সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার টিপস।

!!!ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হতে হলে নিচের যোগ্যতাগুলো খুব জরুরী: – ধৈয্য শক্তি এ নিজের প্রতি অত্মবিশ্বাস জরুরী। – টাকাকে নয় কাজকে ভালবাসতে হবে। – ফ্রিল্যান্সিংকে শুধু পার্টটাইম হিসেবে না ফুলটাইম ক্যারিয়ার ভাবা শুরু করতে হবে।

প্রতি ক্লিকে আয় করুন

অবসরে বসে না থেকে প্রতিদিন ৫ থেকে ১৫ ডলার আয় করুন। পোস্টগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়লে। ইনশাল্লাহ আয় করতে পারবেন। প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন।

scarlet clicks000

!!!THE BEST PAYMENT POROCESSOR!!! Join Payeer Now for Free.Add Money in over 35 diffrent Ways and pay on PTC Sites!Commessions 100% per ads click $0.01 to $0.02. you can payout on $2 payment Pzyza, Paypal. Perfect Money. Payeer. Traffice Exchange, Surfratio. so Join us Ptc Market Place. Enjoy life.

Neobux

!!!THE BEST PAYMENT POROCESSOR!!! Join Payeer Now for Free. Add Money in over 35 diffrent Ways and pay on PTC Sites! Add and Safe Bitcoins in seperate BTC Wallet! !!!Recommended!!! Commessions 100% per ads click $0.01 to $0.02. you can payout on $2 payment Payza, Paypal. Perfect Money. Payeer. Traffice Exchange, Surfratio. so Join us Ptc Market Place. Enjoy life.

Paidverts

!!!THE BEST PAYMENT POROCESSOR!!! Join Payeer Now for Free.Add Money in over 35 diffrent Ways and pay on PTC Sites! Add and Safe Bitcoins in seperate BTC Wallet! !!!Recommended!!! Commessions 100% per ads click $0.01 to $0.02. you can payout on $2 payment Pzyza, Paypal. Perfect Money. Payeer. Traffice Exchange, Surfratio. so Join us Ptc Market Place. Enjoy life.

Innocurrent

!!THE BEST PTC!!! Join Now | Proofs: 1 .Guaranteed Daily earning VERY TRUSTED PROGRAM !!! Earn Up to $0.02 for every website visited.U.S. registered company / Very fast Payouts Commessions 100% per ads click $0.01 to $0.02. you can payout on $2 payment Pzyza, Paypal. Perfect Money. Payeer. Traffice Exchange, Surfratio. so Join us Ptc Market Place. Enjoy life.

Legacyclix

!!!THE BEST PAYMENT POROCESSOR!!! Join Payeer Now for Free.Add Money in over 35 diffrent Ways and pay on PTC Sites!Commessions 100% per ads click $0.01 to $0.02. you can payout on $2 payment Pzyza, Paypal. Perfect Money. Payeer. Traffice Exchange, Surfratio. so Join us Ptc Market Place. Enjoy life.

Clixten

!!!THE BEST PTC!!! Join Now | Proofs: 1 High Trusted! Earn Up To $0.01 Per Click !!!Recommended!!! Earn up to $0.01 per referral click / Trusted Since 2014 2.00$ Minimum Cashout via Payza and PM within 24 hours! Commessions 100% per ads click $0.01 to $0.02. you can payout on $2 payment Pzyza, Paypal. Perfect Money. Payeer. Traffice Exchange, Surfratio. so Join us Ptc Market Place. Enjoy life.

Go to The average CPM for 26th August 2016. Unique = average amount paid for 1000 visitors in the 24-hour period. Raw = average amount paid on the 1st advert view for 1000 link views in the 24-hour period...... Details Next Page

দেখে নিন : কলেজ পড়ুয়া ছাত্র/ ছাত্রীদের আর্নি শুরু | সহজ ৭টি মাধ্যম থেকে

কলেজে লেখাপড়ার পাশাপাশি আপনিও আপনার মূলবান সময়টুকু ব্যয় করছেন ফেইসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন রকম সামাজিক যোগাযোগের সাইটে। আমি পূর্বে দিনগুলোকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেগুলোতে সময় ব্যয় করতাম। তবে এখন সময় ব্যয় করি অনলাইন আর্নি ও লেখাপড়ারতে। এখন আমি ভাবি কেন আমি এ সময় টুকু ঐ সমস্ত সামাজিক যোগাযোগের সাইটে ব্যয় না করে ব্লগিং বা অনলাইন মার্কেট প্লেজে ব্যয় কাটালাম না।

10

ইমেইল মার্কেটিং সফলতা...

ইমেইল মার্কেটিং সফলতা...
বর্তমান বিশ্বে ব্যবসা মাত্রই বিজ্ঞাপন নির্ভর। আপনার কোম্পানী বা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের জন্য ভালো একটি Product তৈরি করেছেন অথচ আপনি সেই Product এর প্রচার করলেন না! আপনার কোম্পানীর Product এর সফলতা পাওয়ার সম্ভাবনা কম। আমরা আমাদের চারপাশের Product গুলোর দিকে তাকালেই দেখব অনেক ভালো ভালো Product শুধুমাত্র সঠিক প্রচারের অভাবে উপযুক্ত সাফল্য পাচ্ছে না আবার কম গুনগত মান সম্পন্ন অনেক Product-ই আমাদের চারপাশে আছে যেগুলো সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার করেছে এবং সাফল্যের উচুঁ স্থান থেকে কেউই টেনে নামাতে পারছে না। সুতরাং বলা চলে, বিজ্ঞাপণ অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা ব্যবসার শুরুতেই পরিকল্পনা করে এগিয়ে নিতে হয়।
ক্ষুদ্র ব্যবসায় সাফল্যের জন্য Email মার্কেটিং এর প্রয়োজনীয়তাঃ

বিজ্ঞাপন করার অনেক পদ্ধতি ও মাধ্যমই রয়েছে। আজ যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব তা হলো ‘Email Marketing’। Email Marketing মার্কেটিং এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন করার অনেক সুবিধা রয়েছে। যেমন, Professional মানের Software ব্যবহার করে অল্প টাকায় বিজ্ঞাপন প্রচার করা যায়। ফলে বিজ্ঞাপনের পেছনে অধিক টাকা ব্যয় করার প্রয়োজন নাই। বর্তমান বিশ্ব যেহেতু Web মিডিয়াতে ঝুকে পড়েছে তাই Email Marketing এর সিদ্ধান্ত আপনার জন্য সুদূর প্রসারী সাফল্য এনে দেবে। Email Marketing এর ম্যাধ্যমে Product এর বিস্তারিত তথ্য বিজ্ঞাপন আকারে গ্রাহকের কাছে পৌছে দেয়া সম্ভব হয় যা বিজ্ঞাপনের অন্য কোন প্রক্রিয়াতে সম্ভব নয়। Email Marketing এর মাধ্যমে গ্রাহকের কাছে Product এর তথ্য দীর্ঘস্থায়ীভাবে পৌছে দেয়া সম্ভব। সুতরাং Email Marketing ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সঠিক উপায় হতে পারে।
বাংলাদেশে Email Marketing এর অবস্থানঃ

বাংলাদেশে Email Marketing এর অবস্থা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়ে গেছে। আমরা আমাদের Email গুলো ওপেন করলেই প্রচুর সংখ্যক বিদেশী Email পাই। কিন্তু বাংলাদেশীদের কাছে এই কাজটি এখনো নতুন তাই এই ক্ষেত্রে বড় কিছু করার সুযোগ রয়েছে। Email Marketing এর কাজ শিখে স্থানীয় মার্কেট থেকে যেমন কাজ করে আয় করা সম্ভব তেমনি Freelancing Marketplace গুলোতে কাজ করেও ভাল আয় করার সুযোগ রয়েছে। তাই যারা Email Marketing শিখে আয় করার কথা ভাবছেন তাদের জন্য এটাই উপযুক্ত সময়।
Email Marketing এর কাজ পাওয়ার জন্য Email Marketing শেখা কতটুকু প্রয়োজনঃ

Email করার জন্য আমরা Google, Yahoo ইত্যাদি সেবা গ্রহন করেছি। Professional কাজের জন্য তাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। নির্দিষ্ট সংখ্যক Email পাঠানোর পর আর ইমেল পাঠানো সম্ভব হয় না। তাই Professional কাজের জন্য টেকনিকগুলো জেনে নেয়াই উচিত। যেমন, যেকোন ধরনের Product এর বিজ্ঞাপন Email Marketing এর মাধ্যমে কেবলমাত্র লোকাল গ্রাহকদের কাছে তথ্য পৌছে দেয়া সম্ভব। লোকাল গ্রাহক খুজে নেয়ার টেকনিক তাই জেনে নিতে হবে। আসলে কিছু Software রয়েছে যা Search করার মাধ্যমে আপনার প্রয়োজনীয় গ্রাহকেই খুজে নেয়া সম্ভব। যেমন আপনি যদি বাংলাদেশী হোন তবে কেবল মাত্র বাংলাদেশী Email User খুজে বের করে তাদের কাছে Email পাঠানো সম্ভব। আবার আপনি যদি Graphics Designer হোন তবে Graphics Design এ যাদের আগ্রহ আছে কেবল তাদের খুজে বের করে Email Marketing করা সম্ভব। আবার প্রতিদিন ১০ হাজার থেকে ১০ লাখ Email পাঠানো সম্ভব। এজন্য Professional Software গুলো সংগ্রহ করতে হবে এবং ব্যবহার করার পদ্ধতি জানতে হবে।
কোথায় এবং কিভাবে শিখবেন Email মার্কেটিংঃ

Email Marketing শেখার জন্য Google, Youtube সহ বিভিন্ন Blog Site গুলো Search করলে আপনি অনেক সাহায্য পাবেন, তাছাড়া এই Blog এর Email Marketing সম্পর্কিত post গুলো থেকেও প্রচুর ধারনা পাবেন।
Share:

ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কত আয় করতে পারেন ?

ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কত আয় করতে পারেন ?
এটা এমন এক প্রশ্ন যার তৈরী কোন উত্তর নেই। আপনি যখন চাকরী করেন তখন সহজেই আপনার আয় কত বলতে পারেন । ফ্রিল্যান্সারের ক্ষেত্রে বিষয়টা অতটা সহজ না। একজন ফ্রিল্যান্সারের আয় যে বিষয়গুলির ওপর নির্ভর করে সেগুলি এখানে তুলে ধরা হচ্ছে।

আপনি ফ্রিল্যান্সকে পেশা হিসেবে নিতে চাইলে প্রথমে মার্কেটিং এর দক্ষতা বাড়ান। বলা হয় বাংলাদেশীদের মার্কেটিং এ দক্ষতা কম। নিজেদেরকে ঠিকভাবে তুলে ধরতে পারেন না বলে যোগ্যতা থাকা সত্তেও অনেকে কাজ পান না। এখানে ভালো আয় করতে চাইলে প্রথমে নিজের দক্ষতা প্রকাশ করতে হবে । বিষয়টি অনেকটাই দোকানদারীর মত। আপনার দোকানে কত জিনিস আছে সেকথা না জানালে ক্রেতা পাবেন না। ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনার যোগ্যতা কি সেটা প্রকাশ না করে কাজ আশা করতে পারেন না
মার্কেটিং এর দক্ষতা থাকাই যথেষ্ট নয়, একে নেশায় পরিনত করতে হবে। যদিও বাস্তবে অনেকেই কাজটি পছন্দ করেন না । আপনি বিশ্বের সবচেয়ে ভাল গ্রাফিক ডিজাইনার হতে পারেন কিন্তু সেটা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজে আসবে না যদি সঠিক ক্লায়েন্টের কাছে না পৌছান। নিজের দক্ষতা প্রকাশ করাই যথেষ্ট না, বরং প্রতি মুহুর্তে খোজ করা প্রয়োজন কোথায় আরেকটু ভাল ক্লায়েন্ট পাওয়া । প্রশ্ন থাকতে পারে এরসাথে ফ্রিল্যান্সারের আয়ের সরাসরি সম্পর্ক এত গুরুত্বপুর্ন কেন। বাস্তবতা হচ্ছে, যারা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে সবচেয়ে ভাল করেন তারা তাদের কাজে সবচেয়ে দক্ষ এটা ধরে নেয়া যায় না । বরং যারা যোগাযোগে দক্ষ তারা তারচেয়ে দক্ষ ব্যক্তির চেয়ে ভাল কাজের সুযোগ পান এবং ফল হিসেবে বেশি আয় করেন। স্বাভাবিকভাবেই আপনি দক্ষতাকে উপেক্ষা করতে পারেন না। বেশি কাজ পাওয়া এবং বেশিমুল্যের কাজ পাওয়ার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। সাধারন মানের গ্রাফিক ডিজাইনার ঘন্টাপ্রতি ৪০ ডলারে কাজ করতে পারেন, যার দক্ষতা বেশি তিনি নিতে পারেন ৮০ ডলার। ৪০ ডলারের যোগ্যতা নিয়ে ৮০ ডলার আশা করা অনুচিত । যারা মার্কেটিং এ ততটা দক্ষ নন তারা অনেকে যোগ্যতা দিয়ে সেটা পুরন করার চেষ্টা করেন। প্রতি মুহুর্তে নিজের দক্ষতাকে বাড়াতে থাকেন এবং আশা করেন কোন এক সময় সঠিক ক্লায়েন্টের কাছে নিজেকে তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। এককথায় ফ্রিল্যান্সার কত আয় করতে পারেন সেটা প্রকাশ করা যেতে পারে এভাবে, আপনার কাজে দক্ষতা এবং যোগাযোগের দক্ষতা যত বেশি আয় ততটাই বেশি। এই দুইএর সমম্বয় করে মাসে কয়েখ হাজার ডলার আয় করা সম্ভব।
Share:

কম্পিউটারে অর্থ উপার্জনের সেরা পদ্ধতিগুলো

কম্পিউটারে অর্থ উপার্জনের সেরা পদ্ধতিগুলো । অনেকেই দ্বিধায় পড়েন, কোনটি করবেন এবং কোনটি করবেন না এই নিয়ে। তাছাড়া বাংলাদেশের জন্য স্থানীয় কিছু সমস্যা তো রয়েছেই। ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ উপার্জনের সুবিধা-অসুবিধা অনুযায়ী ৫টি পদ্ধতি নিয়ে নিচে আলোচনা করছি।


১. গুগল এডসেন্স(www.google.com/adsense)
গুগল এডসেন্স ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনের সবচেয়ে সেরা উপায় । মাসে কয়েক হাজার ডলার আয় করা যায় প্রোগ্রামিং বা এইধরনের কোন ক্ষেত্রে বিশেষ দক্ষতা না থেকেও। এমনকি গুগলের ব্লগার ব্যবহার করে কোনরকম খরচ ছাড়াই।আপনার প্রয়োজন শুধু সময় ব্যয় করা এবং চারিদিকে দৃষ্টি রেখে নিজের ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার ব্যবস্থা করা। সবচেয়ে ভাল ফল পাওয়ার জন্য আপনার প্রয়োজন এমন একটি ওয়েবসাইট যেখানে প্রচুর ভিজিটর ভিজিট করবেন। এধরনের ওয়েবসাইট তৈরী এবং ভিজিটর পেতে কয়েক মাস এমনকি কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। প্রতিদিন কমপক্ষে ১ হাজার ভিজিটর না পেলে খুব বেশি আয়ের সম্ভাবনা কম। গুগল এডসেন্স এর মত চিতিকা (
www.chitika.com) নামে আরেকটি ব্যবস্থা রয়েছে । ব্যবহারের পদ্ধতি এডসেন্স এর মতই।
২. এফিলিয়েটেড মার্কেটিং
এফিলিটেড মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে সীমা হচ্ছে আকাশ। আপনি যত চেষ্টা করবেন তত বেশি আয় করবেন। আপনার কাজ হচ্ছে ইন্টারনেটে যারা কিছু বিক্রি করে (পন্য বা সেবা) তাদের হয়ে প্রচার করা।এ কাজের জন্য নিজের ওয়েবসাইট থাকলে সুবিধে বেশি, না থাকলেও সমস্যা নেই অন্যভাবে করা যায়। কোন কোন কোম্পানী টাকা দেয় তাদের সাইটে ভিজিটর পাঠালেই আবার কোন কোন কোম্পানী দেয় কোন
ভিজিটর কিছু কিনলে। ৭৫% পর্যন্ত কমিশন দেয়ার মত কোম্পানীও রয়েছে। আমাজন, ই-বে এফিলিয়েটেড মার্কেটিং কাজের জন্য অন্যতম। আমি আগেই বলেছি এফিলিয়েটেড মার্কেটিং এর জন্য নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে বেশি সুবিধে পাবেন। শুধুমাত্র এই কাজের জন্যই বিনামুল্যে ওয়েবসাইট তৈরী ও সেখানে বিভিন্ন পন্য যোগ করার ব্যবস্থা রয়েছে। যদিও এই ব্যবস্থায় আয় বেশি তারপরও এডসেন্সর এর পর ২য় অবস্থানে থাকার কারন হল একাজে বুদ্ধিমত্তা, মার্কেটিং এর দক্ষতা এবং পরিশ্রম অনেক বেশি।
৩. ফ্রিল্যান্সিং
আপনি ওয়েবসাইট তৈরী কিংবা মার্কেটিং এর ঝামেলায় যদি যেতে না চান, অথচ কম্পিউটারের কোন কাজে দক্ষ। সেটা ফটোশপ ব্যবহার করে হোক অথবা গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, প্রোগ্রামিং থেকে ডাটা এন্ট্রি, ভিডিও এডিটিং কিংবা এনিমেশন যে কোন কিছুই হতে পারে। তাহলে আপনার জন্য ফ্রিল্যান্সিং উপযুক্ত। কাজ দেয়ার ক্ষেত্রে অনেকগুলি প্রতিস্ঠান রয়েছে মধ্যস্থতা করার জন্য । সেখানে নিজের নাম তালিকাভুক্ত করবেন (কোন খরচ নেই), তাদের কাজের তালিকা দেখে এপ্লাই করবেন, কাজ পাওয়ার পর কাজ করে জমা দিবেন। আপনার একাউন্টে সেই কাজের পারিশ্রমিক জমা হবে। ঘন্টাপ্রতি নির্দিষ্ট কাজ অনুযায়ী অথবা এককালীন চুক্তি অনুযায়ী ফ্রিলান্সিং কাজে পেমেন্ট দেয়া হয়। কাজের জটিলতা অনুযায়ী আয় কয়েক ডলার থেকে কয়েক হাজার ডলার পর্যন্তও হতে পারে এই চুক্তি। মধ্যস্থতাকারী থাকে বলে টাকা হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
www.freelancer.com , www.odesk.com ইত্যাদি এধরনের কাজে অন্যতম প্রতিস্ঠান।
৪. নিজে বিক্রি করা
লাভ বেশি থাকার পরও একে ৪ নম্বরে রাখতে হচ্ছে কারন নিজে বিক্রি করলে লাভ বেশি, সেইসাথে পরিশ্রমও বেশি। আপনি কিছু পন্য ঠিক করবেন এরপর ওয়েবসাইটে রেখে দেবেন। যিনি কিনতে চান তিনি সেখানে ক্লিক করে কিনবেন এবং আপনি সেটা তারকাছে পাঠিয়ে দেবেন। ফটোগ্রাফ, ই-বুক, সফটঅয়্যার এর মত পন্য সরাসরি ইমেইল করে পাঠাতে পারেন কিংবা ডাউনলোডের ব্যবস্থা রাখতে পারেন। ছাপা বই বা বহনযোগ্য অন্য পন্য হলে পার্সেল করে পাঠাতে হবে। বিশ্বের অনেক দেশের মানুষই কেনাকাটা করে অনলাইনে। কাজেই এই মুহুর্তে বাংলাদেশের মত দেশে বিষয়টি চালু না থাকলেও একসময় হবে ইনশাআল্লা ।
৫. অনলাইন বিজ্ঞাপন
জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে এডসেন্স এর মত বিজ্ঞাপন রাখতে হবে এমন কোন কথা নেই, ছাপানো পত্রিকায় যেমন বিজ্ঞাপন দেয়া হয় সেভাবে আপনার ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন প্রচার করে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। আমেরিকায় ছাপানো বিজ্ঞাপনের আয়কে ছাড়িয়ে গেছে অনলাইন বিজ্ঞাপন। পত্রিকার মত সাইটের জন্য এই ব্যবস্থা সুবিধেজনক।

Share:

নেটে কিভাবে কাজ করে অর্থ উপার্জন করা যায় আর কিভাবে করবেন?

নেটে কিভাবে কাজ করে অর্থ উপার্জন করা যায় আর কিভাবে করবেন?


আগামীতে আউটসোর্সিং হবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আয়ের উতস, কর্মসংস্থানের সবচেয়ে বড় যায়গা। তারপরও যারা একাজ করবেন তারা অনেকেই অন্ধকারে রয়ে গেছেন। অনেকেই জানেন না ঠিক কি করবেন। কি যোগ্যতা প্রয়োজন হবে, কি কি যন্ত্রপাতি প্রয়োজন হবে, কি কাজ করতে হবে, কাজ কোথায় পাওয়া যাবে, কত টাকা পাওয়া যাবে, কিভাবে পাওয়া যাবে। এই প্রশ্নগুলির উত্তর ধারাবাহিকভাবে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে এখানে।
* প্রথমেই একটা কথা পরিস্কার করে নেয়া ভাল। বলা হচ্ছে কাজ করে অর্থ উপার্জনের বিষয়ে। কাজেই আপনাকে কাজ করতে হবে, সে কাজ শিখতে হবে, অন্যদের সাথে প্রতিযোগিতা করতে হবে। আপনার দক্ষতা যত বেশি অর্থ উপার্জনের সুযোগ তত বেশি। এটাই একমাত্র পথ। যদি কাজ শিখতে এবং করতে পর্যাপ্ত আগ্রহ এবং চেষ্টা না থাকে তাহলে সময় নষ্ট না করাই ভাল। সহজে অর্থ উপার্জন বলে যা
বুঝানো হয় তা আসলে ততটা সহজ না।
আউটসোর্সিং কি ?
এটা নিশ্চয়ই প্রথম প্রশ্ন। উত্তর হচ্ছে, বাড়িতে বসে অন্য কারো কাজ করা। উন্নত দেশগুলিতে (আমেরিকা কিংবা ইউরোপ) মজুরী অত্যন্ত বেশি। কোন কোম্পানীর যদি নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম তৈরী প্রয়োজন হয়, এজন্য যদি একজন প্রোগ্রামার নিয়োগ করতে হয় তাহলে বিপুল পরিমান টাকা গুনতে হয়। সেকাজটিই অন্য দেশের প্রোগ্রামার দিয়ে করিয়ে নিলে তুলনামুলক কম টাকায় করানো যায়। বর্তমান ইন্টারনেট ব্যবস্থায় খুব সহজে একাজ করা সম্ভব। আপনি সেই প্রোগ্রামার, ডিজাইনার, এনিমেটর অথবা যাই হোন না কেন ইন্টারনেটের মাধ্যমেই তাদের কাজ করতে পারেন, ঘরের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। বড় কোম্পানীর বদলে ছোট কোম্পানী, কিংবা ব্যক্তি পর্যায়ের কাজের কথা যদি
এরসাথে যোগ করা হয় তাহলে কাজের পরিধি বেড়ে যায় অনেক। ধরুন কোন ব্যক্তির একটি ওয়েবসাইট তৈরী করা প্রয়োজন।
তিনি নিজে সেকাজ পারেন না। কাজেই তার প্রয়োজন এমন একজন ব্যক্তি যিনি সেকাজ করে দেবেন। আপনি যদি সেকাজে দক্ষ হন তাহলে আপনি আগ্রহি হয়ে সেখানে যোগাযোগ করলেন। সমঝোতা হল, আপনি কাজটি করে দেবেন, বিনিময়ে ১০০ ডলার পাবেন। লাভ দুজনেরই। কাজেই, আউটসোর্সিং হচ্ছে এক যায়গার কাজ অন্যযায়গা থেকে করিয়ে নেয়া। এই কাজকে সহজ করার জন্য অনেক প্রতিস্ঠান রয়েছে। তাদের ওয়ের সাইটে বিনামুল্যে সদস্য হওয়া যায় (আপনাকে বিনামুল্যে সেবা দিয়েও তারা নিজেরা লাভ করেন। সে
হিসেব আলাদা)। তাদের সদস্য দুধরনের, একপক্ষ কাজ দেন, আরেকপক্ষ কাজ করেন। আপনি যখন কাজ দেবেন তখন কাজের বিবরন, সময়, অর্থের পরিমান ইত্যাদি তাদের জানাবেন। তারা ওয়েবসাইটে সেগুলি রেখে দেবেন যারা কাজ করতে আগ্রহি তাদের জন্য।
আপনি যত কাজ করবেন তখন তাদের ওয়েব সাইটে গিয়ে সেই তালিকা থেকে নিজের পছন্দমত কাজের জন্য আবেদন করবেন (সাধারনত একটি লিংকে ক্লিক করাই যথেষ্ট)। যার কাজ তিনি আবেদনগুলি যাচাই করে যাকে যোগ্য মনে করবেন তাকে কাজটি
দেবেন। আপনি সেই ব্যক্তি হলে কাজটি করে ইন্টারনেটের মাধ্যমেই তারকাছে পাঠিয়ে দেবেন। সাথেসাথে আপনার একাউন্টে কাজের অর্থ জমা হবে।
কাজের ধরন
একটু আগে দুধরনের কাজের কথা বলা হয়েছে, একটি কোম্পানীর, অপরটি ছোট কোম্পানী কিংবা ব্যক্তির। আউটসোসিং এর কাজ মুলত এই দুধরনের। বড় কোম্পানীর বড় কাজ করার জন্য বড় প্রতিস্ঠান প্রয়োজন। সেখানে আপনি একজন নিয়মিত কর্মী হিসেবে নিয়োগ পেতে পারেন। আপনি ফ্রিল্যান্সার নন। আর ছোট কাজের ক্ষেত্রে আপনি নিজেই সবকিছু। যোগাযোগ, কাজ করা, অর্থ গ্রহন সবকিছু করতে হবে নিজেকেই। অবশ্য কয়েকজন একসাথে শুরু করে ক্রমাম্বয়ে বড় কোম্পানীতে পরিনত হওয়া অবশ্যই সম্ভব। ধরে নেয়া হচ্ছে আপনি একা কাজ করতে আগ্রহি। এখানে সে সম্পর্কিত তথ্যই উল্লেখ করা হচ্ছে। এক কথায়, কম্পিউটার ব্যবহার করে যাকিছু করা সম্ভব সবধরনের কাজই পাওয়া যায় এভাবে। গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব পেজ তৈরী, ওয়েব পেজের কোন সমস্যার সমাধান থেকে শুরু করে এনিমেশন, ভিডিও এডিটিং কিংবা একেবারে সহজ ডাটা এন্ট্রি পর্যন্ত। কাজ যত সহজ অর্থের পরিমান তত কম, কাজ যত জটিল অর্থের পরিমান তত বেশি এই নিয়মে। উদাহরন হিসেবে ওয়েব সাইটের জন্য ফটোশপে একটি ব্যানার বিজ্ঞাপন তৈরী করে যে পরিমান অর্থ পাবেন ফ্লাশে এনিমেটেড ব্যানার তৈরী করে পাবেন তারথেকে অনেক বেশি অর্থ। বাস্তব ধারনা পাওয়ার সবচেয়ে ভাল পথ হচ্ছে এধরনের
ওয়েবসাইটে গিয়ে কাজের তালিকা দেখা।
কি শিখতে হবে
কোন কাজ আপনার জন্য ভাল সেটা যাচাইয়ের দায়িত্ব আপনার। আগ্রহ কোন বিষয়ে, দক্ষতা কোন বিষয়ে, কতদুর পর্যন্ত যেতে পারবেন এগুলি একমাত্র আপনিই জানতে পারেন। কোন কাজে অর্থ বেশি এটা বিচার করে সেই কাজ করতে না যাওয়াই ভাল। প্রোগ্রামার হওয়ার জন্য একধরনের প্রতিভা প্রয়োজন, এনিমেটর হওয়ার জন্য আরেক ধরনের, ভাল ডিজাইনার হওয়ার জন্য আরেক ধরনের। কোন বিষয়ে আগ্রহি হলে সে বিষয়ে খোজ নিন, কিছুদিন চেষ্টা করুন, তারপর দ্রুতই সিদ্ধান্ত নিন। এবিষয়েও সত্যিকারের সাহায্য পাবেন এধরনের জব সাইটে। প্রতিটি কাজের বর্ননার সাথে কোন সফটঅয়্যারে দক্ষতা থাকতে হবে তা উল্লেখ করা থাকে।
কত আয় করা সম্ভব
বিষয়টি পুরোপুরি আপনার কাজের ধরনের ওপর নির্ভর করে। অধিকাংশ কাজের হিসেব হয় ঘন্টা হিসেবে। গ্রাফিক ডিজাইনকে উদাহরন হিসেবে ধরলে মাসে অনায়াসে হাজার ডলার আয় করা সম্ভব। প্রোগ্রামার হলে অনেক বেশি।
কি যন্ত্রপাতি প্রয়োজন
এধরনের কাজে আপনার মুল অস্ত্র হচ্ছে মেধা। কাজেই দামী যন্ত্রপাতি নিয়ে মাথা ঘামানোর প্রয়োজন হয় না, বিশেষ কাজ ছাড়া। কাজের ধরন অনুযায়ী অবশ্যই আপনার স্ক্যানার, গ্রাফিক ট্যাবলেট, দামী ক্যামেরা ইত্যাদি প্রয়োজন হতে পারে। এধরনের বিশেষ যন্ত্র বাদ দিলে আপনার প্রয়োজন একটি মোটামুটি পর্যায়ের কম্পিউটার এবং ভাল ইন্টারনেট সংযোগ। বর্তমানে যথেষ্ট কম টাকায় ভাল কম্পিউটার পাওয়া যায়। আর ইন্টারনেট সংযোগের বিষয়ে বলা আসলে অর্থহীন। তারা আশা করে আপনি টাকা দেবেন, বদলে কি পাবেন তাতে তাদের কিছু যায়-আসে না। আর সরকার কিংবা প্রশাসন যত বক্তৃতা-বিবৃতি দিক না কেন, ব্যবসায়িদের কাছে সবসময় মাথা নিচু করে থাকে। মুল কথায় ফেরা যাক। ইন্টারনেটে কাজ করে অর্থ উপার্জনের এটা প্রাথমিক তথ্য। শুরুতেই আপনি যা করতে পারেন তা হচ্ছে এধরনের ওয়েবসাইটে গিয়ে বিস্তারিত পড়া, বোঝার চেষ্টা করা। সত্যিকাজের কাজের তথ্য তাদের কাছেই পাওয়া সম্ভব, অকারনে অন্য যায়গায় সময় নষ্ট করবেন না। odesk, freelancer এধরনের জনপ্রিয় ওয়েব সাইটের উদাহরন। সার্চ করলে এধরনের
আরো বহু সাইট পাবেন। ভালভাবে বোঝার জন্য কয়েকদিন নিয়মিত এই সাইটগুলিতে সময় কাটান। কাজ শুরু করুন, সেইসাথে আরো জানার চেষ্টা করুন।

Share:

freelancing tips| freelancing টিপস

 অনলা্েনে ফিলাসিং টিপস :
দিন দিন সারা বিশ্বে Freelancing এর জনপ্রিয়তা ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইউ.এস.এ-তে গড়ে প্রতি তিনটি কজের মধ্যে একটি কাজই ফ্রিল্যান্স এর মাধ্যমে করানো হচ্ছে। এই কারনেই Freelancing ক্ষেত্রে কাজের পরিমান প্রতিনিয়তই বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে অধিকাংশ লোকই নিজের ইচ্ছা বা শখের কারনেই Freelancing করছে। তবে কেউ কেউ তাদের বাড়তি আয়ের জন্য Freelancing করছে আবার অনেকে সাধারন চাকরি না পেয়ে Freelancing শুরু করছে। Freelancing এ সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এতে নিজের স্বাধীনতা রয়েছে এবং এর মাধ্যমে নিজের সৃজনশীলতা ও দক্ষতাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো যায়। বাংলাদেশেও Freelancing এর জনপ্রিয়তা কম নয়। তাই আপনিও যদি Freelancing করতে আগ্রহী হয়ে থাকেন অথবা Freelancing করছেন তাহলে নিচের টিপসগুলো সবসময় মনে রাখবেন তাহলে আপনার সফলতায় তেমন কোনো বাধা আসতে পারবে না।

নিজেকে পরিচিত করে তুলুনঃ

আপনি যেই ক্ষেত্রেই Freelancing করুন না কেন অনলাইনে আপনি যত বেশি জনপ্রিয় হতে পারবেন, Freelancing এ আপনার সফলতার সম্ভাবনা ততই বৃদ্ধি পাবে। তাই আপনার কাজের পাশাপাশি একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরি করে তা জনপ্রিয় করার চেষ্টা করুন। ব্লগের মাধ্যমে আপনার দক্ষতাকে অন্যদের কাছে পৌছে দিন। আপনার কর্মক্ষেত্র সম্পর্কিত কোনো ডিসকাশন ব্লগ খুলে তা দ্বারা অন্যদের সহায়তা করার চেষ্টা করুন।
আপনার যোগাযোগের নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি করুনঃ

Freelancingকে ব্যাবসার সাথে তুলনা করা হয়। তাই এক্ষেত্রে যোগাযোগ রক্ষা করা একটি অত্যন্ত্ গুরুত্বপূর্ন বিষয়। আপনার পুরোনো ক্লায়েন্টদের সাথে যোগাযোগ অক্ষুন্ন রাখুন এতে তাদের কাছ থেকে পুনরায় কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। সকল ক্লায়েন্টএর সাথেই আন্তরিক হওয়ার চেষ্টা করুন। পাশাপাশি সামাজিক জীবনেও সকলের সাথে যোগাযোগ অক্ষুন্ন রাখুন।
নিরাপদ ভাবে কাজ নেওয়ার চেষ্টা করুনঃ

কোনো নতুন ক্লায়েন্ট এর কাজ শুরু করার পূর্বে ক্লায়েন্টটির সম্পর্কে যথা সম্ভব নিশ্চিত হয়ে নিন। তার আগের কাজগুলোর পেমেন্ট ঠিকমতো দিয়েছে কি-না, ফিডব্যাক কেমন ইত্যাদি দেখে নিন। কাজ শুরুর আগেই কাজটি সম্পর্কে বিস্তারিত সবকিছু ক্লায়েন্ট এর কাছ থেকে জেনে নিন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করুনঃ

যে কোনো কাজ শুরুর আগে কাজের সময় নির্ধারন করে নিন। অনেক সময় ফ্রিল্যান্সাররা একসাথে বেশ কয়েকটি কাজ নিয়ে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে হিমশিম খায়। তাই কোন কাজ শেষ করতে কত সময় লাগতে পারে সেই হিসাবেই আপনার কাজগুলোকে ভাগ করে নিন। কাজগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন করার মতো সময় হতে রাখবেন।
ক্লায়েন্টদের সাথে যথা সম্ভব আন্তরিক হোনঃ

নতুন একটি কাজ করার ক্ষেত্রে কাজটি সম্পর্কে প্রথমেই সম্পুর্ন কিছু জেনে নিন। নিজের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগান। প্রজেক্টটি সম্পর্কে আপনার কোনো ক্রিয়েটিভ আইডিয়া থাকলে তা ক্লায়েন্টকে জানান। অনেক ফ্রিল্যান্সাররাই এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয় না কিন্তু এর মাধ্যমেই আপনার সম্পর্কে ক্লায়েন্ট এর একটি ইতিবাচক ধারনা সৃষ্টি হবে যা ওই ক্লায়েন্ট থেকে আরও কাজ পাওয়ার সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দেবে। ক্লায়েন্ট এর সাথে যোগাযোগের সময় আন্তরিকতার প্রকাশ করুন।
সেইসাথে আরও একটি কথা, ইংরেজী ভাল বুঝতে পারলে ক্লায়েন্টদের সাথে যোগাযোগ করতেও সুবিধা। কারন Freelancing Marketplace-এ যোগাযোগের মাধ্যম হলো ইংরেজি। যোগাযোগের জন্য ক্লায়েন্টরা মেইল করতে পারেন, ম্যাসেজ পাঠাতে পারেন, আবার প্রয়োজনে স্কাইপিতে কথা বলতে চাইতে পারেন। সুতরাং আপনি যদি ক্লায়েন্টদের সাথে ইংরেজিতে যোগাযোগ করতে না পারেন তখন কিন্তু কাজ পাবেন না। যেহেতু ইংরেজী একটি আন্তর্জাতিক ভাষা সেহেতু এই ভাষাকে এড়িয়ে যাবার কোন সুযোগ নেই। তাই আপনার নিজের ভাষার পাশাপাশি ইংরেজীতেও দক্ষতা অর্জনের চেষ্টা করতে হবে। ইংরেজীতে দক্ষ হলেই Freelancing এ সাফল্য পাওয়া সহজ হবে।
Share:

Very Easy Affiliate program

এফিলিয়েট -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্ট হচ্ছে সিপিএ মার্কেটিং। CPA এর পূন রূপ হলো  Cost Per Action, এটি এডভাটাইজিং পেমেন্ট মডেল যাতে পেমেন্ট কিছু কাজের উপর নির্ভর করে দেয়া হয়। সেটা হতে পারে রেজিষ্টেশন, ইমেল সাবমিট, পিন সাবমিট অথবা ডাইনলোড । CPA মার্কেটিং জন্য এডয়ার্ক মিডিয়া ও পীরফ্লাই ১ম সারির CPA নেটোয়ার্ক।

What is CPA Marketing?
বর্তমান বাজারে CPA মার্কেটিং  এর বিরাট চাহিদা।  এডভাটাইজিং পেমেন্ট মডেলগুলোর ধারনাই পালটে দিয়েছে। এমাজনের এফলিয়েট মার্কেটিং এর কথা নিমেষেই বলা যায়। আমাজন আপনাকে শুধুমাত্র তখনি টাকা দিবে যখন আপনার মাধম্যে তাদের কোন প্রোডাক্ট সেল হবে। এটা আসলেই অনেকটা কষ্টসাধ্য ব্যপার। নতুন ইন্টারনেট মার্কেটার দের জন্যতো অনেকটা অসম্ভব। সেখানে CPA মার্কেটিং এ আপনাকে পে করা হবে কোন প্রোডাক্ট সেল করার বিনিময়ে নয়, নিদিষ্ট একটি কাজের বিনিময়ে।
গেমস ডাউলোট , ফরমপূরণ,ভিডিও , পন্য কেনা ইত্যাদি ।বপ প্রতিটা লিড বা ফর্ম পুরনের জন্য আপনি কত পাবেন ? CPA মার্কেটিং মাধ্যমে এর গড়ে প্রতিটা লিড থেকে $1-$4 আয় হয়। তারও বেশি আয় হয়ে থাকে। পন্যের মান বা সেবা, চাহিদার উপর আপনাকে মাকের্টি করতে হবে।
নিচের লিংকে যান।


Share:

Language Translate

Online Marketplace

1. Café Press 2. Zazzle, 3. Bonanza, 4. Etsy, 5. Online Auction.com, 6. Overstock.com, 7. NewEgg, 8. Craigslist, 9. ebay, 10. Amazon

categories

Powered by Blogger.

◉