিত সারভিস প্রবাইডারের মাধ্যমে পরিচালিত
হয়, যারা প্রতোকটা“MCN”এর সাথে জড়িত থাকে ইউটিউব পাবলিশারদের সার্বিক উন্নয়নে নিয়জিত থাকে।


এখন আলোচনা করবো http://www.scalelab.com নিয়ে।scale lab হচ্ছে একটা multi-channel network for YouTube channels।বন্দুরা multi-channel network কি তা সম্পর্কে আমি উপরে যথেষ্ট লিখেসি আসা করি বুজতে পেরেসেন।এখন অনেকের মনে প্রশ্ন জেগেসে এই সাইট কি Trusted কিনা বা এইটা কোন দেশের সাইট?এর Founder কে?CEO কে?Website এর valu কত? এই সব গুলো তথ্য জানতে এই লিঙ্ক এ ক্লিক করুন তাহলে শব জানতে পারবেন।
http://www.scamadviser.com/check-website/scalelab.com


এখন অনেক এ বলতে পারেন এইটা যে “Youtube Certifaid“এর প্রমান কি?
অনেক এ হয়তো জানেন http://www.socialblade.com নাম এ একটা সাইট আসে যেইখানে প্রতিদিন এবং প্রতি মাসের updated একটা লিস্ট প্রকাশিত করে সেখানে Top Youtube Mcn Network এবং Top youtube Channel এর লিস্ট থাকে।Firstly, http://www.socialblade.com এ গিয়ে Top List ক্লিক করার সাথে সাথে একটা লিস্ট শো করবে সেইখানে দেখতে পারবেন Top 250 Youtube Networks সেইটাতে ক্লিক করবেন তারপর দেকবেন একটা লিস্ট আসবে টপ Top Youtube Mcn Network এর এটি “World Wide” Ranking দেখাবে সেইখানে 17 নাম্বার লিস্ট এ দেকবেন scale lab।তারপর সেটি তে ক্লিক করবেন তাহলেই দেখতে পারবেন ওদের Membar কতো,ভিউআর কতো এবং সাবস্ক্রাইবার কত।এই সব গুলো জিনিষ দেখার পর মনে হয় আপনারা বুজতে পারবেন কত ভাল মানের একটি Mcn Network এই scale lab।2

scale lab
“Scale lab” এর সাথে যুক্ত হলে যেই সকল সুযোগ সুবিদা গুলো পাবেন তা নীচে ঊল্লেখ করা হলো :–
১)“Scale lab” এর সাথে যুক্ত হলে টাকা তোলার জন্য কোন Pin verification এর প্রয়োজন হয় না।

২)“Scale lab”এর সাথে সংযুক্ত হলে“Scale lab”আপনাকে একটা ড্যাশবোর্ড প্রধান করা হবে শেখানে গুগল অ্যাডসেন্স “হোসটেড অ্যাকাউন্ট” এর
মত শকল রিপোর্ট দেকতে ও জানতে পারবেন।
সেজন্য আলাদা করে গুগল অ্যাডসেন্স “হোসটেড অ্যাকাউন্ট” তরী করার দরকার নেই।

৩)”Scale lab”- এ চ্যানেল মনিটাইজ করার জন্য যে কোন দেশের নাম এবং লোকেশন দিতে পারেন।বাংলাদেশ দিলে ও কোন সমস্যা নাই।
৪)“Scale lab”চ্যানেল উনুমদিত পেলে অটোমেটিক মনিটাইজ এর জন্য পার্টনারশিপ করে নিবে।

৫)গুগল অ্যাডসেন্স থাকা অবস্তায় কেও চ্যানেল “Scale lab”- এ সংযুক্ত করতে চাইলে সেটা শম্বব হবে। আর জেদিন থেকে “Scale lab”উক্ত
চ্যানেল উনুমদিত করে দিবে সেদিন থেকে গুগল অ্যাডসেন্স “হোসটেড অ্যাকাউন্ট” এর সাথে কোন প্রকার সম্পর্ক থাকবেনা।সেদিন থেকে সকল
আরনিং রিপোর্ট এবং আনালাইসিস রিপোর্ট “Scale lab” ড্যাশবোর্ড এ প্রদর্শিত হবে।

৬)“Scale lab”- এর চ্যানেল অনুমদন এর নিয়ম মতাবেক চ্যানেনলর মেয়াদ,ভিউ ও সাবস্ক্রাইবার সংখা সঠিক
নতুন চ্যানেল ও সংযুক্ত করতে পারবেন।সেজন্য গুগল অ্যাডসেন্স “হোসটেড অ্যাকাউন্ট” এর সাথে পার্টনারশিপ থাকতে হবে এমন কোন নিয়ম
নাই।

৭)আপনারা জানেন যে,কোন কারনে আপনার ইউটিউব চ্যানেলটি যদি কখনো সাসপেন্ড হয় তাহলে গুগল সেই অর্জিত মুনাফা বেশীরভাগ সময়
দেয়না কিন্তু আপনার চ্যানেল যদি “Scale lab” এর থাকা সময় সাসপেন্ড হয় সেই কাঙ্ক্ষিত অর্জন করা মুনাফা “Scale lab” প্রদান করবে.
অর্থাৎ চ্যানেল হয়ে গেলেও চ্যানেল সাসপেন্ড হওয়ার পূর্ববর্তী মুহূর্ত পর্যন্ত কষ্টের উপার্জিত ইনকাম “Scale lab“এল ড্যাশবোর্ড এর রিপোর্ট
অনুযায়ী আপনার প্রদানকৃত পেমেন্ট অ্যাকাউন্ট এ যথাক্রমে পেয়ে যাবেন।

৮)হ্যাঁ অবশই। “Scale lab”- এর অন্তভুকক্ত শকল চ্যানেল এর সকল ভিডিও তে গুগল অ্যাডসেন্স এর (৪)চার প্রকার অ্যাড ফরম্যাট ছারাও
অতিরিক্ত (২) দুই প্রকার মোট (৬) প্রকার অ্যাড ফরম্যাট ভেইয়ারদের কাছে প্রদরশন করা হবে(২) দুই প্রকার অ্যাড ফরম্যাট এর নাম
হলঃ
১)”নন –স্কিপ্যাবল ভিডিও অ্যাড “অর্থাৎ আপনার ভিউয়ার যদি আপনার ভিডিও টি দেখতে চায় অব্যশই তাকে নন-স্কিপ্যাবল ভিডিও অ্যাড
টি দেখার পরে আপনার ভিডিও টি দেখতে হবে।বিষয়টা হল সেই ভিডিও অ্যাডটি স্কিপ করার কোন অপশন সে পাবে না।
*২. “লং নন –স্কিপ্যাবল ভিডিও অ্যাড “অর্থাৎ দীর্ঘ যেমন:১ মিনিট/১০:৩০ সেকেন্ড /২ মিনিট সময়ের অ্যাড ফরম্যাট চ্যানেলের ভিডিও
গুলোতে প্রদর্শিত হবে।
এমনকি এই অ্যাড ফরম্যাটটিতেও কোন প্রকার স্কিপ করার অপশন ভিউয়ার পাবে না।3


Non-skippable video ads
৯) গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাড এর পাশাপাশি“Scale lab” এর হাই শি.পি.এম. রেটের অ্যাড দেখানো হবে।
১০)যেহেতু “Scale lab”অ্যাডসেন্স বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি হাই সি.পি.এম. রেটের বিজ্ঞাপন দেখানো হবে সেক্ষেত্রে অ্যাডসেন্স ইনকাম এর চেয়ে কম
আরনিং হওয়ার সম্বাবনা 100% নাই। বরং “Scale lab” এর হাই সি.পি.এম. বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের জন্য ২গুন/৩গুন ইনকাম বেড়ে গেলেও অবাক
হওয়ার কিছু নাই।

১১)“Scale lab”- এ অন্তভুক্ত প্রত্যেকটা চ্যানেলের পাবলিসারদের প্রমোশন এর পাশাপাশি “MCN”- টীম আলাদাভাবে চ্যানেল এর ভিউ,সাবস্ক্রাইবার ও কমিউনিটি ইত্যাদি ডেভেলপমেন্ট করে থাকে যার ফলে পাব্লিশেরদের আরনিং অনেকাংশে বেরে যায়।

১২)“Scale lab”-এর সাথে ইউটিউব এর অনুমদিত যে যে
সার্ভিস প্রভাইডার গুলো সার্বক্ষণিক কাজ করে সেগুলো হলঃ-
 http://epoxy.tv
http://www.audiomicro.com/royalty-free-music
 http://vidcon.com
 https://www.tubebuddy.com
 http://genatomic.com
https://www.scalelab.com/brands
https://www.spreadshirt.com
 http://www.epidemicsound.com
 Biggest Channel Development Conversation Community
 Brands Create Energy through Conversation Study Centre
Video Claims Apps
 Study Forum and Blog

১৩)“Scale lab” কেও যদি আপনার ভিডিও চুরি করে তাহলে ভিডিও ক্লেইম সফটওয়্যারের এর মাধ্যমে ইউটিউব সাপোর্ট টিমের কাছে সরাসরি ক্লেইম নোটিশ পাঠাতে পারবেন।যা কিনা “Scale lab” এর ইউটিউব সাটিফাইড সাপোর্ট টিম সাথে সাথে অ্যাকশন নিয়ে সেই চ্যানেল স্ট্রাইক দেয়।4
video claimer apps
১৪)“Scale lab”পাব্লিশারদের জন্য ৮ টা পেমেন্ট সিস্টেম এর মাধ্যমে টাকা নিতে পারবেন।সবচাইতে ভালো সুবিদা হল আপনি চাইলে টাকা,ডলার,রুপি,দিনার আপনার যেই ভাবে দরকার সেই ভাবে নিতে পারবেন।
১৫)প্রথম চ্যানেলটি অনুমধন পেয়ে গেলে সেই চ্যানেল এর
“Scale lab”এর ড্যাশবোর্ড থেকে বাকি চ্যানেল গুলো অ্যাড করিয়ে নিতে পারবেন।
১৬)“Scale lab” Ip Address জনিত কোন প্রবলেম নেই।যত খুশি তত অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন।যেই কোন পিসি বা মোবাইল দিয়া Login করতে পারবেন।
১৭)ডলার উত্তোলন করার সর্বনিম্ন কোন পরিমাণ নেই।আপনি যদি ১ ডলার ইনকাম করেন মাস শেষে ১ ডলার-ই ১ ডলার উত্তোলন করতে পারবেন।
১৮)”Scale lab“এর পাব্লিশাররা ১৫০,০০০+ ফ্রি ষ্টক ট্রাকস ও ৩০০,০০০+ সাউন্ড ইফেক্ট’স ব্যবহার করতে পারবেন।
১৯)অরিজিনিয়াল ভিডিও এর কপির কন্টেন্ট আইডি ইউটিউব থেকে নিয়ে অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের জন্য মনিটাইযেশন করার বাবস্থা করে থাকে।
২০)এই খানে গুগল অ্যাডসেন্স এর মতো “Payee Name” এর কোন জামেলা নেই।যেকোনো সময় যে কোন অ্যাকাউন্ট দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন।
এই সুবিদা গুলো পাবেন তাছাড়াও আরও অনেক সুবিদা পাবেণ।সেই সুবিদা গুলো “Scale lab” এ অ্যাড হলে বুজতে পারবেন।

*এখন আমারা জানব “Scale lab” এ Approve পেতে হলে কি কি থাকা প্রয়োজন:
১)আপনের চ্যানেল এ লাস্ট ৩০ দিন এ ১০০০ ভিউ এবং ১০ টা সাবস্ক্রাইবার অর্জন করতে হবে।
২)আপনের চ্যানেল এ কোন প্রকার “Copyright Strick” থাকলে Approve হবে না।
৩)ইউটিউব চ্যানেল এর লোগো এবং চ্যানেল আর্ট থাকতে হবে।
৪)ভিডিও ফুল উইনিক থাকতে হবে।দেখা যায় আপনি একটি ভিডিও একটু কেটে এডিট করে ইউটিউব আপলোড করলেন অ্যাডসেন্স ধরতে পারলো না কিন্তু “Scale lab” তা দরে ফেলবে।তাই খুবি সতর্ক থাকবেন।
৫)ইউটিউব চ্যানেল লেআউট Customaiz করতে হবে।
৬)সাবস্ক্রাইবার এবং লাইক Button Hide করে রাখলে হবে না।
৭)চ্যানেল টি নাম্বার ভেরফাই করতে হবে।
এই সকল নিয়মাবলি মেনে অ্যাপ্লাই করলে আশা করি Approve পাবেন।

*এবার আশি payment System নিয়েঃ
ক)“Scale lab”পাব্লিশারদের জন্য ৮ টা পেমেন্ট সিস্টেম এর মাধ্যমে টাকা নিতে পারবেন।সবচাইতে ভালো সুবিদা হল আপনি চাইলে টাকা,ডলার,রুপি,দিনার আপনার যেই ভাবে দরকার সেই ভাবে নিতে পারবেন।
খ)৮ টা পেমেন্ট সিস্টেমঃ
.....................................................................
*International Wire Transfer-(শুধু নন অ্যামেরিকার জন্য) (উত্তোলোন সর্বনিম্ন ১০০ ডলার)
*WebMoney-(উত্তোলোন সর্বনিম্ন ১ ডলার)
*Yandex.Money-(উত্তোলোন সর্বনিম্ন ১ ডলার)
*QIWI Wallet- (উত্তোলোন সর্বনিম্ন ১ ডলার)
*বর্তমানে payonner অ্যাড করা হইসে।-(উত্তোলোন সর্বনিম্ন ১ ডলার)5
*Check-(উত্তোলোন সর্বনিম্ন ১০০ ডলার)
*Direct Deposit-(শুধু অ্যামেরিকার জন্য)(উত্তোলোন সর্বনিম্ন ১০০ ডলার)
*Paypal-(উত্তোলোন সর্বনিম্ন ১ ডলার)


scale lab payment system
৩)আমরা জানি যে ইউটিউব প্রতি মাশের ১০ তারিখ কারেন্ট বালেন্সে চূড়ান্ত করে।ইউটিউব চুক্তি অনুযায়ী “Scale lab” এর পুব্লিশারদের ইনকাম চূড়ান্ত করে উক্ত মাসের ১৫ তারিখ এ।
“Scale lab” পরবর্তী মাশের ১-৫ তারিখ ড্যাশবোর্ড এর রিপোর্ট অনুযায়ী পুব্লিশারদের পেমেন্ট দিয়ে থাকে। যদি ও একটু দেরি তে দায় তা ও ভাল কারন অ্যাডসেন্স এর মত এত বেশি সময় দরে Pending এ রাখে না।
*এই হল “Scale lab” পেমেন্ট সিস্টেম।

এইবার আমরা শিখবো কিভাবে “Scale lab” Aplly করতে হয়ঃ
১)প্রথমে এই http://www.scalelab.com ওয়েবে যাওয়ার পরে “Join Now“বাটনে ক্লিক করতে হবে।
২)“Apply Now With YouTube” ক্লিক করে আপনের চ্যানেলের ইমেইল টি দিয়ে login করতে হবে যে চ্যানেল টি “Scale lab”এ join করাতে চান সেটি সিলেক্ট করতে হবে।
৩)“First Name”ও“Last Name”এ আপনের নিজের নাম লিখতে হবে।
৪)তারপর ট্রামস অ্যান্ড কন্ডিশনের “I agree”সাথে চেক-মার্ক/টিক চিহ্ন দিয়ে “APPLY NOW”এ ক্লিক করতে হবে।
৫)“APPLY NOW”এ ক্লিক করার পরেই আপনের চ্যানেল এর ইমেইলটি তে একটি মেইল আসবে।এই মেইল টি আসলে বুজবেন আপনের চ্যানেল APPLY হয়েসে।
৬)৪৮ ঘণ্টার মধ্যে“Scale lab”চ্যানেল অনুমোধন দিলে আপনাকে আরেকটি মেইল দিবে এবং Approve না পেলে ও তা জানিয়ে দিবে।যারা Approve পাবেন তাদের আরেকটি মেইল এ বলে দিবে কিবাবে জয়েন করতে হয়।তারা image আঁকরে দিয়ে দিবে দেখলেই বুযতে পারবেন।
৭)ইমেইল আসা ধারাবাহিক নির্দেশনা অনুযায়ী ইউটিউব ড্যাশবোর্ড থেকে কনফার্ম করার পড় “Scale lab” অটোমেটিকভাবে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই তৃতীয়ভারের মত একটি ইমেইল পাঠাবে।উক্ত ইমেইলটির “LOG INTO YOUR DASHBOARD” অপশনটিতে ক্লিক করার পর নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী Password দিবেন।(মুলত Password টি হল “Scale lab” এর ড্যাশবোর্ড লগইন করার Password)।
৮)Password দিয়ে “Scale lab”ওয়েবসাইটের লগিইন এ ক্লিক করে চ্যানেল এর ইমেইল দিয়ে ড্যাশবোর্ড এ প্রবেশ করতে পারবেন।এর পর থেকে এই ইমেইল অ্যান্ড Password দিয়ে “Scale lab”প্রবেশ করতে পারবেন।
৯)ড্যাশবোর্ড পাওয়ার সাথে সাথে চ্যানেল এর শকল রিপোর্ট দেখতে পারবেন কিন্তু ৭২ ঘণ্টা পর পর চ্যানেল এর আরনিং রিপোর্টগুলো প্রদর্শিত হবে।
১০)এখন আরকি কায শেষ এইবার ৮ টা Peyment অপশন থেকে যেটা ভাল লাগে অ্যাড করিয়ে নিন।

সর্বশেষে গুরুত্বপূর্ণ কায হলঃ
মনে রাখবেন,উপরোক্ত সকল কাজগুলো সম্পন্ন হওয়ার পরে অবশ্যই ইউটিউব চ্যানেল এর ভিতর থেকে প্রতিটি ভিভিও
আবার নতুন করে মনিটাইজ করতে হবে।ভিভিও এর Edit এ যাওয়ার পরে মনিটাইজ অপশন এ ক্লিক করে “Usage Policy” অংশের “Monitize in all country” সিলেক্ট করে “Non-skippable video ads” and “Long non-skippable video ads”ফরম্যাটে গুলো চেক-মার্ক করে“Save Changes”বাটনে ক্লিক করতে হবে।এই পক্রিয়াটি শেষ করে ইউটিউব ড্যাশবোর্ড আরনিং প্রদর্শিত হবে।

*এখন কথা হল এত সুযোগ সুবিদা দিয়ে “Scale lab” এর লাভ কি?
উত্তরঃ তারা ইউটিউব পাব্লিশারদের উচ্চ মাত্রার অর্জিত মুনাফা থেকে দৃঢ়তার সাথে শতকরা ৬৫/৩৫ ভাগ বিনিময় করে থাকে অর্থাৎ আপনি পাবেন টোটাল ইনকাম ৬৫ ভাগ।কিন্তু ভয় পাবার কিছুই নাই ওদের ৩৫ ভাগ কেটে নেয়ার পর ও যা থাকে তা গুগল অ্যাডসেন্স এর থেকে ২গুন/৩গুন বেশি হবে।তাদের আড়েক টি বিশেষ লাভ হোল আপনের ভিডিও কন্টেন্ট দিয়ে “Scale lab” Affiliate করতেসে এবং ভিবিন্ন company গুলোর সাথে চুক্তি করে তাদের Marketing করসে।

আর দেরি না করে আপনের চ্যানেলটি “Scale lab”- এর সাথে সংযুক্ত করে আপনের ইনকাম গুগল অ্যাডসেন্স ইনকাম থেকে কয়েক গুন বাড়িয়ে নিন।

Share:

Language Translate

Online Marketplace

1. Café Press 2. Zazzle, 3. Bonanza, 4. Etsy, 5. Online Auction.com, 6. Overstock.com, 7. NewEgg, 8. Craigslist, 9. ebay, 10. Amazon

Blog Archive

categories

Powered by Blogger.